জানুন ব্যবসা করার নিয়ম, কৌশল এবং সঠিক পদ্ধতি গুলো বাংলাতে

ব্যবসা করার সঠিক কৌশল জানা থাকলে যেকোনো ব্যবসাতেই সফলতা পাওয়া যেতে পারে। যেকোনো ব্যবসা শুরু করার আগেই আপনাকে কিছু ব্যবসা করার পদ্ধতি বা ব্যবসা করার নিয়ম (Business rules in Bangla) গুলো জেনে রাখতেই হয় যেগুলো সব সময় আপনার কাজে আসবে। 

ব্যবসা করার নিয়ম
ব্যবসায় সফলতা পাওয়ার নিয়ম ও কৌশল গুলো

এমনিতে যেকোনো নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে যদি আপনি নিচে দেওয়া ব্যবসার নিয়ম গুলো জেনে রাখেন, তাহলে তাড়াতাড়ি সফলতা পাওয়ার প্রচুর সম্ভাবনা থাকবে।

ভাববেননা যে ব্যবসাতে সফলতা পাওয়ার জন্য কেবল প্রচুর গ্রাহক (customers) এর দরকার।

যদি, আপনি ব্যবসা করার পদ্ধতি গুলোকে মেনে ব্যবসা করছেননা তাহলে গ্রাহক আজ আছে তো কাল নেই, এই অবস্থা হতে পারে। 

সঠিক ব্যবসার কৌশল গুলো জানা থাকলে আপনি অনেক সহজে এবং তাড়াতাড়ি গ্রাহকের মন জয় করতে পারবেন যার ফলে গ্রাহকেরা বার বার আপনার কাছেই ঘুরে আসবেন।

তাই, যদি আপনারা নিচে বলা ব্যবসার নিয়ম গুলো (business rules) মেনে ব্যবসা করে থাকেন, তাহলে অবশই একজন সফল ব্যবসায়ী (successful businessman) হওয়ার সুযোগ হয়ে দাঁড়াবে।

এখনের সময়ে অনেক বড় বড় কোম্পানি গুলো এই ব্যবসা করার কৌশল গুলোকে follow করে থাকেন। 

তাহলে চলুন, নিচে আমরা সরাসরি জেনেনেই ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য কি কি নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে।

ব্যবসা করার নিয়ম, পদ্ধতি, কৌশল । Business rules in Bangla

আপনি যদি নতুন করে একটি ব্যবসা শুরু করেছেন বা ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন কিংবা আগের থেকেই আপনার একটি ব্যবসা রয়েছে,

তাহলে নিচে বলা নিয়ম গুলো আজ থেকে ফলো করা শুরু করুন।

দেখবেন, ধীরে ধীরে আপনি সফলতার পথে চলে আসতে পারবেন।

১. সঠিক ভাষার ব্যবহার 

আপনি যেটা নিয়েই ব্যবসা করছেননা কেন, যদি আপনার গ্রাহকের প্রতি আপনার ব্যবহার এবং ভাষা আপত্তিজনক থাকে বা আপনি খারাপ ভাষার প্রয়োগ করে থাকেন, তাহলে গ্রাহক আপনার কাছে পরের বার ঘুরে আসতে শংকজ করবেন।

এরকম অনেক ব্যবসার ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে, গ্রাহকের প্রতি সঠিক ভাষার ব্যবহার না করার ফলে এবং খারাপ ব্যবহার এর কারণে প্রচুর ব্যবসা অসফল হয়ে গেছে।

তাই, আপনাকে সর্ব প্রথমে নিজেকে পাল্টে লোকেদের সাথে ভালো ব্যবহার করা এবং নম্র ভাবে কথা বলা শিখতে হবে।

আপনি হয়তো ভাবছেন যে নম্র ব্যবহার এবং নম্র ভাবে কথা বলা কি কোনো ব্যবসার নিয়ম হতে পারে নাকি ? তাই তো ?

