টি শার্ট ডিজাইন করে আয় করুন । টি শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা করুন

যদি আপনি কিছু ইউনিক ব্যবসার আইডিয়া খুঁজছেন, তাহলে টি শার্ট ডিজাইন করে আয় করার বিষয়টা কিন্তু ভালোই ইউনিক বলা যেতে পারে। মানে, আপনি ঘর থেকেই বা যেকোনো জায়গার থেকে টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।  

টি শার্ট ডিজাইন করে আয়
How to start t-shirt printing business in Bangla ?

আজকাল ছোটো থেকে বড় ছেলে মেয়েরা, বয়স্ক মানুষ প্রায় সকলেই প্রিন্টেড টিশার্ট পড়তে পছন্দ করে থাকে। তাই প্রিন্ট টিশার্টের ডিমান্ড বাজারে দিন দিন বেড়েই চলছে।

তাই এর চাহিদার উপর ভিত্তি করে দেখা যায় যে টিশার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা একটি লাভবান ব্যবসা হিসাবে বলা যেতে পারে।

আজকালকার মর্ডান জেনারেশনে স্টাইল এবং নিজেকে আকর্ষণীয় দেখানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে।

আর এক্ষেত্রে স্টাইলিশ এবং বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় টি-শার্ট পরে সকলেই নিজেকে সুন্দর দেখাতে পছন্দ করে থাকে।

আজকাল প্রিন্টিং টিশার্টের ব্যবসাতে অনেক কম্পিটিশন রয়েছে, তাই যতবেশি নতুন নতুন ইউনিক এবং সুন্দর সুন্দর কালেকশন মার্কেটে আনা যায় ততবেশি বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাবে।

টিশার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা একটি স্মার্ট ব্যবসার আইডিয়া, তাই এই ব্যবসা শুরু করার জন্য ব্যবসাদারকে ক্রিয়েটিভ মাইন্ডেড হতে হবে এবং স্মার্ট ভাবে কাজ করতে হবে।

তাই, আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো টি শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা কি ? এবং টিশার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায়।

তাহলে চলুন বন্ধুরা নীচে দেওয়া প্রত্যেকটি বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করি।

১. টি শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা মানে কি ?

যেকোনো প্লেন টিশার্টের উপর প্রিন্টিং মেশিনের সাহায্যে বিভিন্ন ধরণের ডিসাইন প্রিন্ট করা হয়ে থাকে।

যেমন কোনো জন্মদিনের গিফ্ট হিসাবে স্পেশ্যাল ডিসাইনের টিশার্ট, বা কোনো হিরো হিরোইনের ফেস থাকা টিশার্ট, নিজের নাম লিখা টিশার্ট, কোনো কোম্পানির লোগো (logo) ডিসাইন টিশার্ট ইত্যাদি বিভিন্ন উদ্দেশ্যে প্লেইন টি-শার্ট এর ওপরে প্রিন্ট করে কাস্টমারের চাহিদা হিসাবে টিশার্ট বিক্রি করার ব্যবসাকে টি শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা বলা হয়ে থাকে।

২. টিশার্ট প্রিন্টিং এর জন্য আবশ্যক সামগ্রী এবং মেশিন ?

টিশার্ট প্রিন্টিং ব্যবসায় ব্যবহার হওয়া কিছু কাঁচা মাল হলো –

  • টেফলোন সিট – ৩০০mm*৩০০mm সাইজের টেফলোন সিট ৪০০থেকে ৪৫০ টাকায় পাওয়া যায়।
  • সাবলিমেশন পেপার – ১০০ পেপার A4 সাইজের একটি পেকেট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় পাওয়া যায়।
  • সবলিমেশন টেপ – একটি টেপ ৭০ থেকে ৯৫ টাকায় পাওয়া যায়।
  • প্লেন টিশার্ট – ৯০ থেকে ১২০ টাকার ভিতরে একটি প্লেন টিশার্ট পাওয়া যায়।
  • সবলিমেশন কালি – ১৫০০ থেকে ২৫০০টাকা পেয়ে যাবেন। 

