প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার: ৯টি মোবাইল অ্যাপস

বর্তমান সময়ে মজার মজার রিলস, স্টোরিজ বা শর্টস ভিডিও দেখতে আমরা প্রত্যেকেই অনেক ভালো পাই। আমাদের খালি সময়ে আমরা অনেকেই মাঝে-মাঝে এই ছোট ছোট ভিডিও গুলো দেখেই সময় কাটিয়ে থাকি। আর, এখনকার সময়ে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেই এই ছোট-ছোট ভিডিওর ব্যাপারটা বেশ ট্রেন্ডিংও যাচ্ছে।

এখন আপনিও যদি আপনার নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে এইরকমের ভিডিও দিতে চাইছেন, অথচ প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করে ভিডিও এডিটিং করার সময় পাচ্ছেন না তাহলে, আপনার এই সমস্যা নিমেষেই দূর করে দিতে পারে, এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য থাকা নানান ফ্রি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলো।

আর তাই, আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাকে হদিশ দেবো, এমনই কিছু ফ্রি এবং প্রফেশনাল ভিডিও এডিট করার অ্যাপস/সফটওয়্যার সম্পর্কে, যা আপনাদেরকে খুব সহজে ও কম সময়ে নিজের মোবাইল দিয়ে যেকোনো ধরণের ভিডিও এডিট করতে দেবে।

অবশই পড়ুন: এনিমেশন কাটুন ভিডিও বানানোর ৯টি অ্যাপস

ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার অ্যাপস গুলো কেন ব্যবহার করব?

ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার
Best mobile video editing apps / software for android.

স্মার্টফোনের জন্য থাকা নানান ফ্রি এবং পেইড ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার গুলো এমনিতেই অনেক শক্তিশালী।

এই মোবাইল ভিডিও এডিটিং অ্যাপস গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে কোনো ধরণের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ছাড়া নিজের এন্ড্রয়েড মোবাইলের মাধ্যমেই ভিডিও এডিটিং এর সাথে জড়িত নানান ছোট-বড় কাজ গুলো করে নিতে পারবেন।

যেমন ধরুন, ভিডিওতে ছবি বা গান যুক্ত করা, টেক্সট, মোশন, ইফেক্ট, ফিল্টার ভয়েস, 3D effects ইত্যাদির যুক্ত করার মতো কাজ গুলো সহজেই করা সম্ভব। এছাড়া, বর্তমান সময়ে এমন নানান প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার গুলো পাবেন যেগুলোতে একটি professional Movie Maker software-এর মতো প্রায় প্রত্যেকটি tools এবং options গুলো রয়েছে।

তাই, যদি আপনি ঝটপট একটি অনেক সাধারণ user interface ব্যবহার করার মাধ্যমে যেকোনো ভিডিও এডিট করতে বা তৈরি করতে চাইছেন, তাহলে এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্যে থাকা এই ভিডিও এডিটর সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করলেই কাজ হয়ে যাবে।

রিলেটেড: টিকটক এর মতো ভিডিও বানানোর অ্যাপ/সফটওয়্যার

ভিডিও এডিট করার অ্যাপস গুলোর তালিকা:

চলুন, নিচে সরাসরি প্রত্যেকটি সেরা এবং প্রফেশনাল android video editor apps গুলোর নাম নিচে দেখেনেই।

Video Editor App:Total Downloads:
১. PowerDirector100M+
২. InShot Video Editor500M+
৩. VivaVideo – Video Editor500M+
৪. KineMaster – Video Editor & Maker100M+
৫. InVideo (Filmr)1M+
৬. GoPro Quik: Video Editor10M+
৭. Filmora – Video Editor50M+
৮. Magisto by Vimeo50M+
৯. WeVideo10M+

অবশই পড়ুন: ছবি দিয়ে ভিডিও বানানোর ৮টি সফটওয়্যার

মোবাইলে ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার – ৯টি এন্ড্রয়েড অ্যাপস

আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই android mobile গুলো ব্যবহার করে থাকেন। তাই আমরা এখানে, মূলত এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের জন্য থাকা সেরা ও প্রফেশনাল ভিডিও এডিট করার অ্যাপস গুলো নিয়েই আলচনা করেছি।

১. PowerDirector

PowerDirector হল এমন একটা এন্ড্রয়েড ভিডিও এডিটর অ্যাপ্লিকেশন, যা আপনাকে 4K কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি করতে সাহায্য করে। যেহেতু, এর মাল্টি-টাইমলাইন ফিচার রয়েছে, তাই আপনি এখানে পেশাদারি কায়দাতেই ভিডিও এডিট করতে পারবেন। আপনি এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনার এডিট করা ভিডিওগুলো সহজেই ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে শেয়ার করতে পাবেন।

