কোন নাইট ক্রিম সবচেয়ে ভালো – (ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম)

কোন নাইট ক্রিম সবচেয়ে ভালো ? বা নাইট ক্রিম কোনটা ভালো ? আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। 

কোন নাইট ক্রিম সবচেয়ে ভালো
Best night cream list in Bangla.

দিনের প্রখর রোদের তাপ ও কাজের চাপ আপনার ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতেই পারে। 

সারাদিনের ঘাম, ময়লা, ধুলো কিংবা দূষণ আপনার ত্বককে নিস্তেজ এবং ক্লান্ত করে তোলে। 

এখনকার সময়ে নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্যই রয়েছে নানান ফেয়ারনেস ফর্মুলাযুক্ত নাইট ক্রিম। 

ভারতের মতো দেশে কেবলমাত্র স্কিনটোন ফর্সা করার ফর্মুলাসহ একটামাত্র নাইট ক্রিমই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দিতে পারে। 

এছাড়াও, ডার্মেটোলজিস্টদের মতে, আপনার বিউটি স্লীপের পাশাপাশি, আপনার সন্ধ্যার স্কিনকেয়ার রুটিনে থাকা নাইট ক্রিমও আপনার ত্বকের ইমপিউরিটিজ বা খুঁতগুলোকে দূর করে দিতে পারে। 

যেকোনো ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিমই ঘুমানোর সময় আপনার ত্বককে মেরামত করে ফর্সা করে তুলতে পারে। 

এই কারণেই রাতের বেলায় আপনার ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়াটা একান্তই জরুরি। 

আর, আমরা সবাই জানি যে, আমাদের ঘুমের মধ্যেই ত্বকের মেরামতির কাজ চলে। 

এই জন্যেই ত্বকের মেরামতির কাজটিকে আরও মসৃণ করে তুলতে আমাদের উচিত প্রতিদিন একটা নাইট ক্রিম ব্যবহার করা।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো, নাইট ক্রিম কোনটা ভালো ? নাইট ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম সেরা কতগুলো নাইট ক্রিম সম্পর্কে

যার থেকে আপনি পেতে পারেন, নরম, পরিষ্কার ও ফর্সা ত্বক। 

তবে, সবার আগে জানি, নাইট ক্রিম ব্যবহারের নিয়মগুলো।

নাইট ক্রিম কিভাবে ব্যবহার করবেন ?

নিচে একটা নাইট ক্রিম ব্যবহারের পদ্ধতিগুলো ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হল:

– আপনার ত্বকের সাথে মানানসই একটা জেন্টল ক্লিনজার দিয়ে আপনার মুখটি ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

– ধোয়ার পরে একটা কটন তোয়ালের সাহায্যে মুখটাকে প্যাট ড্রাই করতে হবে।

– আপনার আঙ্গুলের টিপের সাহায্যে মৃদু উপরের দিকে স্ট্রোক করে ও সার্কুলার মোশনে নাইট ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।

– আপনার চোখের চারপাশের এলাকাতে নাইট ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না।

– আপনার ঘাড়েও এই ক্রিম লাগাতে হবে।

– রাতে ঘুমোতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে নাইট ক্রিম লাগানো উচিত।

– প্রতিদিন নিয়ম করে নাইট ক্রিম লাগানো প্রয়োজনীয়।

সঠিক নাইট ক্রিম নির্বাচন করার উপায় –

মার্কেটে আপনি অসংখ্য নাইট ক্রিম পেয়ে যাবেন; তবে নিজের জন্যে সেরা নাইট ক্রিমটা বেছে নিতে আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয়ে নজর দিতে হবে। 

১. আপনার বয়স

২. উপাদানের তালিকা

৩. আপনার ত্বকের প্রয়োজনীয়তা

৪. আপনার ত্বকের প্রকৃতি (নরমাল, ড্রাই, অইলি, কম্বিনেশন কিংবা সেন্সিটিভ)

৫. মূল্য (নাইট ক্রিমগুলো অন্যান্য ক্রিমের তুলনায় একটু বেশি খরচসাপেক্ষ)

নাইট ক্রিম নির্বাচন করার আরও কয়েকটি টিপস এখানে দেওয়া হল –

– অইলি বা তেলতেলে ত্বক হলে অয়েল-ফ্রি নাইট ক্রিম বাছাটা জরুরি।

এক্ষেত্রে আপনার ক্রিমে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড বা বিটা হাইড্রক্সিল অ্যাসিড আছে কিনা, তা দেখে নিন।

