এনিমেশন কাটুন ভিডিও বানানোর অ্যাপস – ৯টি কাটুন তৈরি সফটওয়্যার

বর্তমান সময়ে অনলাইনে টাকা কমানোর সব থেকে অধিক জনপ্রিয় উপায়টি হলো ইউটিউব।

এবং YouTube-থেকে সহজে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে একটি অ্যানিমেশন কার্টুন ভিডিও চ্যানেল বানিয়ে তাতে নিয়মিত কার্টুন ভিডিও গুলো আপলোড করাটা অনেক কার্যকর উপায় হিসেবে দেখা গেছে।

এখন, আপনিও যদি নিজের ইউটিউবের চ্যানেলের জন্যে কাটুন তৈরি করার কথা ভাবছেন, তাহলে এখন নিজের এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়েই কার্টুন ভিডিও গুলো তৈরি করে নিতে পারবেন। আর এক্ষেত্রে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে একটি সেরা কার্টুন এনিমেশন ভিডিও তৈরি সফটওয়্যার এর।

অবশই পড়ুন:

এই কাটুন বানানোর অ্যাপস গুলো আপনারা সম্পূর্ণ ফ্রীতে ডাউনলোড করে 2D এবং 3D এনিমেশন ভিডিও তৈরি করে নিতে পারবেন। 

এনিমেশন কাটুন ভিডিও বানানোর অ্যাপস/সফটওয়্যার – সেরা ৯টি

কাটুন ভিডিও বানানোর অ্যাপস
Cartoon animation maker apps for android mobile.

নিচে আমি মোবাইলে কাটুন ভিডিও তৈরি করার যেই সফটওয়্যার গুলোর বিষয়ে বলতে চলেছি সেগুলো বর্তমানে প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কার্টুন বানানোর এই অ্যাপস গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনারা নিজের মতো করে 2D এবং 3D cartoon video গুলো তৈরি করতে পারবেন। 

১. FlipaClip

এনিমেশন ভিডিও তৈরি সফটওয়্যার

রেটিং: 4.4/5

ডাউনলোড: 5Cr+

একজন নতুন অ্যানিমেটার হিসেবে FlipClip অ্যাপটি সহজেই আপনাকে অ্যানিমেটেড Gif বা ভিডিও বানাতে সাহায্যে করবে। কেননা, এন্ড্রয়েড মোবাইলে এনিমেশন ভিডিও তৈরি সফটওয়্যার হিসেবে এখানে আপনারা নানান features, tools এবং options গুলো পাবেন। 

এখানে নানা ধরণের অ্যানিমিশন, যেমন- কার্টুন, মিম, অ্যানিমে, ভিডিওর উপর ড্রয়িং, স্টিক ফিগার বা স্টপ মোশনের কাজও করা সম্ভব। এমনকি, এই অ্যাপ্লিকেশনে লুপেবেল NFT ও মিউজিক অ্যানিমেডেড ভিডিও-ও তৈরি করতে পারবেন।

ফিচার:

✔ অনিয়ন স্কিন অ্যানিমেটিং টুল।

✔ ফ্রি ব্লেন্ডিং মোড ও গ্লো এফেক্ট।

✔ রোটোস্কোপির সাহায্যে সাবজেক্ট মুভ করা যায়।

সুবিধা:

  • MP4/PNG/Gif ফর্ম্যাটে ভিডিও সেভ ও শেয়ার হয়।
  • ভিডিওতে নিজের ভয়েস রেকর্ড করে ব্যবহার করা যায়।
  • ফ্রিতে ৩টে ও পেইড ভার্সনে ১০টি লেয়ারে অ্যানিমেশন হয়।

অসুবিধা:

  • বিজ্ঞাপন ও ইন-অ্যাপ পার্চেজ আছে।

২. TweenCraft:

কাটুন ভিডিও বানানোর অ্যাপস

রেটিং: 4.2/5

ডাউনলোড: 50L+

এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য থাকা নানান কাটুন ভিডিও বানানোর অ্যাপস গুলোর মধ্যে এই TweenCraft app-টি আমার সব থেকে প্রিয় কার্টুন মেকার অ্যাপ। 2D অ্যানিমেটেড কাটুন শর্ট স্টোরি বানানোর অন্যতম সেরা ইউসার-ফ্রেন্ডলি অ্যাপ হল TweenCraft।

শুধু গল্প বা জোকস রেডি থাকলেই, এখানে আপনি সুন্দরভাবে কার্টুন স্টোরি তৈরী করতে পারবেন। এছাড়াও, কোনোরকমের ড্রয়িং ছাড়াই এই অ্যাপ্লিকেশনে ক্যারেক্টার সিলেক্ট করে ডায়ালগ টাইপ করলেই কমিক বানানো যায়।