আপনি সহজেই এই অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনার ক্লিপগুলোর সাথে ট্রান্সিশন, মিউসিক, মোশন টাইটেলস, ইমোজি, ফিল্টার, এফেক্টস ও আরও অনেক কিছু যোগ করে উন্নত ভিডিও বানাতে পারেন৷

ফিচার:

  • 4K পর্যন্ত রেজোলিউশনে ভিডিও এক্সপোর্ট করা যায়,
  • ক্রোমা কী দিয়ে গ্রীন স্ক্রিন ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পাদনা করা যায়,
  • মাল্টিপেল মিক্সিং মোড ও মাল্টি-টাইমলাইন ইন্টারফেস আছে,
  • ওভারলে ক্লিপ দিয়ে ডবল এক্সপোজার এফেক্ট তৈরী করা যায়,
  • কাঁপা-কাঁপা ফুটেজ ভিডিও স্টেবিলাইজার দিয়ে ঠিক করা যায়,
  • গ্লিচ ও ট্রানজিশন এফেক্ট যোগ করে সিনেম্যাটিক ভিডিও বানানো যায়।

২. InShot Video Editor

এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য একটা দুর্দান্ত ভিডিও এডিটিং অ্যাপ হল এই InShot। এই মুভি মেকার অ্যাপ্লিকেশনটিতে রয়েছে ট্রিম অ্যান্ড কাট ভিডিও/মুভি, স্টিকার, গ্লিচ ইফেক্ট, মিউজিক, টেক্সট, ব্লার ব্যাকগ্রাউন্ড ও নো ক্রপের মতো আকর্ষণীয় ফিচারগুলো।

যদিও, এটা একটা একটি বেসিক ভিডিও এডিটিং অ্যাপ, তা সত্ত্বেও আপনি এখানে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিংয়ের সমস্ত ফিচারই পেয়ে যাবেন। এখানে আপনি সহজেই আপনার ক্রিয়েটিভ স্কিল পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।

আপনি এই অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনার ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটক, ও টুইটারের জন্যে দারুণ-দারুণ সব ভিডিও বানাতে পারবেন।

ফিচার:

  • বিভিন্ন ফরম্যাট ও রেশিও সাপোর্ট করে,
  • ভিডিও স্প্লিটার, ট্রিমার ও কাটার রয়েছে,
  • আলাদা-আলাদা ভিডিও থেকে ক্লিপ জোড়া করা যায়,
  • ইউনিক ফিল্টার ও কালারফুল রঙিন ব্যাকগ্রাউন্ড যোগ করার অপসন রয়েছে,
  • সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের জন্যে সেরা ভিডিও এডিটর অ্যাপ,
  • ফেড-ইন/ফেড-আউট ফিচারের সঙ্গে মিউজিকের ভলিউম এডজাস্ট করা যায়।

৩. Viva Video

বিনামূল্যের video editing software/app হিসেবে Viva Video অ্যাপটি যথেষ্ট কার্যকরী। এই এন্ড্রোইড অ্যাপটিতে অনেক অ্যাডভান্সড ভিডিও এডিটিং ফিচার আছে। এখানে আপনি ছবি দিয়ে ভালোভাবে ভিডিও বানাতে পারেন।

এছাড়াও, এই অ্যাপ্লিকেশনে আপনি পেয়ে যাবেন একাধিক ভিডিও ফিচার, যেমন- ট্রান্সিশন, স্পেশ্যাল এফেক্টস, অ্যানিমেটেড ক্লিপ, ফিল্টার, স্টিকার ও আরও অনেক কিছু। এই অ্যাপের সাহায্যে আপনি ভিডিওর সাথে আরও ভিডিও যুক্ত করতে পারেন।

ভিডিওতে গান জুড়েও আপনি এখান থেকে সব ভালো-ভালো ভিডিও তৈরী করতে পারেন।

ফিচার:

  • একসঙ্গে অনেকগুলো ভিডিও ক্লিপ একত্রিত করা যায়,
  • সহজেই ছবি ও গান যোগ করে ভিডিও তৈরি করা যায়,
  • প্রফেশনাল মিউসিক ও এফেক্ট রয়েছে,
  • ভিডিও এডিট করার সময় কাটা, এডিট, মার্জ ও পেস্ট করা যায়,
  • 720p, 1080p, 4K ও আরও অন্যান্য রেসল্যুশনে ভিডিও এক্সপোর্ট করা যায়,
  • অনেকগুলো ভিডিও এডিটিং এফেক্ট আছে।

৪. KineMaster – Video Editor & Maker

Kinemaster হল যথেষ্ট জনপ্রিয় এন্ড্রয়েড ভিডিও এডিটর গুলোর মধ্যে একটি। এর সমস্ত ভিডিও এডিটিং টুলগুলো আপনাকে বেশ প্রফেশনালভাবে ভিডিও সম্পাদনা করতে দেয়। এই অ্যাপটিটে প্রায় প্রচুর ট্রান্সিশন, ইমেজ, ভিডিও ও এফেক্টস রয়েছে।

