কিভাবে স্টাইলিশ হওয়া যায় | স্টাইলিশ হওয়ার সেরা ১০টি উপায়

কিভাবে স্টাইলিশ হওয়া যায় ? স্টাইলিশ হওয়ার উপায় গুলো কি কি ? আমাদের আজকের আর্টিকেল এই বিষয় নিয়েই রয়েছে। নিচে দেওয়া টিপস গুলো অনুসরণ করে আপনিও স্টাইলিশ হয়ে উঠতে পারবেন।

স্টাইলিশ হওয়ার উপায়
নিজেকে ফিটফাট এবং স্টাইলিশ রাখার উপায়।

আর্টিকেলেটির মধ্যে থাকছে, ১০টি বাছাই করা উপায় যেগুলো অনুসরণ করে নিজেকে স্টাইলিশ এবং আকর্ষণীয় করে নিতে পারবেন

আজকের এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে নিজেকে সবাই আপ-টু-ডেট রাখতে পছন্দ করে।

এখন আট-থেকে-আশি সকলেই কম-বেশি গ্লোবাল-স্টাইল স্টেটমেন্টের ব্যাপারে সচেতন।

স্মার্টফোনের ক্যামেরার পিক্সেল যত বাড়ছে, ততো বেশি করে মানুষ নিজের পোশাক-পরিচ্ছদ ও লাইফস্টাইল সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠছে। 

এখন ব্যাপারটা হল, সব মানুষ তো আর ফ্যাশন বা স্টাইল সম্পর্কে সব সময় আপডেটেড থাকেন না, অথচ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে দাঁড়িয়ে তারা একবার নয় একবার স্টাইলিশ হওয়ার উপায় সম্পর্কে কোনো না কোনোভাবে সন্ধান চালিয়েছেন।

আর, আজকে আমাদের আর্টিকেলটি হল সেইসব মানুষদের জন্যে যাদের প্রশ্ন যদি হয়ে থাকে কিভাবে স্টাইলিশ হওয়া যায়!

১০টি স্টাইলিশ হওয়ার গাইডলাইন । স্টাইলিশ হওয়ার উপায়

আপনি পুরুষ হন বা নারী, স্টাইল কিন্তু প্রত্যেক মানুষের জন্যেই স্বাধীন মতামত পোষণের বিষয়।

আপনাকে যে স্টাইলিশ হতে গেলে সবসময় ফ্যাশন সেন্স থাকতে হবে তা কিন্তু নয়।

আসলে স্টাইলিশ ব্যক্তিত্বের জন্যে প্রয়োজন কিছু মাত্র যুগান্তকারী উপদেশ বা নির্দেশ, যা আপনি সহজেই পেতে চলেছেন এই লেখা থেকে। 

তাহলে চলুন, নিজেকে কিভাবে স্টাইলিশ এবং আকর্ষণীয় করে তোলা যাবে সেই সম্বদ্ধে থাকা আমাদের টিপস গুলো নিচে দেখেনেই। 

১. পোশাকের পারফেক্ট ফিটিং হওয়া জরুরি:

পুরুষ কিংবা মহিলা যেই হোক না কেন, পোশাক যদি গায়ে ঠিক মতো না ফিট করে, তবে কোনোভাবেই সেক্ষেত্রে তাকে স্টাইলিশ দেখাতে পারে না। স্টাইলিং সুন্দর হওয়ার জন্যে প্রয়োজন একদম সঠিক ফিটিং-এর। 

গায়ের জামা যদি অতিরিক্ত ঢিলে-ঢালা হয় কিংবা খুব বেশি টাইট হয়, তবে আপনার নিজেরই তা পরে অস্বস্তি বোধ হবে।

আর, যদি কোনো জামাকাপড় পড়ে অস্বস্তিবোধ করেন, তাহলে সেটা আপনার হাঁটা-চলা কিংবা চালচলনের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

তাই, যদি নিজেকে স্টাইলিশ হিসেবে অন্যদের কাছে প্রেসেন্ট করতে চান, তবে অবশ্যই নিজের জামাকাপড়ের ফিটিং-এর উপর বিশেষ নজর দিন।

