স্টক মালের ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ?

স্টক মালের ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ? আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি।

মানুষের যতদিন রোটি-কাপড়া-মকানের প্রয়োজনীয়তা থাকবে, ততদিন স্বাভাবিক বেশ কিছু পণ্যের চাহিদাও একেবারে অপরিবর্তনীয় থাকবে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, যে যেকোনো খাদ্যবস্তু, যেমন- গম, চাল, ডালের মতো সাধারণ দানাশস্যের চাহিদা সারা পৃথিবী জুড়েই থেকে যাবে।

সুতরাং, কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে এই ধরণের কাঁচামালের জোগান দেওয়া কিন্তু ব্যাপক পরিমাণে টাকা ইনকামের পক্ষে যথেষ্টই।

তাই, অনেক সময়েই অনেক ব্যবসায়ীরাই এই ধরণের অতি দরকারি পচনশীল বা অপচনশীল পণ্যগুলো মজুত করে রাখে এবং মার্কেটের চাহিদা-বুঝে চড়া বা কম দামে তাদের মজুত করা পণ্যগুলো বিক্রি করে ব্যাপক মার্জিনে লাভ করে।

আর, এই ধরণের ব্যবসাকেই আমরা স্টক মাল ব্যবসা (Stock Goods Business) বলে থাকি।

আপনিও যদি এরকমই stock goods business শুরু করতে আগ্রহী থাকেন; তাহলে চোখ রাখতে পারেন, আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে।

কারণ, এখানে আমরা আলোচনা করতে চলেছি, কিভাবে স্টক মালের ব্যবসা শুরু করবেন ?– এই বিষয়টি সম্পর্কে।

Post Contents

স্টক মালের ব্যবসা কি ?

স্টক মালের ব্যবসা

যে ব্যবসাতে ব্যবসায়ী, ডিস্ট্রিবিউটর কিংবা প্রস্তুতকারকরা তাদের পণ্য বা মালের একটা ধারাবাহিক সাপ্লাই বা জোগান মজুত রেখে, সেই পণ্যগুলো তাদের ক্রেতাদের প্রয়োজনে বিক্রি করে, সেই ব্যবসাকেই আমরা স্টক মাল ব্যবসা হিসেবে মনে করে থাকি।

এই ব্যবসাতে দুটি প্রধান ধাপই হল পণ্যের সরবারহ মসৃণভাবে বজায় রাখা এবং সঠিকভাবে পণ্যের সংখ্যা ও গুণগত মান বজায় রাখা।

আর, এই মজুত করার সমস্ত পদ্ধতিটিকেই আমরা ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট বা জায় পরিচালনা বলে থাকি।   

সেরা স্টক মালের বিজনেস আইডিয়া:

মূলত, যেকোনো ব্যবাসায়িক পণ্যেরই দুটি প্রধান ক্যাটেগরি রয়েছে, যথা- পচনশীল এবং অপচনশীল।

পচনশীল পণ্য সহজেই পচে যায়, যেমন- যেকোনো ধরণের খাদ্যদ্রব্য; সবজি, চাল, গম, আটা, ময়দা ইত্যাদি।

আর, অপচনশীল দ্রব্য, যেমন- জামাকাপড়, জুতো এবং আরও নানা অজৈব পদার্থ যেগুলো পচে যায় না।

আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী, পণ্যের চাহিদা, লোকেশন এবং মার্কেটের অবস্থার উপর নির্ভর করে যেকোনো পণ্যেরই স্টক ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

এখানে আপনার সুবিধার জন্যে আমরা বেশ কয়েকটি সেরা স্টক মাল বিজনেস আইডিয়ার কথা বললাম,

চাল, গম, আলু, আদা, তেল, সবজি, টি-শার্ট, জুতো, সোয়েটার ও ইত্যাদি।

স্টক মালের ব্যবসা কিভাবে করব ?