এগুলো ছাড়াও টি-শার্ট প্রিন্টিং করার জন্য ব্যবহার হওয়া কিছু মেশিন হলো –

  • একটি লেপটপ বা কম্পিউটার ৩০ থেকে ৪০হাজার পড়বে।
  • একটি সবলিমেশন প্রিন্টার ১২০০০ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত দামে পাওয়া যায়।
  • টিশার্ট হিট প্রেস মেশিন ১৩ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার ভিতরে পাওয়া যায়।
  • গ্রাফিক সফ্টওয়ের ৫ থেকে ৭ হাজার টাকার ভিতরে পাওয়া যায়।

এখানে শুধু আইডিয়ার জন্য দাম গুলো বলা হয়েছে। কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে প্রত্যেকটি জিনিসের দাম আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।

তাই এটা আপনার উপর নির্ভর করে আপনি কোন ধরণের কোয়ালিটির জিনিস ব্যবহার করতে চান।

৩. টিশার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসার জন্য আবশ্যক হওয়া স্থান ?

এই ব্যবসাটি অনেক কম জায়গায় শুরু করা যায়। কম জাগার প্রয়োজন হওয়ার ফলে ঘর থেকেই  টিশার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ঘরে যদি খালি রুম রয়েছে সেক্ষেত্রে একটি রুম নিয়ে আপনার ব্যবসার সেটাপ তৈরি করে নিতে পারেন।

এছাড়া ব্যবসা শুরু করার জন্য একটি কম্পিউটার বা লেপটপ রাখার টেবিল দরকার পড়বে এবং প্রিন্টার মেশিন রাখার জন্য আলাদা জায়গা লাগবে।

ঘরের বিদ্যুৎ কানেকশন দিয়েই মেশিন চলে যাবে। তবে এর জন্য যদি বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে আলাদা করে অনুমতি নিতে হয়, তাহলে সেটা নিয়ে নিবেন। 

আপনার ব্যবসা ভালো ভাবে চলে গেলে ভবিষ্যতে বড় জায়গা নিয়ে ব্যবসা বাড়াতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনারা যদি বেশি টাকা ইনভেস্ট করে ফেক্টরী হিসেবে এই ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে প্রায় কি ১০*১৫ বর্গ ফুটের তিনটি রুমের জায়গার দরকার পড়বে।

এবং প্রথমে দেখতে হবে জায়গাটি শহর অঞ্চলের আশে-পাশে আছে কি না এবং সেখানে আসা যাওয়ার সুবিধা ভালো আছে কি না।

এছাড়া, বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা ঠিক আছে কি না সেটা আগের থেকেই জেনে রাখতে হবে। 

আপনি যখন ফেক্টরী ভাড়া নিবেন তখন যদি এগুলো বিষয়ে খবর না নিয়েই ব্যবসা শুরু করেন তাহলে ব্যবসায় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা অধিক বেড়ে যায়। 

৪. টি-শার্ট ডিজাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য কত টাকার দরকার ?

এই ব্যবসা যদি ছোটো স্তরে ঘর থেকে শুরু করা হয় তাহলে ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচা মাল যেমন প্লেন টিশার্ট, টেফলোন সিট, sublimation প্রিন্টার, sublimation পেপার, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ, প্রিন্টিং হিট প্রেস ইত্যাদিতেই আপনার টাকা ইনভেস্ট করতে হবে।

তাই ঘর থেকে ব্যবসা শুরু করার জন্য সব মিলিয়ে ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার দরকার পড়বে।

কিন্তু আপনারা যদি বড়ো স্তরে বেশি টাকা ইনভেস্ট করে ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে কারখানার ভাড়া, দ্বিগুন মেশিন, জলের ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ কানেকশন, গাড়ির ব্যবস্থা ইত্যাদিতে প্রচুর ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে।

তাই বড়ো স্তরে ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রায় ৪ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকার আবশ্যক হতে পারে।

৫. ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং লাইসেন্স ?