সবথেকে ভালো হয়, যদি আপনি কোনো দর্জির কাছ থেকে নিজের পোশাক তৈরী করান। 

এতে, আপনার জামার ফিটিং যেমন পারফেক্ট হয়, তেমনই আপনি নিজেও ভিতর থেকে কমফোর্টেবল ফীল করবেন।

আপনি আপনার ড্রেসে কমফোর্টেবলে থাকলে তবেই সেটা আপনার এপিয়ারেন্সকে স্টাইলিশ করে তুলতে সাহায্য করবে।

এছাড়াও, রেডিমেড বা কেনা পোশাকের ক্ষেত্রে প্রয়োজনমতো অল্টার করতে একেবারেই ভুলবে না, কারণ স্টাইলের সাথে নো কম্প্রোমাইস!

২. নিজের ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব তৈরী করা:

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির মতে নিজেকে স্টাইলিশ দেখানোর জন্যে আপনার সবার আগে প্রয়োজন একটি ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব তৈরী করা।

এই ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব, আসলে কিছুই না, ওয়ার্ডরোব প্ল্যানিং অনুযায়ী, আপনাকে কতকগুলো ড্রেস, একসেসোরি, জ্যাকেট ও জুতো একদম সঠিকভাবে কম্বিনেশন করে সেট করে রাখতে হবে। 

যেটা, আপনার ব্যক্তিত্ব, লুক্স ও গায়ের রঙের সাথে একেবারে মানানসই হয়।

আপনি, যদি পুরুষ হন তবে, আপনার উচিত আপনার কোমরে ও পায়ে ফিট করে এমন একজোড়া জিন্স, তার সাথে পারফেক্ট-ফিটিং নিউট্রাল কালারের শার্ট, ম্যাচিং বেল্ট, পার্স, ও জুতো ম্যান্ডেটরিলি আপনার ওয়ার্ডরোবে অ্যাড করা।

আর, আপনি যদি মহিলা হন তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই ফিটিং জিন্সের পাশাপাশি আপনাকে আমার পছন্দের স্কার্ট, ড্রেস ও তার সাথে ম্যাচিং একসেসোরি আপনার কমফোর্ট অনুযায়ী ম্যাচ করে রেডি রাখতে হবে।

এই বেসিক ড্রেস আর একসেসোরি যদি আপনার সংগ্রহে থাকে তাহলে আপনি আরামসে মিক্স-এন-ম্যাচ করে এই ওয়ার্ডরোবের সাহায্যে নিজেকে স্টাইলিশভাবে প্রেসেন্ট করতে কাজ লাগাতে পারবেন।

৩. ড্রেসিং-এর সময় প্রপোরশনের কথা মাথায় রাখুন:

স্টাইল বা ফ্যাশানের ক্ষেত্রে প্রপোরশন বা অনুপাত বেশ একটা বড় ভূমিকা পালন করে।

নারী ও পুরুষ উভয়কেই নিজেদের শরীরের আকার, উচ্চতা ও বডি ওয়েইটের উপর নির্ভর করে তাদের পোশাক নির্বাচন করা উচিত।

আর, পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনার বডি প্রপোরশনও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। 

পুরুষ বা মহিলা, আমাদের সবারই উচিত নিজেদের বডি শেপ অনুযায়ী ড্রেস নির্বাচন করা।

বডি প্রপোরশনের নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে এমন আউটফিট বাছতে হবে, যাতে আপনাকে এসথেটিক্যালি দেখতে আকর্ষণীয় বা সুন্দর লাগে।

আমরা হলফ করে বলতে পারি, সব মানুষকে সবরকম আউটফিটে মানায় না। 

স্টাইলের একটা সিম্পল রুল আছে, যদি আপনি টাইট প্যান্ট পরেন, তবে অবশ্যই চেষ্টা করবেন উপরের শার্ট কিংবা টপটাকে লুস ফিটিং রাখার।

আবার অন্যদিকে যদি ঢোলা-ঢালা প্যান্ট পরেন, তবে অবশ্যই টপ বা শার্টটাকে টাইট-ফিটিং পরার চেষ্টা করবেন। 