বিনামূল্যের এই অ্যাপ্লিকেশনটিতে ডাকিং এন্ড ভলিউম এনভেলোপ টুল ও EQ প্রিসেটের মতো অ্যাডভান্সড ফিচারও আছে। এছাড়াও, এই অ্যাপের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশনে আপনি 4K রেসল্যুশনেও ভিডিও বানাতে পারবেন।

ফিচার:

  • ব্লেন্ডিং মোডের সাহায্যে সুন্দর এফেক্ট তৈরি করা যায়,
  • ভিডিও, স্টিকার, টেক্সট, ইমেজের জন্যে মাল্টিপল লেয়ার আছে,
  • মোশন লেয়ার যোগ করার জন্য কীফ্রেম অ্যানিমেশন টুল আছে,
  • ইনবিল্ট গ্রাফিক্স, স্টিকার, ফন্ট, ট্রানজিশন, ক্লিপ ও আরও নানান টুল আছে,
  • ইউটিউব, ফেসবুক, ড্রপবক্স ও আরও অনেক প্ল্যাটফর্মে ভিডিও শেয়ার করা যায়,
  • ভয়েস ওভার, সাউন্ড এফেক্ট, ভয়েস চেঞ্জার ও ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের মতো ফিচার আছে।

৫. InVideo(Filmr)

Filmr হল এমন একটা ভিডিও এডিটিং অ্যাপ, যেটা আপনি iOS ও এন্ড্রোইড যেকোনো স্মার্টফোনেই ব্যবহার করতে পারবেন। এটা নতুন ব্যবহারকারীদের থেকে শুরু করে পেশাদার ভিডিও ক্রিয়াটার সকলের জন্যে ভালো একটা অ্যাপ্লিকেশন।

এই অ্যাপের ফাস্ট, সহজ ও ইউসার-ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস আপনার ভিডিও এডিটিং প্রক্রিয়াকে অনেকটাই সহজ করে তোলে। এখানে আপনি যেকোনো সাধারণ ভিডিওতেই ফিল্টার, এফেক্ট, ও ট্রান্সিশন যোগ করে সেটাকে দুর্দান্ত ভিডিওতে রূপান্তরিত করতে পারেন।

ফিচার:

  • মসৃণ ও ইউনিক ট্রান্সিশন রয়েছে,
  • সীমাহীনভাবে ছবি/ভিডিও ইম্পোর্ট করা যায়,
  • ভিডিও ফর্ম্যাট পরিবর্তন করার অপশন রয়েছে,
  • ২০ মিলিয়নের বেশি রয়্যালটি ফ্রি মিউজিক লাইব্রেরি আছে,
  • ভিডিও ট্রান্সিশনের জন্য স্পেশাল ফিল্টার ও এফেক্ট রয়েছে।

৬. GoPro Quik: Video Editor

ভিডিও এডিটিংয়ের ব্যাপারে আপনার সেরকম দক্ষতা না থাকলেও, Quik অ্যাপটি আপনাকে নিজে থেকেই বেশ ভালো ও চমৎকার ভিডিও বানিয়ে দিতে পারে। শুধু আপনাকে কয়েকটা ট্যাপে ভিডিওগুলো যোগ করতে হবে, আর বাকি কাজটা এই GoPro-এর অ্যাপ্লিকেশনটি নিজেই করে নেয়।

এই অ্যাপটি এতটাই কর্যকরী যে, এটি নিজেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রানজিশন ও এফেক্ট যোগ করে নিতে পারে। এডিটিং সফটওয়্যারটি বেশিরভাগ এডিটিংই নিজে-নিজেই করে থাকে, তবে এডিটিংয়ের সূক্ষ্ম বিবরণগুলো আপনি এখানে নিজে থেকে যোগ করতে পারবেন।

ফিচার:

  • টেক্সট ওভারলে যোগ করা যায়,
  • ভিডিওর স্পিড পরিবর্তন করুন,
  • মোশন ফটোর সাথেও কাজ করে,
  • ভিডিও রেকর্ড, ট্রিম, ও রোটেট করা যায়,
  • সেরা কোয়ালিটিতে সীমাহীন ব্যাক-আপ নেওয়া যায়,
  • AI-পাওয়ারের সাহায্যে নিখুঁত ফ্রেম বেছে নেওয়া যায়,
  • ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্যে ১০০-এর বেশি বিনামূল্যের মিউসকিক রয়েছে।