কিন্তু মনে রাখবেন, গ্রাহকের প্রতি করা এই নম্র ব্যবহার এবং নম্র ভাবে কথা বলার কৌশল এর ফলেই আজ অনেক ব্যবসা সফল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গ্রাহকের সাথে সঠিক ভাষার ব্যবহার করার কৌশল জানাটা যেকোনো ব্যবসা এবং ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে প্রথম এবং সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।

২. ব্যবসার সুনাম (goodwill) জরুরি 

দেখুন, অনেক ব্যবসায়ী দের উদ্দেশ্য কেবল টাকা কামানো থাকে যদিও কিছু ব্যবসায়ীরা নিজের ব্যবসার নাম ভালো রাখার এবং করার মধ্যে অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

অবশই, প্রত্যেক ব্যবসা বা ব্যবসায়ীর উদ্দেশ্য টাকা কামানটা থাকবেই যদিও আপনার ফোকাস (focus) ব্যবসার ভালো নাম (Goodwill) তৈরি করার মধ্যে থাকাটা জরুরি।

মনে রাখবেন, যখন আপনার ব্যবসার একটি ভালো নাম থাকবে তখন অনেক দূর দূর থেকেও গ্রাহকেরা আপনার কাছ থেকেই জিনিস কিনতে আসবেন।

আমরা যখনি কোনো দামি জিনিস কেনার কথা ভাবি তখন সবচেয়ে আগেই আমাদের মাথায় ব্র্যান্ড (brand) এবং প্রডাক্ট এর কোয়ালিটি (quality) নিয়ে বিচার বিবেচনা চলে আসে।

আর সেই ক্ষেত্রে আমরা এমন একটি brand এর জিনিস কিনে থাকি যেই ব্র্যান্ড এর প্রচুর নাম রয়েছে এবং লোকেরা যেই ব্র্যান্ড এর ওপরে বিশ্বাস করে থাকেন।

ভাবুন আপনি আজকেই একটি laptop কিনতে বাজারে চলে আসলেন,

এবার এক দিকে আপনার সামনে ASUS, Lenovo, MSI এর মতো সুনাম (Goodwill) থাকা কোম্পানির laptop গুলো রয়েছে এবং আরেক দিকে কিছু অজানা অচেনা কোম্পানির ল্যাপটপ রয়েছে।

এবার আপনি কোন brand এর laptop কিনবেন ?

৯৫% গ্রাহকের ক্ষেত্রেই তারা অধিক দাম দিয়ে হলেও ASUS, Lenovo বা MSI এর মতো সুনাম থাকা ব্র্যান্ড এর ল্যাপটপ কিনবেন।

কারণ, এই ব্র্যান্ড গুলোর বিষয়ে প্রত্যেকেই জানেন এবং ব্র্যান্ড এর ভালো একটি নাম বা সুনাম মার্কেটে রয়েছে।

ব্র্যান্ড গুলোর প্রতি গ্রাহকের বিশ্বাস (trust) রয়েছে আর তাই এই বিশ্বাস এর ফলেই কোম্পানি গুলো আজ এতটাই সফল।

তাই, আপনাকে সবচে আগেই নিজের ব্যবসার product এবং service এর quality উচ্চমানের (High quality) রাখতে হবে এবং কিভাবে গ্রাহকের বিশ্বাস জয় করে ব্যাসার ক্ষেত্রে Goodwill তৈরি করতে পারবেন সেবিষয়ে ভাবতে হবে।

ব্যবসাতে সফলতা পাওয়ার এটা দ্বিতীয় এবং সব থেকে জরুরি নিয়ম, “গ্রাহক দের মধ্যে ব্যবসার সুনাম তৈরি করা ও বজায় রাখা“.

