কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয় করা যায় ? (সেরা গাইড)

ইউটিউব থেকে আয়
Earn money online from YouTube

ইউটিউব থেকে আয় কিভাবে করতে হয় (How To Earn Money From YouTube), এই বিষয়ে আজ আমরা সম্পূর্ণটা জানবো।

আপনারা অবশই জানেন, বর্তমানে একটি ইউটিউবের চ্যানেল তৈরি করে টাকা ইনকাম করার একটি অনেক লাভজনক উপায়।

ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করার উপায় গুলো এমনিতে অনেক সহজ।

তবে, যেকোনো অন্য ব্যবসা বা কাজের মতোই এখানেও আপনাকে প্রচুর সময় দিয়ে কাজ করতে হবে।

আজ থেকে কিছু বছর আগে ইউটিউব থেকে ইনকাম করাটা অনেক সহজ বেপার ছিল।

কিন্তু, আজ ২০২১ সালে যেকোনো অন্য ক্যারিয়ার এর মতোই ইউটিউবের ক্যারিয়ার এর মধ্যেও প্রতিযোগী দের সংখ্যা প্রচুর।

তাই, আজকের সময়ে YouTube channel থেকে টাকা আয় করাটা তেমন সহজ বেপার হয়ে নেই।

অবশই, মন দিয়ে কাজ করলে সহজেই YouTube থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

এবং, আজ আমরা প্রত্যেকেই জানি বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার লোকেরা নিজেদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রতি মাসে হাজার লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন।

এবং, সঠিক ভাবে কাজ করতে পারলে আপনিও এই অনলাইন ইনকাম করার সেরা উপায় ব্যবহার করে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

এমনিতে, YouTube এর মতোই blogging (blog) থেকেও আপনারা অনলাইনে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

তবে মনে রাখবেন, অনলাইন ব্লগ থেকে টাকা আয় করার তুলনায় ইউটিউব থেকে আয় করাটা অনেক সহজ।

কারণ, YouTube এর ক্ষেত্রে আপনি কেবল কিছু ভিডিও বানিয়ে সেগুলোকে নিজের YouTube channel এর মধ্যে আপলোড করেই ইনকাম করতে পারবেন।

YouTube এর channel তৈরি করে আপনারা কেবল টাকা-পয়সা ছাড়াও নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যক্তি বানিয়ে নিতে পারবেন।

আজ অনেক শিক্ষিত ব্যক্তিরা চাকরি ছেড়ে নিজেদের YouTube channel তৈরি করে ঘরে বসে চাকরির থেকে অধিক গুন বেশি টাকা আয় করছেন।

আর তাই, আপনিও যদি ভাবছেন, “কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা যায়”, তাহলে এই আর্টিকেলে সম্পূর্ণ উত্তর পাবেন।

YouTube থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় ?

যখন কথা আসছে, “online income করার” তখন আমাদের কাছে দুটো লাভজনক উপায় রয়েছে।

  • Blogging 
  • YouTube 

অনেক ব্যক্তিরা রয়েছেন যারা YouTube এর তুলনায় Blogging করে টাকা ইনকাম করতে অধিক পছন্দ করে থাকেন।

কারণ, ব্লগিং এর ক্ষেত্রে Google Adsense থেকে অধিক ভালো ইনকাম করা সম্ভব বলে অনেকেই মনে করেন।

তাছাড়া, অনেকেই আবার ভিডিও তৈরি করার তুলনায় আর্টিকেল লিখার কাজ অধিক পছন্দ করেন।

তবে, যখন কথা আসছে ইউটিউব থেকে ইনকাম করার,

তখন, YouTube এর অবশই কিছু বিশেষ লাভ রয়েছে।

YouTube এর ক্ষেত্রে আপনি নিজের পছন্দের video content তৈরি করে সেগুলোকে নিজের চ্যানেলে আপলোড করলেই কাজ হয়ে গেলো।

আপনি নিজের YouTube channel টিটে Monetization চালু করে, আপলোড করা ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

সব থেকে মজার বিষয় হলো, YouTube থেকে blogging এর তুলনায় অধিক বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কারণ, সাধারণ text content এর বিপরীতে YouTube এর মধ্যে থাকছে video content.

