খাতা তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ?

খাতা তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ? খাতা বানানোর ব্যবসার নিয়ম এবং ধাপ গুলো।

খাতা তৈরির ব্যবসা

নগরকেন্দ্রিক সভ্যতার উন্নতির সাথে-সাথে পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশের সরকারই তাদের নাগরিকদের সার্বিক উন্নতির জন্যে শিক্ষাদানের বিষয়টার প্রতি মনোযোগী হয়েছে।

আর, শিক্ষা গ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি, ক্রমশই বেড়ে চলেছে বই-খাতার ব্যবহারও।

যদিও, আমাদের কাগজ তৈরী করতে গেলে একসাথে বহু সংখ্যক গাছ কেটে অরণ্য ধ্বংস করতে হয়।

তা সত্ত্বেও, সারা বিশ্বেই কম-বেশি কাগজের খাতা-বইয়েরই ব্যবহার চলেই আসছে।

সুতরাং, এই খাতা তৈরীর ব্যবসা হল এমন একটা ব্যবসা, যেখানে কাস্টমারদের চাহিদা কখনোই ফুরিয়ে যেতে পারে না।

কারণ, একটা উন্নত দেশে শিক্ষা হল সেখানকার উন্নতি নির্ধারণের একটা উল্লেখযোগ্য মাপকাঠি।

আর, কাগজের তৈরী বইখাতা হল সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার একটা অপরিহার্য অঙ্গ।

তাই, যেকোনো দেশের উদ্যোগপতিদের কাছেই স্টেশনারি শিল্প হিসেবে খাতা তৈরির ব্যবসাটি যথেষ্ট জনপ্রিয় ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়।

আর, আপনার মনেও যদি প্রশ্ন থাকে যে, খাতা তৈরি করে ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ?

তাহলে, আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি আমরা সম্পূর্ণ আপনার জন্যেই নিয়ে এসেছি।

খাতা বানানোর ব্যবসার প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তু:

আসলে, সরকারের শিক্ষা-সম্পর্কিত নীতির উন্নতির কারণে শহর, শহরতলি অঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামীণ এলাকাতেও বই বাঁধাইয়ের ব্যবসার চাহিদা যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

এমনকি, গ্রামে এবং শহরের স্কুল-কলেজের সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে বই-খাতা কেনার প্রবণতাও অনেকটা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যে কারণে, আপনার খাতা তৈরির বিজনেস বর্তমানে যথেষ্ট লাভজনক হতে পারে।

নোটবুকের বিভিন্ন ধরণ

আমাদের মার্কেটে নিম্নলিখিত খাতাপত্রগুলো বেশি চলে-

নোটবই, রেকর্ড বুক, নোটপ্যাড, গ্রাফবই, ড্রয়িং বুক, এক্সারসাইজ বুক, স্ক্র্যাপবুক, ল্যাবের খাতা এবং ইত্যাদি।

১. লোকেশন বা এলাকা:

এই ধরণের ব্যবসাতে আপনাকে কম করেও ৩০০ থেকে ১০০০ স্কোয়ার ফিট জমির বন্দোবস্ত করতে হবে।

কারণ, আপনাকে সেই জমিতে প্রোডাকশন এরিয়া, কাঁচামাল সংগ্রহের জায়গা, তৈরী হওয়া খাতার স্টোরেজ ঘর এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসের ব্যবস্থা রাখতেই হবে।

এছাড়াও, এই ধরণের খাতা তৈরির কারখানাতে জেনারেটারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বড়-বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিন রাখারও যথেষ্ট জায়গা লাগে।

তাই, একটা সম্পূর্ণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেটআপের জন্যে আপনাকে ১০০০-১৫০০ স্কোয়ার ফিট জমি খুঁজতে হবে।

২. কর্মচারী নিয়োগ:

খাতা বানানোতে অনেকগুলো প্রসেস যুক্ত থাকে; যেটা কখনোই একা মানুষের পক্ষে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

তাই, এই ব্যবসাতে আপনাকে প্রথমেই দক্ষ মেশিন অপারেটরদের নিয়োগ করতেই হবে।

এছাড়াও, যাতে আপনার প্রোডাকশনের কোয়ালিটি বজায় থাকে, তার জন্যে একটা দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারিং টীমও রাখতে হবে।