৭. Filmora – Video Editor

FilmoraGo অ্যাপটি হল বিনামূল্যের সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপ্লিকেশন গুলোর মধ্যে একটি। এই অ্যাপটি ভিডিও এডিট করার পর আপনার ভিডিওতে কোনো ওয়াটারমার্ক লাগিয়ে দেয় না। আপনি এখানে কোনো টাইম লিমিট ছাড়াই যত খুশি ভিডিও ক্লিপ যোগ করতে পারবেন।

এখানে আপনি অনেক প্রিসেট ও এফেক্টের সাহায্যে একটা উন্নতমানের ভিডিও বানাতে পারেন। এমনকি, এখানে এডিট করে আপনি আপনার ভিডিওগুলো সরাসরি হোয়াটস্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক,ও ইউটিউবে শেয়ার করতে পারবেন।

ফিচার:

  • ভিডিওতে লিপ সিঙ্ক করা যায়,
  • টেক্সট ওভারলে যোগ করা সম্ভব,
  • ভিডিও রিভার্স, ট্রিম, ও রোটেট করা যায়,
  • লাইসেন্সযুক্ত গানের বিশাল লাইব্রেরি আছে,
  • টাইটেলের মোশন ও টাইমলাইন পরিবর্তন করা যায়,
  • একই ভিডিওতে একাধিক ফাস্ট বা স্লো এফেক্ট যোগ করা যায়,
  • ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট থেকে ক্লিপ ইম্পোর্ট করা যায়।

৮. Magisto by Vimeo 

Magisto, ভিডিও এডিটিং অ্যাপ্লিকেশনটি অত্যাধুনিক A.I ব্যবহার করে কাজ করে, যা আপনার রেকর্ডিং ক্লিপের সেরা অংশ গুলো নিজে থেকেই খুঁজে বের করতে সক্ষম। এর ফলে, আপনি একটা দুর্দান্ত প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরী করতে পারেন।

এখানে আপনি ফিল্টার অবজেক্ট ডিটেকশন, ভিডিও স্টেবিলাইজেশান, এফেক্ট ও স্বয়ংক্রিয়-ক্রপের মতো নানা এডিটিংয়ের কৌশলগুলো পেয়ে যাবেন।

ফিচার:

  • সরাসরি ডিভাইস থেকে মিউসিক যোগ করা যায়,
  • অ্যাপের স্মার্ট AI, ভিডিওকে গল্পে পরিণত করতে পারে,
  • জেনার, মুড ও ক্যাটেগরি অনুযায়ী রয়্যালটি-ফ্রি মাসিক বাছা যায়,
  • এক ট্যাপেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মে ভিডিও শেয়ার করা যায়,
  • ক্লিপ, ফটো, সঙ্গীত, স্টিকার, টেক্সট, ফিল্টার, ও আরও নানান টুল আছে।

৯. WeVideo

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য WeVideo অ্যাপটি ভিডিও তৈরি ও শেয়ার করাকে সহজ ও মজাদার করে তোলেছে। এই ভিডিও এডিটর অ্যাপটি আপনার ক্লিপগুলোকে দারুণ ভিডিওতে রূপান্তরিত করতে সাহায্যে করতে পারে।

এমনকি, আপনার ভিডিও গুলো আপনি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কোনো রকমের কোনো অসুবিধা ছাড়াই শেয়ার করতে পারেন৷

ফিচার:

  • রয়্যালটি-ফ্রি মিউসিক লাইব্রেরি রয়েছে,
  • ইউনিক ভিডিও থিম ও ফিল্টার সমেত আসে,
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে সরাসরি ভিডিও শেয়ার করা যায়,
  • ভার্টিকাল ভিডিও উন্নত করতে ব্লার্ড ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা যায়,
  • প্রিমিয়াম ভার্শনে 4K আল্ট্রা-হাই ডেফিনিশন ভিডিও এক্সপোর্ট করা যায়।

পরিশেষে:

উপরে বলা ভিডিও এডিট করার ৯টি মোবাইলর সফটওয়্যার গুলোর বেশিরভাগই আপনাকে বিনামূল্যেই এডিট করতে দেয়।

তবে, এদের পেইড ভার্শনও অবশই রয়েছে, তাই আপনি আপনার প্রয়োজন ও ইচ্ছেমতো এই ভার্শন গুলো ব্যবহার করতে পারেন। আপনি কোনো ধরণের কোনো সমস্যা ছাড়াই সহজেই এই অ্যাপ্লিকেশন গুলো ব্যবহার করে নিজের ভিডিও সম্পাদনা শুরু করতে পারবেন।

আমাদের আজকের ‘এন্ড্রয়েড মোবাইলের সেরা ৯টি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার‘ নিয়ে লেখা আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল। ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার গুলো ভালো লাগলে সে অবশই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।

রিলেটেড: মোবাইলের ৭টি সবচেয়ে ভালো ক্যামেরা অ্যাপস

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top