৩. মার্কেটিং এর কৌশল জরুরি 

বেশিরভাগ ব্যবসা গুলো সঠিক ভাবে মার্কেটিং না করার ফলেই ব্যর্থ বা অসফল হয়ে দাঁড়ায়।

তাই, আপনি যেই ব্যবসা করছেননা কেন, আপনাকে সবচেয়ে প্রথমে ব্যবসার প্রচার বা মার্কেটিং এর কৌশল শিখতে ও জানতে হবে।

সঠিক marketing strategy ব্যবহার করে যেকোনো product বিক্রি করা সম্ভব এবং অনেকেই করছেন।

আজ digital marketing বা online marketing এর সাহায্যে ছোট-বড় প্রত্যেক ব্যবসা গুলো নিজেদের business, brand বা product গুলোর মার্কেটিং অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে করছেন।

এতে, ঘরে বা যেকোনো জায়গায় বসে বসে যেকোনো জায়গাতে বসে থাকা গ্রাহকের কাছে নিজের business বা product গুলোকে প্রচার করতে পারবেন।

গ্রাহকের সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে, সঠিক এবং লক্ষ্যবস্তু (targeted) গ্রাহক দের কাছে ব্যবসার প্রচার করে তাদেরকে প্রডাক্ট এর বিষয়ে জানিয়ে সেগুলোকে বিক্রি করার ক্ষেত্রে মার্কেটিং অনেক জরুরি।

তাই, সফল ব্যবসার ৩ নং নিয়মটি হলো, “আপনাকে সঠিক মার্কেটিং এর কৌশল জানতে হবে এবং লক্ষ্যবস্তু গ্রাহকের কাছে ব্যবসা বা পণ্যের প্রচার করতে হবে“.

৪. গ্রাহক এর ভালো অভিজ্ঞতা 

যখন কোনো গ্রাহক আপনার থেকে কোনো জিনিস বা পণ্য (product) কিনতে আসেন তখন যদি গ্রাহক অনেক ভালো অনুভব করে থাকে এবং আপনার থেকে জিনিস কেনার অভিজ্ঞতা অনেক ভালো থাকে তাহলে এই সাধারণ বিষয়টি আপনার ব্যবসাকে সফল করতে অনেক কাজে আসবে।

কারণ, যখন গ্রাহকের জিনিস কেনার অভিজ্ঞতা অনেক ভালো হয়ে থাকে, তখন সেই গ্রাহক অন্যান্য ব্যক্তি দের নিজের ভালো অভিজ্ঞতার বিষয়ে বলে থাকে।

এভাবে লোকেদের মুখে মুখে ব্যবসার প্রচার হতে থাকবে যার ফলে আপনি প্রচুর নতুন গ্রাহক পেতে থাকবেন।

এই ধরণে হওয়া ব্যবসার মার্কেটিং প্রক্রিয়াকে Word-of-mouth marketing বলে বলা হয়।

আর যেকোনো ব্যবসার সফলতার ক্ষেত্রে এই মার্কেটিং এর প্রক্রিয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তাই, সব সময় নিজের গ্রাহক দের ভালো অভিজ্ঞতা দেওয়ার এবং ভালো অনুভব করানোর চেষ্টা করতে হবে

৫. ব্যবসার প্রতি মনোনিবেশ করুন 

যখনি আপনি নতুন কিছু করতে চাইবেন তখন অনেকেই আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করবেন, আপনাকে আপনার লক্ষ্যের থেকে দূরে নিয়ে যেতে চেষ্টা করবেন।

কিন্তু, আপনাকে নিজের কাজের প্রতি মনোনিবেশ (focus) বজায় রাখতে হবে এবং লোকেদের সমালোচার থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে।

আপনি নিজের ব্যবসার জন্য ভালো এবং উচিৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভয় করলে চলবেনা।

লোকে কি বলবে, সেই বিষয়ে যদি আপনি বেশি ভেবে থাকেন তাহলে আপনি ব্যবসা করতে পারবেননা।

আপনাকে নিজের কাজ এবং সিদ্ধান্তের ওপরে বিশ্বাস রাখতে হবে এবং মন দিয়ে কাজ করতে হবে।

নিজের ধ্যান সব সময় ব্যবসার প্রতি ধরে রাখতে হবে।

তাই, নিজের গ্রাহককে জানার এবং বোঝার চেষ্টা করুন এবং সাথে সাথে গ্রাহকেরা কোন জিনিস অধিক পছন্দ করছেন এবং কি তাদের ভালো লাগছেনা সেটার ওপরে ধ্যান দেওয়ার চেষ্টা করুন।

তাই, আমাদের ৫ নং ব্যবসার নিয়ম হলো, “লোকেদের সমালোচনার ওপরে নজর না দিয়ে ব্যবসা এবং কাজের প্রতি মনোনিবেশ করুন”.