বিভিন্ন মালপত্র সরবরাহের জন্যেও আপনার কয়েকজন কর্মচারীর প্রয়োজন হবে।

আপনার ব্যবসার ডকুমেন্টেশন সামলানোর জন্য আপনাকে অফিস স্টাফদের নিয়োগ করতেই হবে।

সব মিলিয়ে, কম করেও আপনার একজন প্লান্ট অপারেটর, অদক্ষ কর্মী, একজন হেল্পার, একজন সিক্যুরিটি গার্ড, এবং সেলস পার্সন, অ্যাকাউটেন্ট এবং ম্যানেজারের মতো দক্ষ কর্মীদের প্রয়োজন হবে।    

৩. কাঁচামাল ও মেশিনপাতির জোগাড়:

এই ব্যবসাতে ব্যবহার করা যন্ত্রপাতিগুলোর দাম কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

সেক্ষেত্রে, এই ধরণের মেশিনে বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই মার্কেটে ভালো করে খোঁজ নিন।

এবং, প্রয়োজনে এই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের থেকে পরামর্শ নিন।

এমনকি, কাঁচামাল কেনার সময়েও কমদামি অথচ ভালো সাপ্লাইয়ারের খোঁজ নিতেও ভুলবেন না।

নিচে এই ব্যবসার কয়েকটি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির নাম উল্লেখ করা হল –

∙ পেপার সীটার মেশিন

∙ অফসেট প্রিন্টিং মেশিন

∙ পেপার ফোল্ডিং মেশিন

∙ পেপার কাটিং মেশিন

∙ নোটবুক স্টেপলিং মেশিন

∙ বুক স্টিচিং মেশিন

∙ বুক প্রেসিং মেশিন

∙ পারফোরেটিং মেশিন

∙ ডিসকারলিং মেশিন

∙ ম্যানুয়াল প্রেস ও অন্যান্য

নোটবই বানানোর ব্যবসাতে নিম্নলিখিত কাঁচামালগুলোর ব্যবস্থা করতেই হবে,

∙ জাম্বো পেপার রোল (৪০-৫০ GSM)

∙ নোটবুক কভার রোল (২০০ GSM)

∙ ইন্ডাস্ট্রিয়াল গাম

∙ স্টিচিং ওয়্যার

∙ প্রিন্টিং ইংক

∙ বাইন্ডিং মেটেরিয়াল

∙ খাতা সরবরাহের বাক্স ও ইত্যাদি

৪. ইলেক্ট্রিসিটির ব্যবস্থা:

যেহেতু, এই ব্যবসাতে নানান ধরণের যন্ত্রপাতির ব্যবহার রয়েছে,

তাই এখানে আপনাকে উন্নতমানের ইলেক্ট্রিসিটির ব্যবস্থা করার পাশাপাশি জেনারেটারের ব্যবস্থাও রাখতে হবে।

একটা খাতা বানানোর ব্যবসাতে আপনাকে কম করেও ২-৭ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হবে।

৫. বিনিয়োগ:

ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি ব্যবসার আওঁতাভুক্ত হলেও, এই ব্যবসাতে বিনিয়োগের পরিমাণ অনেকটাই বেশি হয়ে থাকে।

একটা ভালো মাপের বিজনেস শুরু করতে গেলে, এই ইন্ডাস্ট্রিতে আপনাকে কম করেও ১০-২০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হতে পারে।

কারণ, এখানে নোটবই তৈরীর মেশিনের খরচই সবথেকে বেশি হয়ে থাকে।

এছাড়াও, মেশিনগুলো প্রতিদিন চালানোর জন্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচেরও প্রয়োজন পড়ে।

তাই, প্রাথমিকভাবে এখানে খরচার পরিমাণ সাধারণ ব্যবসার তুলনায় কিছুটা বেশিই বলা যায়।

৬. লাইসেন্স ও পার্মিশান:

অন্যান্য ব্যবসার মতো, নিজের খাতা বানানোর ব্যবসাকেও আপনাকে বৈধভাবে রেজিস্টার করতে হবে।

এই ব্যবসাতে নিচে উল্লেখিত লাইসেন্স ও পার্মিশানের প্রয়োজন হবে-

♦ ট্রেড লাইসেন্স

♦ ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন

♦ VAT রেজিস্ট্রেশন

♦ ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন

♦ ব্যবসা রেজিস্টার করার জন্যে প্রয়োজনীয় পরিচয় পত্র

♦ ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি ব্যবসা হিসেবে ব্যবসাকে রেজিস্টার করতে হবে

♦ রাজ্য সরকারের পল্যুশন কন্ট্রোল দপ্তরের নো অব্জেকশান সার্টিফিকেশন (NoC)-এর ব্যবস্থা করতে হবে।

খাতা তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ?