যদি ছোটো স্তরে  ঘর থেকে ব্যবসা শুরু করা হয় তাহলে লাইসেন্স বানানোর আবশ্যক পড়েনা। তবে আমি পরামর্শ দিবো আপনি লাইসেন্স বানিয়ে সঠিক প্রক্রিয়ার সাথেই কাজ শুরু করুন। 

কিন্তু আপনি যদি বড়ো স্তরে ফ্যাক্টরি খুলে নিজের ব্রান্ডের নাম রেজিস্টার করিয়ে ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে সম্পূর্ণ সরকারী নিয়ম মেনে কাজ শুরু করতেই হবে।

এক্ষেত্রে, আপনার কিছু পার্সোনাল এবং ব্যবসার ডকুমেন্টস দরকার পড়ে থাকে যেমন আইডি প্রুফ হিসাবে আধার কার্ড, পান কার্ড, ভোটার কার্ড এবং এড্রেস প্রুফ হিসাবে রাশন কার্ড, ইলেকট্রিক বিল, ব্যাংক একাউন্ট ইত্যাদি।

ব্যবসার ডকুমেন্টস যেমন MSME ইন্ডাস্ট্রি আধার রেজিস্ট্রেশন, বিশ্নেস রেজিস্ট্রেশন, বিশ্নেস ট্রেড লাইসেন্স, GST নম্বর ইত্যাদি আপনার বের করতে হয়।

৬. টিশার্ট প্রিন্টিং করার প্রক্রিয়া ?

  • টিশার্ট প্রিন্টিং করার জন্য প্রথম কাজ হলো কম্পিউটার বা ল্যাপটপে গ্রাফিক সফ্টওয়েরের সাহায্যে কোন ডিজাইন টিসার্টে করা হবে সেই ডিজাইন বানিয়ে নেওয়া বা সেট করে নেওয়া।
  • এরপর sublimation প্রিন্টিং পেপারে তৈরি করা ডিজাইনের মিরর প্রিন্ট নেওয়া হয়।
  • টিশার্টের উপর প্রিন্টিং করার আগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে প্রিন্টিং মেশিনটি অন করে দেওয়া হয়।
  • মেশিন চালু হওয়ার পর sublimation পেপারে ছাপা ডিজাইন টিশার্টের উপর রেখে sublimation টেপ দিয়ে লাগিয়ে দেওয়া হয়।
  • এরপর টিশার্ট প্রিন্টিং মেশিনের ভেতরে টাইমিং ৬০ থেকে ৭০ সেকেন্ডের মধ্যে সেট করে দেওয়া হয়।
  • টাইমিং পুরো হয়ে যাওয়ার পর টিশার্ট প্রিন্ট হয়ে মেশিন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে।

৭. টি শার্ট ডিজাইন করে আয় করার ব্যবসাতে হওয়া লাভ

আজকাল বাজারে প্রিন্ট করা টিশার্ট ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। তবে গেঞ্জির কাপড়ের কোয়ালিটি ভালো থাকলে এর থেকেও অধিক টাকায় বিক্রি করা যাবে। 

এক্ষেত্রে আপনি যদি অনলাইন ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলোতে নিজের ব্রান্ডের টিশার্ট বিক্রি করতে পারেন তাহলে প্রতি টিশার্ট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করা যাবে।

তাই টিশার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা ভালো ভাবে করতে পারলে এই ব্যবসাতে লাভ অনেক রয়েছে।

আপনি যদি ছোটো স্তরেও এই ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলেও মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আপনার লাভ হতে পারে। 

উদাহরণ স্বরূপ, আপনি যদি প্লেন টিশার্ট বাজার থেকে ৯০ টাকায় কিনে এবং প্রিন্টিং করতে কমপক্ষেও ২০ টাকা খরচ করে সেই টিশার্ট বাজারে ২০০ টাকা করে বিক্রি করেন তাহলে প্রতি টিশার্ট থেকে ৯০ টাকা লাভ করা যাবে।

এক্ষেত্রে আপনি যদি মাসে ৫০০ টিশার্ট বিক্রি করতে পারেন তাহলে আপনার খরচ বাদ দিয়ে ৪৫,০০০ টাকা লাভ হয়ে হয়ে যাচ্ছে। 

৮. টিশার্ট ব্যবসার মার্কেটিং ?