ফিচার:

✔ ইনবিল্ট VFX/AFX এফেক্ট।

✔ ক্যারেক্টারের বডি মুভ করানো যায়।

✔ প্ৰি-মেড ও কাস্টোমাইজেবল ক্যারেক্টার।

সুবিধা:

  • ডায়ালগ রেকর্ড ও অটো কার্টুন ভয়েসের সুবিধা।
  • ক্যারেক্টারের টেম্পো/পিচ ও ভয়েস পাল্টানোর সুবিধা।
  • অ্যানিমেশনের এক্সপ্রেশন/জুম্/প্যান/স্পিড চেঞ্জের সুবিধা।

অসুবিধা:

  • প্রতিবার ক্যারেক্টার ডাউনলোডের সময় অ্যাড দেখতে হয়।

৩. Toontastic 3D:

কার্টুন ভিডিও তৈরি করুন মোবাইল দিয়ে

রেটিং: 4.1/5

ডাউনলোড: 50L+

বাচ্চাদের যদি কার্টুন তৈরির ইচ্ছে হয়, তাহলে Toontastic 3D অ্যান্ড্রয়েড কাটুন বানানোর অ্যাপস টি তাদের মজাদার কার্টুন বানাতে সাহায্য করবে।

এখানে পাইরেট, রোবট ও নানান প্রি-মেড অ্যানিমেটেড ক্যারেক্টার আছে, যেগুলো বাচ্চারা খুবই পছন্দ করে। এছাড়াও, এই অ্যাপের 3D ড্রয়িং টুল ব্যবহার করে নিজের ইচ্ছেমতো ক্যারেক্টার তৈরীও করা যায়।

আপনি এর ডিজিটাল স্টোরিটেলিং ক্যাটেগরি থেকে সাইন্স রিপোর্ট, ক্লাসিক এবং শর্ট স্টোরি অপশনগুলো বেছে নিতে পারেন।

ফিচার:

✔ ইনবিল্ট গান ও নিজস্ব সাউন্ডট্র্যাক যোগ করা যায়।

✔ ফটো লাইব্রেরিতে সরাসরি ভিডিও ডাউনলোড করা সম্ভব।

✔ 3D ড্রয়িং টুলের সাহায্যে নানা ক্যারেক্টার ডিসাইন করা যায়।

সুবিধা:

  • ৫ পার্ট স্টোরি টেলিংয়ের সুবিধা।
  • নিজের ভয়েস রেকর্ড ও ব্যবহার করা যায়।
  • যেকোনো ক্যারেক্টার কালার করার ও আঁকার সুবিধা।

অসুবিধা:

  • ক্যারেক্টারগুলোকে শোয়ানো বা বসানো যায় না।

৪. Picsart Animator:

PicsArt animator app

রেটিং: 3.6/5

ডাউনলোড: 1 Cr+

সম্পূর্ণ অ্যাড-ফ্রি কার্টুন ভিডিও মেকার হিসেবে Picsart Animator অ্যাপটি নতুন অ্যানিমেটারদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।

এখানে কোনোরকমের বিশেষ অ্যানিমেশন স্কিল ছাড়া শুধু কনসেপ্ট ও ডুডলের মাধ্যমে কার্টুন ভিডিও বানানো সম্ভব।

কাটুন তৈরির এই মোবাইল সফটওয়্যারের সাহায্যে একাধিক লেয়ার ব্যবহার করে বিভিন্ন স্টিকারগুলোকেও অ্যানিমেট করতে পারেন।

ফিচার:

✔ ফ্রেম-বাই-ফ্রেম অ্যানিমেশন।

✔ মাল্টিপল লেয়ারে অ্যানিমেশনের ফিচার।

✔ অ্যানিমেশন লেন্থ ও স্পিড কন্ট্রোল করার টুল।

সুবিধা:

  • ফ্রেম সহজেই ডুপ্লিকেট/ইন্সার্ট/ডিলিট করা যায়।
  • সাউন্ড রেকর্ড ও ভয়েস ওভার ব্যবহার করা যায়।
  • Gif বা ভিডিও হিসেবে ফাইল শেয়ার/ডাউনলোডের সুবিধা।

অসুবিধা:

  • ইন-অ্যাপ পার্চেজ আছে।

৫. Animation Desk:

Animation desk cartoon maker software for android

রেটিং: 4.0/5

ডাউনলোড: 10L+

বিভিন্ন শর্ট অ্যানিমেটেড স্টোরি চ্যানেলের মতো কার্টুন স্টোরি ভিডিও বানানোর অন্যতম সেরা জায়গা হল Animation Desk। তাই, এখন নিশ্চিন্তে আনলিমিটেড কার্টুন ভিডিও তৈরি করুন নিজের মোবাইল দিয়েই। 