যেকোনো ব্যবসার মতো এখানে সবার প্রথমে আপনাকে এই ব্যবসা-সম্পর্কিত একটা প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাতে হবে।

চলুন, তাহলে ধাপে-ধাপে জানি, এই ব্যবসা শুরুর পদ্ধতিগুলোর ব্যাপারে।

ক. প্রাথমিক অনুসন্ধান:

একটা ভালো মার্কেট অনুসন্ধান আপনাকে যেকোনো ব্যবসার সুবিধা, দুর্বলতা, সুযোগ এবং সমস্যাগুলো বুঝতে সাহায্য করে।

আর, এই ধরণের ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার নির্বাচিত এলাকার কাছাকাছি থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খাতাপত্রের চাহিদা এবং বইখাতার দোকানের উপস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে হবে।

এছাড়াও, আপনার এলাকাতে কোন প্রতিযোগীর কোম্পানির ব্যবসা সবথেকে ভালো হয়, সেই সমস্ত বিষয়েও খবরাখবর নিতে হবে।

এমনকি, আপনার বাছাই করা জায়গাতে শ্রমিক পাওয়ার সুবিধা কেমন, যাতায়াত ব্যবস্থা কেমন এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক আছে কিনা, এই সমস্ত বিষয়েও অনুসন্ধান করতে হবে।

খ. অভিনব ব্যবসায়িক ধারণা বের করা:

মার্কেট অনুসন্ধান আপনাকে যেমন আপনার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি সাহায্য করে,

ঠিক তেমনই একটা অভিনব ব্যবসায়িক ধারণা আপনার ব্যবসাকে সফল হতে সাহায্য করে।

এই ধাপে আপনাকে আপনার খাতার ব্যবসাকে সফল করে তুলতে হলে, অভিনবভাবে ব্যবসাকে মার্কেটে নিয়ে আসতে হবে।

আর, এর জন্যে আপনার প্রয়োজন ক্রিয়েটিভ উপায়ে খাতার কভারগুলো ডিসাইন করে সেগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলা।

যাতে, কাস্টমাররা আপনার খাতার প্রতি আকৃষ্ট হয়।

এমনকি, ব্যবসার প্রথমদিকে, আপনার খাতার কভারের ভিতর দিকে বিভিন্ন আঞ্চলিক ব্যবসার (যেমন- এডুকেশন সেন্টার, ক্যাফে ও ইত্যাদি) বিজ্ঞাপন দিয়েও এক্সট্রা টাকা আয়ের ব্যবস্থা করতে পারেন।

গ. ব্র্যান্ডের নাম ও অন্যান্য বিবরণ ফাইনাল করা:

এই ধাপে আপনি একজন পেশাদার ডিজাইনারের সাহায্য নিয়ে নিজের খাতা কোম্পানির লোগো এবং কভারের ডিসাইন করতে পারেন।

এই ধাপে প্রথমেই নিজের ব্যবসার একটা ইউনিক নাম দিতে ভুলবেন না।

এই পর্যায়ে আপনার খাতার কাগজের ও কভারের কোয়ালিটি এবং প্রতি খাতা তৈরির খরচের মূল্যও নির্দিষ্ট করে নেবেন।

ঘ. লাইসেন্স জোগাড় করা:

নাম ও লোগো ঠিক করে নেওয়ার পর, নিজের কোম্পানিকে সরকারের দ্বারা স্বীকৃত ব্যবসাতে পরিণত করতে গেলে উপরে উল্লেখিত পার্মিশন ও লাইসেন্সগুলোর ব্যবস্থা করে নিন।

এক্ষেত্রে, NoC-এর জন্যে আবেদন করার কথাটা একেবারেই ভুলবেন না।

যেকোনো লাইসেন্সের জন্যেই আপনাকে আপনার নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র ও ঠিকানার প্রামাণ্য ডকুমেন্ট জমা করতে হবে।

ঙ. মেশিন কেনা:

নিজের কোম্পানির নামে লাইসেন্স চলে এলে, আপনাকে এরপর প্রয়োজনীয় কর্মচারী, কাঁচামাল, ট্রান্সপোর্টেশন এবং যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করতে হবে।

এই ধাপে, আপনি ব্যাঙ্ক বা ঋণদাতাদের থেকে প্রয়োজনমতো লোন নিয়ে এই মেশিনগুলো কিনতে পারেন।

এমনকি, আপনি সরকারের বিভিন্ন ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি ব্যবসার জন্যে অনুমোদিত ঋণের জন্যেও আবেদন করতে পারেন।