এছাড়াও, নাইট ক্রিমে নন-কমেডোজেনিক ফর্মুলা আছে কিনা তাও দেখুন।

– শুষ্ক বা ড্ৰাই ত্বক হলে, এমন একটা নাইট ক্রিম বাছুন, যা আপনাকে একটা হেভি ক্রিম বেস দেবে।

তাতে, আপনার স্কিনের শুষ্কভাবটা কেটে যাবে।

– ২০ বছর বয়সসীমায় আপনার নাইট ক্রিমে মধু, অ্যালোভেরা ও এসেনশিয়াল অয়েলের মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলো থাকাটা বাঞ্চনীয়।

– ৩০ বছর বয়সসীমায় এমন সব নাইট ক্রিম খুঁজুন, যাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, সিরামাইড, অ্যামিনো অ্যাসিড, কোলাজেন ও রেটিনলের মতো একটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস রয়েছে।

– ৪০ বছরের উপর বয়স হলে, আপনার উচিত এমন একটা নাইট ক্রিম বেছে নেওয়া, যাতে সয়া এক্সট্র্যাক্ট, লিপিডস প্যানথেনল, রেটিনল, পেপটাইডস, কোলাজেন, সেরিমাইড, এসেনশিয়াল অয়েল, ও ভিটামিন রয়েছে।

এই ধরণের ইনগ্রেডিয়েন্টসগুলো আপনাকে পাফিনেস, বলিরেখা ও স্কিন পিগমেন্টেশনের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।

– ৫০ ও ৬০ বছরের উপরের বয়সে এমন নাইট ক্রিম নির্বাচন করুন, যাতে এক্সট্রা-রিচ ইনগ্রেডিয়েন্টস রয়েছে, যা বয়স্ক ত্বকের জন্য কার্যকরী হতে পারে।

কোন নাইট ক্রিম সবচেয়ে ভালো – (ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম)

এইবার আমরা আলোচনা করতে চলেছি, এখনকার সময়ের সেরা কয়েকটি ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম সম্পর্কে।

ফর্সা হওয়ার সেরা ৭টি  নাইট ক্রিম-এর তালিকা:

১. Garnier White Complete Multi Action Fairness Night Cream:

এই ক্রিমের ভিটামিন-সি ফর্মুলা সফলভাবে আপনার ডার্ক স্পটস কমাতে পারে। 

এর ফর্মুলাটি আপনার ত্বককে অইলি না করেই ভালোভাবে ময়শ্চারাইজ করতে পারে। 

প্রতিদিন ব্যবহার করলে এই ক্রিমটি আপনার স্কিনকে নরম ও কোমল রাখতে সাহায্য করে। 

এটি আপনার ত্বকে হালকা জেল্লা এনে আপনাকে গ্ল্যামারাস দেখাতে সাহায্য করে। 

এই ক্রিমটি একটা ছোট সাদা রঙের কৌটোতে আসে, যা সহজেই আপনি ঘুরতে যাওয়ার সময় ক্যারি করতে পারবেন। 

স্কিন টাইপ: নরমাল ও কম্বিনেশন স্কিন

কেন কিনবেন ?

– ইনস্ট্যান্ট জেল্লা আনে 

– সহজে ত্বকে মিশে যায় 

– মাত্র ২৮ দিনেই কাজ করে

– SPF 19/ PA+++ সানস্ক্রিন প্রোটেকশন রয়েছে

 ২. Kama Rejuvenating and Brightening Ayurvedic Night Cream:

এই আয়ুর্বেদিক নাইট ক্রিমটি ত্বকের রঙকে উজ্জ্বল করতে ও নতুন কোষের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 

এর প্রাকৃতিক উপাদানগুলো আপনার স্কিনকে উজ্জ্বল, নরম ও মসৃণ করতে দারুণভাবে সাহায্য করে। 

এর ফর্মুলা আপনার স্কিনকে ট্যান থেকে মুক্তি পেতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। 

এই ক্রিমে রয়েছে অ্যালোভেরা, জাফরান এবং লিকোরিসের মতো আরও নানান আয়ুর্বেদিক উপাদান। 

এছাড়াও, এর ময়শ্চারাইজিং ফর্মুলা ত্বককে সতেজ ও কোমল রাখতে সহায়তা করে। 

এমনকি, সেন্সিটিভ স্কিনের উপরও এই ক্রিম কোনোরকমের ক্ষতি করে না। 

বরং, এর হালকা ময়শ্চারাইজিং টেক্সচার খুব সহজেই ত্বকের সাথে মিশে যায়। 

আর, এটি কার্যকরভাবে ডার্ক স্পটস ও বলিরেখা কমাতে সক্ষম।

স্কিন টাইপ: সব ধরণের ত্বকের জন্যে

কেন কিনবেন ?