৬. গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া (feedback) জানার চেষ্টা 

দেখুন, সামনা-সামনি প্রত্যেকেই প্রত্যেকের বিষয়ে ভালো কথাটাই বলবেন।

তবে, যদি আপনি নিজের ব্যবসা বা পণ্যের (products) দুর্বলতা গুলো জানতে চাইছেন, তাহলে গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া সময়ে সময়ে জানার চেষ্টা করতে থাকতে হবে।

আপনি বিভিন্ন মাধ্যমে customer feedback নিতে পারবেন।

যেমন,

  1. Social media মাধ্যমে।
  2. Online survey form এর মাধ্যমে।
  3.  নিজের দোকানে বা অফিসে feedback form fill-up করিয়ে।

Customer feedback এর মাধ্যমে আপনি নিজের business এবং product এর quality থেকে নিয়ে সবটাই জেনেনিতে পারবেন।

গ্রাহকেরা আপনার service, brand বা products নিয়ে কেমন অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন বা কি ভাবছেন, সেটা জানাটা যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক জরুরি।

গ্রাহকেরা কোন বিষয় গুলো পছন্দ করছেননা সেটা তাদের প্রতিক্রিয়ার (feedback) এর মাধ্যমে জেনে সেগুলোকে ভালো এবং উন্নত করতে পারবেন।

এভাবে, সময়ে সময়ে আপনি নিজের business, products বা service গুলোকে customers দের সুবিধের হিসেবে পরিচালনা (manage) করতে পারলে গ্রাহকের মধ্যে ব্যবসা জনপ্রিয়তা এবং ভালো অভিজ্ঞতা বজায় থাকবে।

৭. ব্যবসা করার আগে রিসার্চ করুন 

বর্তমান সময়ে যেকোনো ব্যবসাতেই প্রচুর প্রতিযোগিতা (competition) রয়েছে তাই ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার প্রচুর প্রতিদ্বন্দ্বী অবশই থাকবে।

তবে, যেকোনো ব্যবসা করার আগেই সেই ব্যবসা নিয়ে ভালো মানের গবেষণা (research) অবশই করে নেওয়াটা জরুরি।

কারণ, সঠিক ভাবে রিসার্চ করার পর আপনি বুঝতে পারেন যে আপনার বেঁচে নেওয়া ব্যবসাটি কতটা অধিক প্রতিযোগিতামূলক।

মানে, আপনি যদি ব্যবসাটি শুরু করেন তাহলে আপনার মতোই কতজন এই একি ব্যবসাটি কোনো নির্দিষ্টি জায়গাতে করছেন।

যদি একি জায়গাতে অধিক লোকেরা একি ব্যবসাটি করছেন, তারমানে একি ব্যবসা আপনিও শুরু করলে প্রচুর প্রতিযোগিতার মোকাবেলা করতে হবে।

এতে, আপনার সফল হওয়ার সুযোগ তুলনামূলক ভাবে অনেক কম থাকতে পারে এবং শুরুতে প্রচুর পিছিয়ে থাকবেন।

তাই, আপনাকে এমন একটি ব্যবসায় ফোকাস করা দরকার যেটা অনেক কম লোকেরা করছেন এমন যেই ব্যবসার চাহিদা অনেক বেশি।

গ্রাহকের প্রয়োজনীয়তার ওপরে আপনাকে নজর দিতে হবে এবং কোন জিনিসটার চাহিদা আছে যদিও সেটা মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছেনা, সেই প্রডাক্ট খুজুন।

অধিক বেশি চাহিদা এবং অনেক কম প্রতিযোগিতা থাকা ব্যবসা নিয়ে আপনাকে কাজ শুরু করা দরকার।

আর এই কাজের জন্য ভালো মানের মার্কেট রিসার্চ আপনার করতে হবে।

৮. যেটাই করছেন আনন্দের সাথে করুন 

মনে রাখবেন, যখন আপনি যেকোনো কাজ সম্পূর্ণ আনন্দের সাথে করে থাকবেন তখন সেই কাজ বার বার করতে আপনার ভালো লাগবে।

আর সত্যি বললে, যখনি কোনো সফল ব্যবসায়ীকে জিগেশ করা হয় যে আপনার সফলতার রহস্যটি কি ?