এই স্টক ব্যবসা শুরু করতে গেলে সবার আগে আমাদের ৪টি জিনিসের প্রয়োজন হবে,

১. স্টক মাল রাখার পর্যাপ্ত জায়গা বা ওয়্যারহাউস/গোডাউনের ব্যবস্থা করা:

স্টক মাল সংগ্রহ করার জন্যে ভেন্ডার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের ব্যবস্থা করার আগে,

আপনাকে মাল স্টোর করার একটা কর্যকরী ওয়্যারহাউস বা গোডাউনের ব্যবস্থা করতে হবে।

সুতরাং, পণ্যদ্রব্য রাখার একটা উপযুক্ত বাড়িঘর বা জমি কিনতে অথবা ভাড়া করতে হবে।

তার উপর আপনি যদি আলুর মতো পচনশীল মাল স্টক করতে চান, তাহলে সেক্ষেত্রে কোল্ড স্টোরেজের পিছনেও যথেষ্ট খরচ করতে হবে।

এমনকি, আপনার গোডাউনের মালের সুরক্ষার জন্যে সিক্যুরিটিরও ব্যবস্থা রাখতে হবে।

এক্ষেত্রে, আপনি ব্যবসা শুরু করার জন্যে পর্যাপ্ত ব্যাংক বা ব্যক্তিগত লোনের আবেদন করতে পারেন।    

২. মাল সাপ্লাই দেওয়ার ভেন্ডারের সাথে যোগাযোগ করা:

আপনি যেকোনো ধরণের স্টক মাল এর বিজনেস শুরু করতে গেলেই আপনাকে নির্দিষ্ট সাপ্লাইয়ার বা ভেন্ডারদের সাথে যোগাযোগ করে নিয়মিত মালের জোগানের জন্যে চুক্তি করতে হবে।

এইসব ব্যবসাতে একাধিক সাপ্লাইয়ারের বা ভেন্ডারের ব্যবস্থা করে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

যাতে, আপনার মাল সংগ্রহে কোনোরকমের বাধা না আসে।

এছাড়াও, চেষ্টা করবেন আপনার ওয়্যারহাউসের কাছাকাছি ভেন্ডার ও সাপ্লাইয়ারদের থেকে মাল তোলার ব্যবস্থা রাখা।

নাহলে, আপনার মাল আনা-নেওয়া করার জন্যে যথেষ্ট পরিমাণ গাড়ি ভাড়া খরচা করতে হবে।

৩. ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট বা স্টক পণ্যের সমগ্র পরিচালনা:

আপনি ভেন্ডারের থেকে মাল আমদানি করলেন, এটা তো আর ১০-১২কেজি মালের গল্প নয়; এখানে হাজার-হাজার টন মাল সংগ্রহের কথা বলা হয়েছে।

সুতরাং, এখানে আপনাকে মালের হিসেব বরাবর রাখতে হবে।

আর, এর জন্যে আপনার প্রয়োজন হবে সঠিকভাবে ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্টের।

এই ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আপনি সঠিক পণ্যের পরিমাণ, সঠিক বিক্রির সময় এবং পণ্যের অবস্থা সম্পর্কে ঠিকভাবে হিসেবে রাখতে পারবেন।

আসলে, এই স্টক মালের বিজনেসে মালের হিসেব রাখাটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ।  

ক. পণ্য ও ভেন্ডারের তথ্য অর্গানাইজ করা:

ইনভেন্টরি ম্যানেজেমেন্টের সবার প্রথম ধাপই হল নিজের প্রোডাক্ট ও ভেন্ডরের তথ্যগুলো কোনো বিশ্বাসযোগ্য POS (পয়েন্ট-অফ-সেলস) সিস্টেমে সেটআপ করা।

* (Lightspeed হল এমনই একটা জনপ্রিয় POS system।)

এছাড়াও, আপনি ম্যানুয়ালি ডেটা সেটআপ করতে চাইলে স্প্রেডশীট ব্যবহার করতে পারেন।

এখানে, প্রথমেই আপনাকে প্রোডাক্ট সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য (পণ্যের নাম, পরিমাণ, SKU নম্বর, ক্যাটেগরি, হোলসেল কস্ট ও অন্যান্য) পূরণ করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে, আপনাকে সেই প্রোডাক্টের ভেন্ডারদের তথ্যগুলোও নথিবদ্ধ করতে হবে।

যথা- ভেন্ডারের নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল, বিলিং ইনফো, পেইমেন্ট ও অন্যান্য।  

খ. প্রোডাক্ট সাপ্লাইয়ারের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করা:

সঠিকভাবে পণ্যের সাপ্লাই ধরে রাখতে গেলে, অবশ্যই আপনাকে আপনার সাপ্লাইয়ারদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

যাতে, আপনার এমার্জেন্সি প্রয়োজনে আপনি সব সময়েই সাপ্লাইয়ারদের থেকে সেরা প্রোডাক্টের ডেলিভারি পান।