তবে, ব্যবসার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োজনের বেশি দামি ও অদরকারি মেশিন কেনা থেকে দূরে থাকুন।  

চ. ম্যানুফ্যাকচারিং শুরু করা:

একবার মেশিনের সেটআপ, জেনারেটার সমেত ইলেক্ট্রিকের ব্যবস্থা হয়ে গেলে,

কর্মী নিয়োগ করার পর খাতা বানানোর পদ্ধতিগুলো কিন্তু অনেকটাই সহজ হয়ে আসে।

এখানে আপনার ধারণার জন্যে ছোট করে সমস্ত খাতা ম্যানুফ্যাকচারিং-এর ধাপগুলো আলোচনা করা হল, 

✔ রুলিং মেশিনের সাহায্যে সাদা কাগজে রুল টানা

✔ রুল করে নেওয়া কাগজগুলো প্রয়োজনীয় সাইজ অনুযায়ী ভাঁজ করা

✔ ভাঁজ করা পেপারগুলোকে সাজিয়ে নেওয়া

✔ কাগজগুলোতে পারফোরেট বা ফুটো করে নেওয়া

✔ কাগজের ফুটোগুলোর সাহায্যে বাইন্ডিং বা স্টিচিং করা

✔ আঠা বা সেলাইয়ের সাহায্যে কভারগুলো লাগিয়ে নেওয়া

✔ সমান করে কাগজ কেটে নেওয়া

✔ প্যাকিং করা।

ছ. সেলস ও মার্কেটিং করা:

যথাযথ প্রচার ও মার্কেটিং ছাড়া কোনো ব্যবসাই বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না।

তাই, আপনিও নিজের বানানো খাতার সঠিকভাবে মার্কেটিং এবং সেলসের মাধ্যমে প্রচার করুন।

নিচে দেওয়া কৌশলগুলো আপনাকে ভালোভাবে আপনার ব্যবসার প্রচার করতে সাহায্য করবে,

▶ পার্সোনাল সেলিং:

নির্দিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটর, হোলসেলার এবং রিটেইলার ধরে, তাদের মাধ্যমে খাতাপত্র বিক্রি করুন।

▶ সেলস প্রমোশন:

এই ধরণের প্রচার কৌশলে আপনাকে বেশ কয়েকজন সেলসম্যান নিয়োগ করতে হবে।

যারা কাস্টমারদের কাছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় অফারের মাধ্যমে সরাসরি আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্যে আপিল করবেন।

▶ বিজ্ঞাপন:

বিজ্ঞাপনের বিষয়টা খরচাসাপেক্ষ হলেও, একসাথে অনেক কাস্টমারদের কাছে আপনার ব্যবসাকে পৌঁছে দেওয়ার এই কৌশলটা যথেষ্ট কার্যকরী।

▶ সরাসরি মার্কেটিং:

সরাসরি মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই নিজের খাতাপত্রের প্রচার করতে পারেন।

এমনকি, আপনি বিভিন্ন বইখাতার দোকান, স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে গিয়েও আপনার কোম্পানির প্রোমোশন করতে পারেন।

▶ প্রচার:

নিজের তৈরি করা খাতার ব্র্যান্ড এর প্রচারের জন্যে ফ্লেক্স লাগাতে পারেন, প্যামফ্লেট ডিস্ট্রিবিউট করাতে পারেন কিংবা ভিড় এলাকাতে হোর্ডিং-ও লাগাতে পারেন।

এছাড়াও, সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যেও নিজের প্রোডাক্টের প্রচার করতে পারেন।

▶ অনলাইন বিক্রি:

Amazon, Meesho বা Flipkart-এর মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোর সাহায্যেও আপনার খাতা বিক্রি করতে পারেন।

আমাদের আজকের খাতা বানানোর ব্যবসা নিয়ে লেখা আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল।

 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, খাতা তৈরির ব্যবসা কিভাবে শুরু করতে হবে ? আশা করছি এই বিষয়ে আপনারা সম্পূর্ণটা ভালো করে বুঝতেই পেরেছেন।

যেকোনো অন্য ব্যবসার মতোই এই ব্যবসাতেও সঠিক পরিকল্পনা (planning) এবং সময়ের প্রয়োজন।

এছাড়া, ব্যবসা শুরু করার আগে মার্কেট রিসার্চ করাটা অবশই জরুরি।

খাতা বানানোর ব্যবসা নিয়ে যদি অন্য কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ আপনার মনে থাকে, তাহলে অবশই সেটা কমেন্ট করে জানাবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top