আর প্রত্যেকেই text এর তুলনায় video content দেখে অধিক পছন্দ করেন।

যার ফলে, আপনার upload করা video অধিক লোকেরা দেখেন এবং আপনার ইনকাম অধিক হয়ে থাকে।

এখন আপনারা হয়তো ভাবছেন, ইউটিউব থেকে কিভাবে আয় করা যায় ? এর সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কি ?

Steps to earn money from YouTube channel 

ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার উপায় সোজা হলেও, শুরু থেকে আপনাকে প্রায় অনেক বিষয়ে নজর দিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।

সেই প্রত্যেকটি বিষয় নিচে আমি এক এক করে বলে দিয়েছি।

  1. সবচেয়ে আগে আপনাকে YouTube.com ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি নতুন YouTube channel create করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনারা নিজের Gmail account / ID ব্যবহার করতে হবে।
  2. নিজের চ্যানেল এর একটি ছোট তবে ভালো নাম রাখতে হবে। আপনার চ্যানেলের নাম শুনেই যাতে অনুমান করা যেতে পারে আপনি কোন বিষয়ের ওপরে ভিডিও আপলোড করে থাকেন।
  3. এবার নিজের YouTube channel টিকে কিছুটা আকর্ষণীয় এবং প্রফেশনাল করেতোলার জন্য “channel art“, “channel logo” এবং “channel details” দিয়ে দিতে হবে।
  4. এখন আপনার বানাতে হবে ৩-৪ সেকেন্ডের একটি intro video যেটা আপনি আপনার প্রত্যেক ভিডিওতে ব্যবহার করতে পারবেন।
  5. এবার, আপনি ভালো ভালো বিষয়ে ভিডিও তৈরি করতে হবে। এমন বিষয় গুলো নিয়ে ভিডিও তৈরি করুন যেগুলোর ওপরে লোকেদের রুচি রয়েছে।
  6. এখন, নিজের বানানো ভিডিও গুলো নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড দিতে হবে।
  7. এবার, ভিডিও আপলোড করার সময় সেই ভিডিওর সাথে জড়িত, description, video title, tags, thumbnail ইত্যাদি ভালো করে দিয়ে video publish করুন।
  8. এখন, নিজের publish করা ভিডিওটি social media platforms গুলোতে শেয়ার করুন।
  9. এভাবে, যখন বিভিন্ন মাধ্যমে আপনার YouTube videos গুলোতে প্রচুর views আসতে থাকবে এবং ধীরে ধীরে আপনার চ্যানেলে subscriber বাড়তে থাকবে।

শেষে, যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ভালো পরিমানের subscribers যেয়ে যাবে, তখন বিভিন্ন উপায় গুলো ব্যবহার করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে আয় করার উপায় গুলো কি কি ? 

একবার যখন আপনার YouTube channel এর মধ্যে ভালো পরিমানে subscribers হয়ে যাবে,

এছাড়া, যখন আপনার আপলোড করা video গুলোতে ভালো পরিমানের ভিউস (views) আসতে শুরু হবে,

তখন আপনি নিচে দেওয়া উপায় গুলো ব্যবহার করে অনলাইন ইনকাম শুরু করতে পারবেন।

  • Google AdSense থেকে ইনকাম
  • Affiliate marketing থেকে আয়
  • Sponsored videos 
  • Sell own products 

১. Google AdSense

বর্তমান সময়ে ছোট-বড় প্রত্যেক ইউটিউবার রা তাদের চ্যানেল থেকে মূলত Google AdSense থেকে income করে থাকেন।

আর তাই, যদি আপনিও YouTube থেকে টাকা income করার কথা ভাবছেন,

তাহলে আপনাকেও এই মাধ্যমেই ইনকাম করার কথা ভাবতে হবে।

YouTube channel এর মধ্যেই আপনারা “Monetize” নামের একটি option দেখতে পাবেন।

এই অপশনে গিয়ে monetization enable করলেই আপনার চ্যানেলে থাকা ভিডিও গুলোতে এডসেন্সের দ্বারা বিজ্ঞাপন দেখানো হবে।

আর এভাবেই, আপনার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে যত বেশি লোকেরা বিজ্ঞাপন (ads) দেখবেন ও ক্লিক করবেন, আপনি ততটাই বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

তবে মনে রাখবেন, YouTube চ্যানেল থেকে AdSense monetization চালু করার কিছু নিয়ম রয়েছে।