যদি পণ্যের মান বা পার্চেজ অর্ডারে কোনো সমস্যা থাকে, সেটা আপনি সাপ্লাইয়ারদের সাথে ভালো সম্পর্ক রেখে মিটিয়ে নিতে পারেন।

এক্ষেত্রে, আপনাকে সঠিকভাবে সাপ্লাইয়ারদের পেমেন্টের বন্দোবস্ত করে দিতে হবে,

এবং নিয়মিতভাবে সাপ্লাইয়ারদের সাথে মিটিং করে দীর্ঘদিন ধরে তাদের থেকে মাল সাপ্লাইয়ের কন্ট্রাক্টের ব্যবস্থা করে নিতে হবে।

গ. সঠিকভাবে পার্চেজ অর্ডার তৈরী ও সাবমিট করা:

পার্চেজ অর্ডার মূলত হল ক্রেতা বা রিটেইলারদের দ্বারা তৈরী নথি।

অর্থাৎ, রিটেইলাররা আপনার গোডাউন থেকে মাল অর্ডার করলে সেটার জন্যে একটা পার্চেজ অর্ডার (PO) তৈরী হয়, যেখানে একটা নির্দিষ্ট ডেট মেনশন করা থাকে।

যেই তারিখের মধ্যে আপনাকে রিটেইলারদের মাল ডেলিভারি দিতে হয়।

পার্চেজ অর্ডারের সাহায্যে আপনি সহজেই ইনভেন্টরি পার্চেজ, প্রতিটা স্টক কেনার হিসেব এবং অর্ডার প্লেস ও ডেলিভারির তারিখের ব্যাপারে যথাযথ হিসেব রাখতে পারবেন।

ফলে, আপনি মাল স্টক আউট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন।

এমনকি, এই PO হল ফিনান্সিয়াল ট্রান্সাকশনের হিসাবপত্র, এর মাধ্যমে আপনি নিজের ক্যাশ ফ্লোয়ের ব্যাপারে বিস্তারিত হিসেবে নিতে পারবেন।    

ঘ. সঠিকভাবে ইনভেন্টরি অর্ডার নেওয়া:

একবার সঠিকভাবে PO সাবমিট করার পর, আপনাকে বিক্রি হয়ে যাওয়া মালের স্টকগুলো আবার পূর্ণ করতে হবে।

এই ধাপে অনেক সময়েই সাপ্লাইয়ারের সাথে যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

আপনি যদি মাল স্টক করার ব্যাপারে সচেতন না থাকেন, তাহলে খুব সহজেই আপনার মাল কম পড়তে পারে,

এছাড়া, মালের হিসেবে গন্ডগোল হতে পারে অথবা আপনার ওয়্যারহাউসে অতিরিক্ত পরিমাণে মাল জমে যেতে পারে।

যেটা আদতেই আপনার ব্যবসার ক্ষতি করতে পারে।  

সুতরাং, খুব সাবধানে ও বুঝে-শুনে তবেই মাল রিস্টকের ব্যবস্থা করুন।

ঙ. ইনভেন্টরি ট্যাগ ও লেবেল করা:

আপনার গোডাউনে মাল চলে এলে, প্রথমেই মালের পরিমাণ হিসেব করে ও তথ্য স্পেডশিটে তুলে নিতে ভুলবেন না।

এরপরে, প্রোডাক্টগুলোর মান ও সংখ্যা চেক হয়ে গেলে, অবশ্যই সঠিকভাবে সেগুলোর লেবেলিং বা ট্যাগিং-এর ব্যবস্থা করবেন।

আপনার ট্যাগের ক্ষেত্রে দুটো জিনিস খুবই জরুরি,

✔ মূল্য:

আপনার পণ্যগুলোর বিক্রি করার মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।

ক্রেতাদের কাছে পৌঁছনোর আগে আপনার মূল্য আগেই ঠিক করতে হবে।

✔ প্রোডাক্ট লেবেল:

আপনার ইনভেন্টরির জন্যে একটা নির্দিষ্ট লেবেলিং সিস্টেম রাখতে হবে।

যাতে, আপনি নিজের পণ্যগুলো সঠিকভাবে অর্গানাইজ ও ট্র্যাক করতে পারেন।

আপনি যদি টি-শার্ট বা সোয়েটারের মতো মালের স্টকের ব্যবসা করেন;

তাহলে আপনি ছেলে ও মেয়েদের ক্যাটেগরি আলাদা করতে এই লেবেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে পারেন।