তখন বেশিরভাগের এটাই উত্তর থাকে যে, “আমি যেটাই করি সম্পূর্ণ রুচি এবং মনের আনন্দের সাথে করি”.

মানে, যখন আপনি কোনো কাজ করে আনন্দ অনুভব করবেন তখন সেই কাজ করতে আপনি অস্থির বা বিশ্রামহীন অনুভব করেবননা।

মনের আনন্দের সাথে কাজ করলে আপনি প্রত্যেক প্রতিযোগিতামূলক সময় বা পরিস্থিতিকে হারিয়ে এগিয়ে যেতে সাহস এবং মনের জোর পাবেন।

তাই, যেই ব্যবসা আপনি করছেন সেটাকে মনের আনন্দের সাথে করতে চেষ্টা করুন।

এছাড়া, আমি পরামর্শ দিবো লোকেদের ব্যবসা বা সফলতা দেখে কাজ করার থেকে নিজের যেটা ভালো লাগে সেই ব্যবসাটি করুন।

এতে, সফলতার সুযোগ অধিক বেড়ে যাবে।

৯. বিফলতার (Failure) থেকে ভয় পাবেননা 

যেই ব্যক্তি বিফলতা নিয়ে অধিক ভাবেন বা ভয় করেন সেই ব্যক্তির সফল হওয়ার সুযোগ অনেকটাই কম থাকে।

কারণ, ব্যবসা করার কৌশল, নিয়ম বা পদ্ধতির কথা যখন বলা হচ্ছে তখন বিফলতা নিয়ে আপনার কি প্রতিক্রিয়া থাকা দরকার সেটা জেনে রাখাটা অনেক জরুরি। 

যেকোনো ব্যবসার ক্ষেত্রেই কোনো না কোনো সময় আপনাকে বিফলতার (failure) মুখোমুখি হতেই হয়।

আমি আমার নিজের অনুভব থেকেই বলছি যে, বিফলতার থেকে ভয় পাবেননা কারণ এর থেকে আপনারা অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

যেকোনো ব্যক্তি বা ব্যবসা বিফল হওয়ার মূল কারণ হলো, ব্যবসাতে নেওয়া একটি বা একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত।

তাই, নিজের ভুল থেকে আপনি নতুন কিছু শিখতে পারবেন এবং ব্যবসাতে কোন জিনিষটা কাজ করবেনা সেটা বুঝতে পারবেন।

বিফলতা আমাদের জীবনে আসলে অনেক খারাপ লাগে যদিও চির জীবনের জন্য অনেক কিছু শিখিয়ে যায়।

তাই, শুরুতেই নিজেকে বলে রাখতে হবে যে, “বিফলতা আসতেই পারে আর আসবেই, তবে বিফলতার থেকে ভয় পেয়ে বসে থাকবোনা তবে এর থেকে অনেকটাই শিখে এগিয়ে যাবো“.

 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা ব্যবসা করার নিয়ম (business rules in Bengali) কিছু জানলাম যেগুলো সফলতার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

এমনিতে ব্যবসা করার পদ্ধতি কিন্তু অনেক সোজা এবং সরল। 

তবে, যদি আপনি সঠিক কৌশল এর সাথে ব্যবসা করছেননা, তাহলে অবশই ভবিষ্যতে প্রচুর সমস্যার মুখোমুখি হতে লাগতে পারে। 

তাই, যদি আপনি নতুন ব্যবসা শুরু করতে চলেছেন বা আপনি আপনার ব্যবসাতে সফলতা পাচ্ছেননা, তাহলে ওপরে বলা নিয়ম গুলো একবার মন দিয়ে পড়ুন।

শেষে, আমাদের আজকের আর্টিকলে যদি আপনাদের ভালো লেগেছে তাহলে অবশই আর্টিকেলটি শেয়ার করবেন।

এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link