  • আপনার চ্যানেলে 1,000 subscribers থাকতে হবে।
  • বিগত 12 মাসের মধ্যে 4,000 valid public watch hours থাকতে হবে।
  • আপনার দেশে YouTube partner program availability থাকতে হবে।
  • YouTube channel monetization policies গুলোতে ধ্যান রাখতে হবে।

এই বিষয় গুলোর ওপরে ধ্যান রেখে monetization apply করার পর,

YouTube এর official team এর দ্বারা আপনার channel টিকে review করা হবে এবং তারপর আপনাকে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

২. Affiliate marketing

এই উপায় ব্যবহার করে আপনারা ইউটিউবের চ্যানেল থেকে অনেক বেশি পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আসলে affiliate marketing হলো সেই প্রক্রিয়াটি যেখানে আপনারা যেকোনো কোম্পানির product / services গুলোকে বিক্রি করিয়ে কমিশন হিসেবে টাকা আয় করতে পারবেন।

ধরুন, আপনি একটি কোম্পানির মোবাইল নিয়ে একটি রিভিউ ভিডিও বানালেন।

এবার, সেই mobile review video টির description box এর মধ্যে মোবাইলটি কেনার জন্য affiliate purchase link দিয়ে দিলেন।

এবার, যত বেশি লোকেরা সেই মোবাইল আপনার affiliate link থেকে purchase করবেন,

মোবাইল কোম্পানি থেকে ততটাই বেশি কমিশন ইনকাম আপনি করতে পারবেন।

এভাবে, affiliate marketing এর মাধ্যমে আলাদা আলাদা বিভিন্ন কোম্পানির product গুলোকে বিক্রি করিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

প্রায় অনেক YouTuber রয়েছেন যারা এভাবে affiliate marketing এর মাধ্যমে YouTube থেকে প্রচুর টাকা আয় করছেন।

৩. Sponsored videos

এই উপায় ব্যবহার করে ইনকাম করার জন্য আপনার YouTube cannel অনেক popular হতে হবে।

মানে, যখন আপনার চ্যানেলে হাজার হাজার সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে এবং চ্যানেল পপুলার হবে,

তখন sponsored videos এর মাধ্যমে ইনকাম করার সুযোগ হয়ে উঠবে।

আসলে, যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং সেখানে অনেক subscribers হয়ে যায়,

তখন, প্রচুর কোম্পানি গুলো তাদের products এবং services গুলোর বিষয়ে আপনাকে আপনার ভিডিও গুলোতে বলতে বলে।

এতে, আপনার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে কোম্পানির products / services গুলোকে অনলাইনে মার্কেটিং / প্রচার করা হয়।

আর, এই ধরণের ভিডিও গুলোকে বলা হয় sponsored videos যার বিনিময়ে কোম্পানি গুলো আপনাকে টাকা দিবে।

৪. Sell own products

যদি আপনার নিজের কোনো product / service রয়েছে,

তাহলে আপনি সেই product / service এর বিষয়ে ভিডিও বানিয়ে নিজের চ্যানেলে আপলোড দিতে পারবেন।

এতে, আপনার product এর বিষয়ে অধিক লোকেরা জেনেনিতে পারবেন যার ফলে আপনার product এর জন্যে অধিক customer পাওয়ার সুযোগ হয়ে দাঁড়াবে।

এভাবে, অনেক ব্যবসায়ীরা নিজেদের products গুলোকে ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচার এবং মার্কেটিং করছেন।

আর এর ফলে, ঘরে বসেই গ্রাহক পাওয়ার সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

YouTube কেন একটি লাভজনক ইনকাম এর মাধ্যম ? 

আমি সবসময় বলবো যে, ইউটিউব হলো ঘরে বসে অনলাইন ইনকাম করার সব থেকে সেরা এবং অধিক লাভজনক একটি মাধ্যম।

এর কারণ গুলো হলো,

  • No investment 
  • Earn money fast 
  • Fast AdSense aprroval 
  • Unlimited income potential 
  • Work from home 

No investment required

ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনার কোনো ধরণের ইনভেস্টমেন্ট করতে হবেনা।

আপনি সম্পূর্নই ফ্রীতে একটি channel তৈরি করতে পারবেন।

তবে, আপনার সময় দিয়ে কষ্ট করতে হবে এখান থেকে সফলতা পাওয়ার জন্য।

আপনার কাছে যেই মোবাইল রয়েছে সেটা দিয়েই ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন।