এক্ষেত্রে, বারকোড সিস্টেম বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

এই সিস্টেমে ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট করা এবং কাস্টমার চেকআউট করাটাও অনেকটা সহজ হয়।

চ. স্টকরুম বা ওয়্যারহাউস অর্গানাইজ করা:

যেকোনো গোডাউনেই অর্গানাইজড স্টোরেজ স্পেস থাকাটা জরুরি।

যাতে, প্রয়োজনে আপনি সঠিক মালের স্টক সমস্যাহীনভাবে ডেলিভারি করতে পারেন।

আপনার ওয়্যারহাউস যদি ছোট হয়, তাহলে আপনি ভার্টিকাল স্পেস ব্যবহার করতে পারেন।

অর্থাৎ, আপনি লম্বা-লম্বা সেল্ফ ব্যবহার করে পণ্য জমা করতে পারেন।

যাতে, আপনার চলাচলের পথ খোলা থাকে।

প্রয়োজনে, আপনি সেল্ফগুলোকেও লেবেলিং করে রাখতে পারেন; যাতে আপনি সহজে আপনার পণ্য অ্যাক্সেস করতে পারেন।

ছ. রিয়েল টাইমে ইনভেন্টরি ট্র্যাক করা:

রিয়েল টাইমে ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্টের প্রধান সুবিধাই হল আপনি সবসময়ে আপনার স্টকের ব্যাপারে আপডেটেড থাকতে পারবেন।

আপনি স্প্রেডশিট কিংবা POS সিস্টেমের সাহায্যে সহজেই এই ব্যবস্থা করতে পারবেন।

তবে, POS সিস্টেমে আপনি রিওর্ডার এলার্ট দিতে পারবেন।

যাতে, আপনার পণ্যের স্টক কমে এলেই আপনি পুনরায় অর্ডার করার রিমাইন্ডার পান।

জ. নিয়মিত ইনভেন্টরির হিসেব রাখা:

আপনার যদি POS সিস্টেম থাকে; তাহলে নিয়মিতভাবে ইনভেন্টরি হিসেব করার ব্যবস্থা রাখুন।

ম্যানুয়ালভাবে ইনভেন্টরির হিসেব রাখাটা কিন্তু অনেকটাই জটিল হয়ে থাকে।

যদিও, আপনি একমাত্র ম্যানুয়ালভাবে অথবা অটোমেটিকভাবে এই স্টক মালের হিসেবে রাখতে পারবেন।

সেক্ষেত্রে, আপনি POS সিস্টেমের মাধ্যমে কোয়ান্টিটি এন্ড হ্যান্ড, বার্ষিক ইনভেন্টরি কাউন্ট এবং সাপ্তাহিক/মাসিক সাইকেল কাউন্টের মাধ্যমে এই স্টক মালের হিসেব রাখতে পারেন।

ঝ. হিসেবের অসঙ্গতি মেটানো:   

অনেক সময়েই আপনার ইনভেন্টরির হিসেব আপনার পণ্যের স্টকের সাথে নাও মিলতে পারে।

তাই, কোনো পণ্যের হিসেবে গরমিল হলে কিংবা প্রোডাক্ট হারিয়ে গেলে আপনার উচিত সময়মতো হিসেবের অসঙ্গতি মেটানো বা সিস্টেমের ভাষায় রিকনসাইল করে নেওয়া।

নাহলে, আপনার ট্যাক্স পেমেন্ট এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪. মাল বিক্রির বাজার/ক্রেতা/রিটেইলার/ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যবস্থা করা:

মাল স্টকের পর বিক্রি করাটাও কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা ধাপ।

কারণ, কাস্টমার না পেলে, স্টক থাকা মাল বিক্রি না করতে পারলে এই ব্যবসা করে কোনো লাভ নেই।

সুতরাং, আপনাকে নিজের রিটেইলার বা ডিস্ট্রিবিউটদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার স্টক মাল বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।

এখানে, আপনি আপনার কাছাকাছি এলাকার বাজার-দোকান কিংবা অনলাইন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও আপনার পণ্য সরাসরি ডিলার বা কাস্টমারদের বিক্রি করতে পারেন।

 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, কিভাবে stock goods business শুরু করা যাবে নিয়ে লিখা আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হলো। 

লেখাটি পছন্দ হলে অবশ্যই সেটা বিভিন্ন social media platform গুলোতে share করবেন। 

এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top