গেঞ্জি ডিজাইন করে আয় করার ব্যবসা শুরু করার জন্য ব্যবসার মার্কেটিং নিয়ে সঠিক পরিকল্পনা করাটা কিন্তু অনেকটাই জরুরি।

কারণ আজকাল যেকোনো প্রোডাক্ট মার্কেটিং এর উপর নির্ভর করে বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে।

এই টিশার্ট প্রিন্টিং করার ব্যবসায় ডিজাইনের অনেক গুরুত্ব থাকে।

আপনার ডিজাইন যতবেশি ইউনিক এবং ট্রেন্ডিং হবে মার্কেটে এর চাহিদা ততটাই অধিক থাকবে।

তাই প্রিন্ট করা টিশার্ট এর ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে ডিজাইনের উপর গুরুত্ব রেখে নিজের ব্রান্ডের নাম দিয়ে বাজারে মার্কেটিং করতে হবে।

শুরুতে আপনাকে ছোটো ছোটো গার্মেন্টস বেপারীদের সাথে এবং দোকান ইত্যাদির মালিকের সাথে কথা বলে তাদের সাথে ব্যবসা করার চেষ্টা করতে হবে।

এছাড়াও প্রাইভেট স্কুল গুলোতে স্কুলের নাম প্রিন্ট করা টিশার্ট পড়তে দেওয়া হয়, তাই বিভিন্ন প্রাইভেট স্কুলের সাথে যোগাযোগ করে নিজের ব্যবসার প্রচার করা সম্ভব।

একবার যদি আপনার প্রিন্ট করা টিশার্ট এবং এর কুয়ালিটি পছন্দ হয়ে যায় তাহলে পুরো স্কুলের ছাত্র দের জন্য টিশার্ট বানানোর অর্ডার আপনার কাছেই আসতে থাকবে।

এছাড়া, শহরের  বিভিন্ন রেডিমেট দোকানে আপনি টিশার্ট বিক্রি পারেন।

কিন্তু যদি নিজের ছোট্ট একটি টিশার্ট এর দোকান খুলে সেগুলো বিক্রি করতে পারেন তাহলে মুনাফা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।

আজকাল বিভিন্ন কোম্পানি বা হোটেল, রেস্টুরেন্টে ইত্যাদির কর্মচারীদের কোম্পানির নামে প্রিন্ট করা টিশার্ট পড়তে দেওয়া হয় যাতে এর দ্বারা কোম্পানির নামে বিজ্ঞাপন হয়ে যায়।

তাই এধরণের কোম্পানি, হোটেল, রেস্টুরেন্টের ওনারের সাথে যোগাযোগ করে নিজের বানানো টি-শার্ট গুলোর মার্কেটিং করা যেতে পারে।

এগুলো ছাড়াও আপনি ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলোতে যেমন ফ্লিপকার্ট, আমাজন, স্নেপ ডিল ইত্যাদিতে টিশার্ট বিক্রি করতে পারেন।

আজকাল অনলাইন ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলোর দ্বারা মানুষ প্রচুর পরিমানে কাপড় জামা, জিনিসপত্র ইত্যাদি কিনে থাকে।

তবে, ব্যবসা নতুন থাকা অবস্থায় আপনারা ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাহায্য নিয়ে দ্রুত গতিতে অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যাসার মার্কেটিং চালাতে পারবেন।

 

আমাদের শেষ কথা,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসার কিভাবে শুরু করব এই বিষয়ে জানলাম এবং টি শার্ট ডিজাইন করে আয় করার বিষয়ে সবটা জেনেনিতে পারলাম। 

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে অবশই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

গেঞ্জির ওপরে প্রিন্টিং করে সেগুলোকে বাজারে বিক্রি করার ব্যবসাটি আজকাল অনেকেই করছেন এবং ভালো মুনাফা আয় করছেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link