তাছাড়া, মোবাইল থেকে ভিডিও এডিট করে তারপর সেটা নিজের চ্যানেলে আপলোড করতে পারবেন।

তাই, আপনি সম্পূর্ণ ফ্রীতে এই কাজ শুরু করতে পারবেন।

Earn money fast

YouTube এর মাধ্যমে আপনাদের প্রথম দিন থেকেই ইনকাম শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আমরা প্রত্যেকেই video দেখতে পছন্দ করি।

তাই, ভালো ভালো বিষয়ে ভিডিও তৈরি করতে থাকলে, অনেক তাড়াতাড়ি views এবং subscribers পাওয়া সম্ভব।

আর যত তাড়াতাড়ি views এবং subscribers বাড়বে ততটাই তাড়াতাড়ি আপনি নিজের চ্যানেল থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন।

Fast AdSense aprroval

Blogging এর তুলনায় YouTube এর ক্ষেত্রে আপনারা অধিক তাড়াতাড়ি Google AdSense approval পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আপনি নিজের বানানো ভালো ভালো এবং high quality content আপলোড দিতে থাকলে,

অনেক তাড়াতাড়ি ভালো পরিমানের views এবং subscribers পেয়ে যাবেন।

আর তারপর, YouTube monetization (AdSense) এর জন্যে apply করতে পারবেন।

Unlimited income potential

YouTube এর মাধ্যমে আপনি কতটা বেশি টাকা আয় করতে পারবেন, তার কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

আজ অনেকেই নিজের চ্যানেল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করছেন।

তাই, এখানে আপনি যত বেশি কাজ করবেন, যত ভালো ভালো ভিডিও আপলোড দিবেন,

ততটাই বেশি ইনকাম করার সুযোগ আপনার হাতে থাকবে।

YouTube থেকে অধিক earning করার মূল মন্ত্র হলো, “subscribers“.

যতটা বেশি subscribers হতে থাকবেন, ততটাই অধিক ইনকাম করার সুযোগ আপনার হয়ে দাঁড়াবে।

Work from home

YouTube থেকে ইনকাম করার সবচেয়ে মজার বিষয়টি হলো, “আপনি যেকোনো জায়গার থেকে কাজ করতে পারবেন”.

আপনি নিজের ঘরে বা অন্য কোনো পছন্দের জায়গায় গিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

সেভাবেই, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি কাজ গুলোকে ঘরে বসেই করতে পারবেন।

তাই, যদি আপনি YouTube কে একটি ব্যবসা হিসেবে নিয়ে কাজ করার কথা ভাবছেন,

তাহলে সম্পূর্ণ কাজ নিজের ঘর থেকে করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল থেকে অধিক টাকা আয় করার জন্য কি করবেন ? 

যদি আপনারা তাড়াতাড়ি YouTube এর মধ্যে সফলতা পেতে চান,

তাহলে অবশই কিছু বিশেষ বিষয় গুলোর ওপরে নজর দিয়ে কাজ করতে হবে।

নিচে দেওয়া পয়েন্ট গুলোর ওপরে ধ্যান দিয়ে কাজ করলে অনেক ভালো এবং সফল ইউটিউবার হতে পারবেন।

মানে, আপনার ইউটিউব ভিডিও গুলোতে অধিক ভিউস এবং সাবস্ক্রাইবার পাবেন এবং তার সাথে ইনকাম এর পরিমান ভালো থাকবে।

কি কি করতে হবে ?

  1. আপনার এরকম কিছু বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাতে হবে যেগুলো সবসময় লোকেরা ইন্টারনেটে সার্চ করবেন। যেমন, প্রযুক্তি, অনলাইন ইনকাম, knowledge, computer, tutorial videos ইত্যাদি।
  2. ভিডিও বানানোর আগে ভিডিওর বিষয় গুলো keyword research করে খুঁজতে হবে। অধিক সার্চ হওয়া টপিক নিয়ে ভিডিও তৈরি করুন।
  3. চেষ্টা রাখবেন যাতে আপনার তৈরি করা ভিডিও গুলো কমেও ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে থাকে।
  4. ভিডিও আপলোড করার সময় video description এর মধ্যে targeted keywords অবশই ব্যবহার করুন।
  5. ভিডিওর জন্যে আকর্ষণীয় এবং রিলেভেন্ট thumbnail তৈরি করবেন।
  6. ভিডিওর মধ্যে user দের অনুগ্রহ করবেন যাতে তারা আপনার channel subscribe করেন।
  7. Video আপলোড করার সময় video title এর মধ্যে targeted keywords ব্যবহার করবেন।
  8. ভিডিও তৈরি করা এবং চ্যানেলে আপলোড করার প্রক্রিয়া নিয়মিত রাখতে হবে। প্রায় প্রত্যেক ২ দিন পর পর ভিডিও আপলোড করুন।
  9. নিজের চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করার পর, সেই ভিডিওর লিংক (link) বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোতে শেয়ার করুন।
  10. ভুলেও অন্য কারো ভিডিও, গান বা সেখান থেকে কোনো অংশ কপি করে নিজের ভিডিও তৈরি করবেননা।