– সেন্সিটিভ ত্বকের জন্যে সেরা 

– লাক্সারি স্পা-এর মতো ফিল দেয়  

– ফর্মুলাটা সম্পূর্ণভাবে আয়ুর্বেদিক 

– ট্যান, বলিরেখা, ডালনেস দারুণভাবে কমায়

– কেশরের মতো একটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট রয়েছে

৩. Lotus Professional Phyto-Rx Whitening & Brightening Night Cream:

লোটাস হারবালের এই নাইট ক্রিমটি লিচু,আমলা বেরি, ও পুনর্নভা মূলের নির্যাস দিয়ে তৈরী। 

আপনার ত্বকে এটি অনায়াসেই মিশে যায় ও আপনার স্কিনকে হালকা ও নরম বোধ করতে সাহায্য করে। 

এর ফর্মুলাটি আপনাকে একটা হালকা ডিউয়ি টেক্সচার দেয়, যাতে আপনি একটা ন্যাচারাল জেল্লা পেয়ে যেতে পারেন। 

এটি পুরুষ ও মহিলা, উভয়ের ত্বকের জন্যেই আদর্শ। 

এমনকি, এতে কোনো প্রিজারভেটিভ, কৃত্রিম রঙ কিংবা সুগন্ধী থাকে না।

স্কিন টাইপ: ড্রাই স্কিন

কেন কিনবেন ?

– প্যারাবেন নেই  

– ত্বকে দ্রুত মিশে যায়

– ইউভি প্রোটেকশন রয়েছে 

– স্কিনের উপর হালকা ফিল হয়

– কোনো কৃত্রিম গন্ধ ও রঙ নেই

৪. The Body Shop Moisture White Shiso Whitening Night Treatment:

ভারতের মতো দেশে উপলব্ধ অন্যতম সেরা একটি নাইট ক্রিম হল এটি। 

এটি একটি ছোট ট্রাভেল-ফ্রেন্ডলি কৌটোতে আসে। 

আর, এর ক্রিমটিও সহজেই ত্বকের সাথে মিশে গিয়ে আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। 

এর নন-গ্রিসি ফর্মুলা আপনার মুখে কোনো চটচটে ভাব তৈরী করে না। 

স্কিনকে ভালোভাবে ময়েশ্চার করার জন্যে এই ক্রিমটা খুবই দুর্দান্ত। 

এটিকে নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের সামগ্রিক কোয়ালিটির উন্নতি হতে পারে। 

ত্বকে উজ্জ্বল ও পরিষ্কারভাব আনতে চাইলে এই নাইট ক্রিমটি প্রতিদিন ইউস করতে পারেন।

স্কিন টাইপ: নরমাল ও অইলি স্কিন

কেন কিনবেন ?

– একটু পরিমাণেই কাজ হয়ে যায় 

– নন-গ্রিসি ও সহজে মিশে যাওয়া ফর্মুলা 

– ত্বকে এক সমান উজ্জ্বলতা নিয়ে আসে 

– ত্বককে খুবই কোমল ও মসৃণ করে দেয়

৫. Kaya Overnight Brightening Nourisher:

কায়া ওভারনাইট ব্রাইটনিং নারিশার হল একটা ডার্মাটোলজিক্যালি-টেস্টেড ক্রিম। 

আপনি এই ক্রিমটি একটা পাম্প অ্যাপলিকটরের মধ্যেই পেয়ে যাবেন। 

এই ক্রিমের প্রধান ইনগ্রেডিয়েন্টের মধ্যে পড়ে জাপানি চেরি ও বেগুনি অর্কিডের নির্যাস- যা আপনার স্কিনকে ভিতর থেকে পুষ্টি যোগায় ও উজ্জ্বল করে তোলে। 

আর, এর জেল ফর্মুলা খুব দ্রুতই ত্বকে মিশে গিয়ে আপনাকে একটা ইনস্ট্যান্ট গ্লোও দেয়। 

এটি ত্বককে নরম করে তোলে, দাগগুলোকে দূর করে একটা স্বাস্থ্যকর আভা যোগ করে।

স্কিন টাইপ: কম্বিনেশন, অইলি, ড্রাই ও নরমাল স্কিন

কেন কিনবেন ?