এই প্রফেশনাল-স্টাইল কাটুন বানানোর অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যারের জুম্ ইন/আউট, ব্রাশ, ইরেজার, ক্যানভাস রোটেশানের মতো ড্রয়িং টুলগুলো অ্যানিমেশন এডিট করতে সাহায্য করে।

এখানে আপনি অ্যানিমেশন image, PDF, Gif থেকে শুরু করে ভিডিও ফর্ম্যাটেও এক্সপোর্ট করতে পারবেন।

ফিচার:

✔ মাল্টি লেয়ার অ্যানিমেশন।

✔ অনিয়ন স্কিন অ্যানিমেশন টুল।

✔ কালার স্কিম ম্যানেজের জন্যে কালার প্যালেট টুল।

সুবিধা:

  • ইচ্ছেমতো কালার স্কিম পাল্টানো যায়।
  • ট্রান্সপারেন্ট ব্যাকগ্রাউন্ডে এডিটিংয়ের সুবিধা।
  • বেশি সংখ্যক ফ্রেম রেট সহ অ্যানিমেশনের সুবিধা।

অসুবিধা:

  • কপি পেস্টের সময় ইমেজ কোয়ালিটি খারাপ হয়।

৬. MJOC2:

MJOC2 animation cartoon maker

রেটিং: 3.9/5

ডাউনলোড: 10L+

কাটুন ভিডিও বানানোর অ্যাপস হিসেবে MJOC2 অ্যাপটি খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়।

কার্টুন ভিডিও তৈরি করার জন্য আপনি নিজের প্রয়োজনমতো হোম, অফিস, ফার্ম বা টেম্পলের মতো যেকোনো এনভায়রনমেন্ট বেছে নিতে পারেন।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি ইউটিউব কার্টুন স্টোরি চ্যানেলের জন্যে অ্যানিমেটেড স্টোরি বানানোর ক্ষেত্রে খুবই উপযোগী একটা প্ল্যাটফর্ম।

এখানে আপনি চাইলে নিজের খুশিমতো ক্যারেক্টারগুলো কাস্টোমাইজ করতেও পারবেন। এমনকি, এখানে ছোট বাচ্চাদের অ্যানিমেটেড ক্যারেক্টারও বানানো যায়।

ফিচার:

✔ ভয়েস স্টাইল পাল্টানো যায়

✔ একাধিক অ্যানিমেটেড এনভায়রনমেন্ট আছে

✔ ক্যারেক্টারের চুলের স্টাইল/রং, জামাকাপড় পাল্টানো যায়

সুবিধা:

  • ইকো ছাড়া সাউন্ড রেকর্ড করা যায়।
  • ক্যারেক্টারগুলো সহজে কাস্টোমাইজ করা যায়।
  • হ্যাট/ওয়াচ ও নানান একসেসোরি যোগ করা যায়।

অসুবিধা:

  • ইন-অ্যাপ পার্চেজ ও বিজ্ঞাপন দেখতে হয়।

৭. Draw Cartoons 2:

Draw cartoons 2 animation maker download

রেটিং: 4.2/5

ডাউনলোড: 1Cr+

Draw Cartoons 2 অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনটি সোজাসাপ্টা অ্যানিমেশন তৈরি করার জন্যে খুবই ভালো একটা অ্যাপ।

এখানে আপনি স্টিকম্যান ফিগারগুলোর উপর মোশন লাগিয়ে নানান ধরণের গল্প তৈরী করতে পারবেন।

এই অ্যাপটির সাহায্যে ক্যারেক্টার ড্রয়িং করে, সেগুলোর উপর অ্যানিমেশন অ্যাড করে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমেও শেয়ার করা যায়।

ফিচার:

✔ মিউসিক ও ভয়েস ওভার অ্যাড করা যায়।

✔ mp4 ভিডিও ফর্ম্যাটে ফাইল ডাউনলোড হয়।

✔ কীফ্রেমের মাধ্যমে স্মুথভাবে অ্যানিমেশন করা যায়।

সুবিধা:

  • এখানে সহজেই ফ্রেম ইন্সার্ট করা যায়।
  • ক্যারেক্টার ও আইটেমের লাইব্রেরি আছে।
  • টেম্পলেট থেকে ক্যারেক্টার বানানো যায়।

অসুবিধা:

  • অনেক ফিচার আলাদাভাবে কিনতে হয়।

৮. Stick Nodes:

Stickman animator app for android

রেটিং: 4.4/5

ডাউনলোড: 1Cr+

সেরা কাটুন বানানোর অ্যাপস গুলোর মধ্যে এই Stick nodes: Stickman Animator app-টি আমি অনেক পছন্দ করে থাকি। 

স্টিকম্যান অ্যানিমেটিং অ্যাপটি হল একটা প্রফেশনাল ধরণের এনিমেশন কাটুন ভিডিও বানানোর অ্যাপস। 

এখানে আপনি কোনো রকমের অ্যানিমেশন স্কিল ছাড়াই স্টিকফিগার দিয়ে অ্যানিমেটেড ফিল্ম বানিয়ে নিতে পারবেন।

এই মোবাইল সফটওয়্যারের ওয়েবসাইট থেকে আপনি প্রায় ৩০,০০০-এরও বেশি স্টিকফিগার পেয়ে যাবেন।

এখান থেকে আপনি Gif ও mp4 ফর্ম্যাটে তৈরি করা কার্টুন ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন।

ফিচার:

✔ প্যান/জুম্/রোটেট ফিচার আছে।

✔ ট্রান্সপারেন্সি/blur/গ্লো ফিল্টার আছে।

✔ বিভিন্ন ধরণের সাউন্ড এফেক্টস অ্যাড করা যায়।

সুবিধা:

  • ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ বদলানো যায়।
  • অনিয়ন স্কিন অ্যানিমেশনের সুবিধা।
  • স্টিকফিগার/মুভি ক্লিপ/প্রজেক্ট সহজেই শেয়ার করা যায়।

অসুবিধা:

  • সব ফিচার ফ্রি নয়।

৯. Stop Motion Studio:

Stop motion studio mobile app

রেটিং: 3.9/5

ডাউনলোড: 1Cr+

আপনি যদি নিজের এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য একটি সেরা কাটুন তৈরি করার সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে চাইছেন, তাহলে stop motion studio app-টি অবশই ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 

ইউটিউব শর্টসের জন্যে লেগো ফিগারের মাধ্যমে অ্যানিমেশন ফিল্ম বানানোর সেরা একটা অ্যাপ হল এই Stop Motion Studio

এখানে আপনি কোনো প্রফেশনাল শিক্ষা ছাড়াই স্টপ মোশন অ্যানিমেশন ব্যবহার করে কার্টুন ভিডিও বানাতে পারবেন।

এর গ্রীন স্ক্রিন, রোটোস্কোপির মতো ফিচারগুলো সহজেই ব্যবহার করা সম্ভব।

আর, এনিমেশন কাটুন ভিডিও বানানোর সকল অ্যাপস গুলোর মধ্যে এখানেই একমাত্র স্টপ মোশন অ্যানিমেশন করা সম্ভব।

ফিচার:

✔ ইনবিল্ট মিউসিক, সাউন্ড এফেক্টস ও ন্যারেশন অ্যাড করা যায়।

✔ বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড/ফোরগ্রাউন্ড/ফেড এফেক্ট ও আসপেক্ট রেসিও আছে।

✔ ইন্টারেক্টিভ টাইমলাইনের সাহায্যে একসাথে ১০০-এরও বেশি ফ্রেম এডিট করা যায়।

সুবিধা:

  • ইনবিল্ট ভিডিও এডিটর আছে।
  • একাধিক ভিডিও ফিল্টার আছে।
  • ওভারলে মোডের সাহায্যে প্রতিটা ফ্রেমকে আলাদাভাবে বোঝা যায়।

অসুবিধা:

  • ইন-অ্যাপ পার্চেজ রয়েছে।

 

পরিশেষে:

আমাদের লিস্টে থাকা এই ফ্রি কার্টুন ভিডিও মেকার অ্যাপ্লিকেশন গুলো সত্যিই আপনাকে নিজের কল্পনার কার্টুন চরিত্রগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করবে। এছাড়া, ওপরে বলে দেওয়া প্রতিটি কার্টুন এনিমেশন ভিডিও তৈরির সফটওয়্যার গুলো আপনারা সম্পূর্ণ ফ্রীতে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। তাই, পছন্দমতো যেকোনো একটা অ্যাপ বেছে নিয়ে নিজের খুশিমতো ফিল্টার এপ্লাই করে বা এডিট করে আপনার কার্টুন ভিডিওগুলো কিছুক্ষণের মধ্যেই তৈরী করে ফেলুন। আর, তৈরি করা সেই ভিডিও বা শর্ট কার্টুন ফিল্মগুলোকে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে ভাইরাল হয়ে যান।

অবশই পড়ুন: মোবাইলে লোগো ডিজাইন করার ৯টি সফটওয়্যার

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top