কি কি ধরণের ভিডিও আপনারা বানাতে পারবেন ? 

আমি আপনাদের সব সময় এরকম ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে পাবলিশ করার পরামর্শ দিবো যেগুলো দেখে লোকেরা রুচি পাবেন।

যেগুলো ভিডিও সাধারণ ইউসার দের অধিক আকর্ষিত করতে পারবে,

সেই ধরণের বিষয়ে ভিডিও বানানোটা অধিক লাভজনক।

তবে, এরকম বিভিন্ন লাভজনক বিষয় রয়েছে যেগুলোর ওপরে ভিডিও বানাতে পারবেন।

  • Voice over videos: জ্ঞান, বিজ্ঞান, interesting facts, মজার কথা, গল্প ইত্যাদি এই ধরণের বিষয় গুলো নিয়ে নিজের ভয়েস রেকর্ড করে সেগুলোকে কিছু ছবি দিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। এবং, এই ধরণের ভিডিও গুলো আপনারা নিজের চ্যানেলে আপলোড দিতে পারবেন।
  • Tutorials: আপনারা বিভিন্ন tutorial video তৈরি করে পাবলিশ করতে পারবেন।
  • Reviews: বিভিন্ন products, services, place, hotel ইত্যাদি গুলোর review ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
  • Motivational: বিভিন্ন মোটিভেশনাল কথা, গল্প বা পরামর্শ নিয়ে ভিডিও বানাতে পারবেন।
  • Gaming: আপনি যদি গেম খেলতে পছন্দ করেন তাহলে নিজের বিভিন্ন গেমপ্লে গুলো রেকর্ড করে সেগুলোকে আপলোড করতে পারবেন। বর্তমানে, গেমপ্লে ভিডিও গুলো লোকেরা প্রচুর পছন্দ করছেন।
  • Educational: পড়াশোনা এবং শিক্ষার সাথে জড়িত ভিডিও তৈরি করাটাও লাভজনক।

তবে, বিষয় যেটাই নিয়েছেন সেটার থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনাকে ধর্য্য রেখে মন দিয়ে কাজ করতে হবে।

এক দিনেই কিছু বিশেষ হয়ে যাওয়াটা সম্ভব না।

তাই, যদি নিজেকে একজন সফল ইউটিউবার হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন, তাহলে সঠিক ভাবে এবং নিয়মিত ভাবে কাজ করতে থাকুন।

ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে কত সময় লাগবে ? 

দেখুন, ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করতে কতটা সময় লাগবে সেটা সঠিক ভাবে বলাটা সম্ভব না।

কারণ, এটা সম্পূর্ণ ভাবে আপনার কাজের ওপরে নির্ভর করছে।

আপনি যদি রেগুলার নিয়মিত ভাবে ভিডিও আপলোড করছেন এবং আপনার আপলোড করা ভিডিও গুলো লোকেরা পছন্দ করছেন,

তাহলে অবশই কেবল ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যেই Google AdSense এর জন্য aaply করার সুযোগ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এমনিতে, বর্তমানে চালু করা YouTube channel এর মধ্যে ভালো পরিমানের views, subscribers এবং income আসতে আসতে প্রায় বছর খানিক লেগেই যাবে।

 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা সম্পূর্ণ ভালো ভাবে বুঝতে পেরেছেন যে কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যদি আমাদের আজকের আর্টিকেল, “How To Earn Money From YouTube” আপনাদের ভালো লেগে থাকে,

তাহলে অবশই আর্টিকেলটি শেয়ার করবেন।

তাছাড়া, আজকের আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, কমেন্ট অবশই করবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link