এতে আপনাকে অনেকটাই স্টাইলিশ দেখাবে।

আর আপনি যদি মহিলা হন, তবে টাইট-ফিটিং স্কার্ট বা প্যান্টের সাথে এক্ষেত্রে পাফ-সৌল্ডার টপ পরতে পারেন।

আবার লুস ফিটিং প্যান্টের সাথে ক্রপ টপ বেশ স্টাইলিশ দেখাতে সাহায্য করে। 

৪. নিজের পার্সোনাল স্টাইল তৈরি করুন:

ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সব মানুষেরই নিজস্ব ব্যক্তিত্ব আর স্টাইল থাকে।

আর, আপনার পার্সোনালিটির সাথে কি ধরণের ড্রেস ভালো মানায় সেটা আপনাকেই ডিসাইড করতে হবে।

যদিও আমরা জানি, ‘আপ রুচি খানা আর পর রুচি পহেন না”, অর্থাৎ নিজের পছন্দে খাওয়া আর পরের পছন্দের জামা-কাপড়ই সব থেকে ভালো মানায়। 

তাই, এক্ষেত্রে আপনি আপনার কাছের মানুষদের সাথে শলা-পরামর্শ করে জামাকাপড় নিজের স্টাইল মতো অর্গানাইজ করতে পারেন।

কিন্তু, তার জন্যে আপনার প্রয়োজন নিজের চরিত্র, পেশা ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে বোঝা, যা আপনার স্টাইলিং সেন্সকে অনেকটাই প্রভাবিত করে।

তবে, নিজের স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরী করতে গেলে অনেকটা সময়ই লেগে যেতে পারে।

কিন্তু, স্টাইলিস্টদের মতে, আমাদের সবারই মুডবোর্ড তৈরী করা উচিত।

এই মুডবোর্ড অনুযায়ী আপনি আপনার ড্রেসের ধরণ, রং ও থিম বাছবেন আর সেই অনুযায়ী আপনি আপনার নিজের স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরী করবেন।

এটা মোটেও একদিনের কাজ নয়। 

এর জন্যে আপনাকে দিনের পর দিন নিজের সাজসজ্জা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে যেতে হবে।

আপনাকে নিজেকে দেখতে হবে কিরকম রং, পোশাক ও চুলের স্টাইল আপনার চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করছে। 

কারোর শারীরিক গঠন কারোর সাথে হুবহু মেলে না, তাই নিজের পার্সোনাল স্টাইল খুঁজে পেতে আপনার উচিত রং ও জামার শেপ নিয়ে নানারকমের এক্সপেরিমেন্ট করা, যাতে আপনি আপনার জন্যে বেস্টটা তা খুঁজে বের করতে পারেন।

৫. ভালো ক্রেতা হয়ে উঠুন:

সত্যি কথা বলতে, আমাদের সবার ওয়ার্ডরোবেই এমন একটা না একটা জামা রয়েছে, যা আমরা কোনোদিনই গায়ে দিইনা।

এরকম বিস্তর জামায় যদি আপনার ওয়ার্ডরোব ভর্তি থাকে, তবে আপনার সেগুলোকে আগে বিদায় জানানো উচিত। 

আর, এরপর থেকে যেসব জামাকাপড় আপনি বাছবেন, তা অবশ্যই শান্ত মাথায় নির্বাচন করবেন।

আপনার ওয়ার্ডরোব যদি আপনার প্রিয় পোশাকে ভর্তি থাকে, তা থেকে খুব সহজেই আপনি আপনার স্টাইলাইজড পোশাক পেয়ে যেতে পারবেন।

নিজের প্রতিটা একসেসোরি, জুতো, ও পোশাক কেনার আগে ভালো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া একান্ত জরুরি।

৬. নিজের স্টাইল সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী হন:

কনফিডেন্স ইস দ্য বেস্ট স্টাইল ওয়ান ক্যান ওয়ার, মানে বিশ্বাসই হল আপনার সব থেকে বড় স্টাইল।

আপনি যে পোশাকই পরুন না কেন, যদি আপনি নিজের সাজসজ্জার ব্যাপারে বিশ্বাসী বোধ না করেন, তবে কখনওই আপনাকে সেই ড্রেসে স্টাইলিশ লাগতে পারে না। 