– সহজেই স্কিনে শোষিত হয় 

– মসৃণ ও জেল-বেস্ড ফর্মুলা 

– ত্বকের উজ্জ্বলতা দ্রুত বাড়ায় 

– ফাইনলাইন, বলিরেখা, ডার্ক স্পটস কমায় 

– পাম্প অ্যাপলিকটরের সাহায্যে ব্যবহার করা সোজা 

৬. Pond’s Flawless White Re-brightening Night Treatment:

Ponds-এর এই নাইট ক্রিমটির ফর্মুলাতে নতুন VAO-B3 কমপ্লেক্স (ভিটামিন ই, অ্যালানটোইন ও অপটিক্স চালিত নিকোটিনামাইড/ভিটামিন B3 কমপ্লেক্স) রয়েছে। 

যা আপনার প্রতিদিনের ত্বকের ইমপিউরিটিগুলোকে কমিয়ে ত্বকের মেরামত করতে সাহায্য করে। 

আর, এই ক্রিমের স্মুথ টেক্সচার আপনার মুখে ইনস্ট্যান্ট গ্লো আনতে পারে। 

এটি একটা ছোট কৌটোতে আসে, যা ভ্রমণের জন্যে আদর্শ। 

এর প্রতিদিনের ব্যবহার আপনার ত্বকে একটা ন্যাচারাল আভা এনে দিতে পারে। 

যাতে, আপনি স্কিনে একটা ফর্সা জেল্লা পেতে পারবেন। 

এই ক্রিমের ফর্মুলা সক্রিয়ভাবে আপনার মুখের ডার্ক স্পটস কমাতে পারে ও একটা ইভেন টোন এনে দিতে পারে।

স্কিন টাইপ: সব ধরণের স্কিনের জন্যে ভালো

কেন কিনবেন ? 

– হাল্কা, মিষ্টি সুবাস রয়েছে  

– ত্বকে একটা ন্যাচারাল আভা দেয় 

– স্কিন টোন হাল্কা করতে সাহায্য করে

– ট্রাভেল-ফ্রেন্ডলি প্যাকেজিং-এ আসে

– ত্বকের জেল্লা প্রায় ১.৫ মাস ধরে রাখতে পারে

৭. VLCC Snigdha Skin Whitening Night Cream:

VLCC-এর এই নাইট ক্রিম কমফ্রে প্ল্যান্টের নির্যাস থেকে আসে। 

কমফ্রের অ্যালানটোইন নামে এক ধরণের শক্তিশালী ত্বক-নিরাময়কারী এজেন্ট রয়েছে। 

যা ব্যাপকভাবে কসমেটিক্স বানাতে কাজে লাগে। 

এই এজেন্টটি সেন্সিটিভ ত্বকের জন্য সেরা যত্নকারী হিসেবে কাজ করে। 

আর, এই ক্রিমটি আপনার ত্বকের স্কিন সেলের রেজুভেনেশনে সাহায্য করে। 

এর ফলে, আপনি একদম ঝকঝকে, পরিষ্কার ও কোনোরকম দাগ ছাড়াই একটা সুন্দর ফেসিয়াল স্কিন পেতে পারেন। 

এই নাইট ক্রিমটি খুব সহজেই আপনার ত্বকে মিশে যায়।

যাতে, প্রতি সকালে আপনি একদম হাইড্রেটেড ও কোমল ত্বক নিয়ে ঘুম থেকে উঠতে পারবেন। 

এটি ত্বকের কালো হওয়াকে আটকায় ও স্কিনের জেলা ধরে রাখে।

স্কিন টাইপ: সব ধরণের ত্বকের জন্যে ভালো

কেন কিনবেন ?

– সহজেই স্কিনে ব্লেন্ড হয় 

– একটা সুন্দর প্যাকেজিং-এ আসে 

– সকালে স্কিনে ময়েশ্চার ধরে রাখে

– ত্বককে কালো হওয়া থেকে রক্ষা করে 

– সেন্সিটিভ স্কিনের উপর কোনো প্রতিক্রিয়া করে না  

শেষ কথা,,

আমাদের আজকের এই ফর্সা হওয়ার সেরা নাইট ক্রিম নিয়ে লেখা আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল। 

এর মধ্যে কোনো ক্রিমটি ব্যবহার করার কথা ভাবছেন বা অলরেডি ব্যবহার করেন, তা কমেন্ট করে জানাতে একদম ভুলবেন না।  

শেষে আশা করছি, কোন নাইট ক্রিম সবচেয়ে ভালো হবে সেটা আপনারা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বুঝতেই পেরেছেন হয়তো।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top