তাই, স্টাইল করার আগে প্রয়োজন আপনার পার্সোনালিটি ডেভেলপমেন্ট।

অর্থাৎ, আপনার ব্যক্তিত্বে যদি দৃঢ়তা থাকে তবে আপনি যাইই পরুন না কেন, আপনাকে স্টাইলিশ দেখাতে বাধ্য। 

আপনার হাঁটা-চলা, কথা বলার ধরণ সবই আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন।

তাই, নিজের আচার-ব্যবহার, চালচলনের প্রতি দৃষ্টিশীল হন।

মানুষের সাথে কথা বলুন চোখে চোখ রেখে, তাতে আপনাকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী দেখায়। 

আর, হাসি মুখে অন্যের সাথে কথা বললে, মানুষ আপনার ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় বলে মনে করবে।

তাই আপনি যদি নিজে কনফিডেন্ট থাকেন, তবে যেকোনো ড্রেসেই আপনাকে পারফেক্ট লাগবে।

৭. পোশাকের রং নিয়ে খেলুন:

আপনি যদি নিউট্রাল কালার থেকে সরে অন্য কিছু ট্রাই করতে চাইছেন, তবে আপনি কোনো একটা রঙিন পোশাক দিয়ে শুরু করতে পারেন।

তবে, আপনি যদি রং নির্বাচনের ব্যাপারে দোনামোনা করেন, তবে আপনার আউটফিটের যেকোনো একটা পার্ট কালারফুল বাছুন, আর বাকি আউটফিটটা নিউট্রাল কালারের উপর রাখুন।

এরপর ধীরে ধীরে যখন আপনি আপনার কালার সিলেকশনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন, তখন আপনি নিজেই আপনার জন্যে মানানসই কালার কম্বিনেশন বাছতে পারবেন।

৮. অর্গানাইজড থাকাটা একান্ত আবশ্যক:

আপনি পুরুষ বা মহিলা, যেই হোন না কেন, আপনাকে দেখতে যদি অপরিষ্কার লাগে, তবে আপনি কোনোভাবেই স্টাইলিশ হিসাবে নিজেকে উপস্থাপিত করতে পারবেন না।

তাই সবার আগে প্রয়োজন নিজেকে টিপটপ রাখা। আপনি মহিলা হলে আপনার চুল, নখ, ত্বক সম্পর্কে যত্নশীল হন।

নিজের মেকআপ সম্পর্কেও রুচিশীল হন।

আর, পুরুষদের মধ্যে যারা ক্লিন-সেভড থাকতে পছন্দ করেন, তারা অবশ্যই নিয়মিত শেভ করুন, চুলের হেয়ারস্টাইল মেইনটেইন করুন।

আর আপনি যদি বিয়ার্ড লুক পছন্দ করেন, তবে রেগুলার ট্রিম আপনাকে পরিপাটি রাখতে সাহায্য করে।

আপনার পরিষ্কার থাকা আপনাকে অনেকটা ফ্রেশ ও স্টাইলিশ দেখতে সাহায্য করে।

৯. জুতো, একসেসোরি ও বেল্ট নির্বাচনে যত্নশীল হন:

কথায় আছে, মানুষের সবসময় জুতোর দিকেই প্রথম নজর যায়।

আসলে, জুতোর পরিষ্কার-অপরিষ্কার থাকার উপর আপনার ব্যক্তিত্ব প্রতিফলিত হয়।

তাই মানুষ অলক্ষ্যেই আপনার জুতোর দিকে তাকায়। তাই, জুতো নির্বাচনের ব্যাপারে নারী, পুরুষ উভয়কেই বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

এছাড়াও, স্টাইলিস্টরা বলেন বেল্ট যেকোনো ড্রেসের লুক চেঞ্জ করতে বেশ সাহায্য করে।

আবার, আপনার একসেসরি নির্বাচনের সময় অকেশন, সময় ও পরিবেশের কথাও মাথায় রাখা জরুরি। 

১০. ফ্যাশন ম্যাগাজিনে চোখ রাখুন:

ফ্যাশনও কিন্তু একধরণের আর্ট ফর্ম। তাই, আমাদের ফ্যাশন বুঝতে গেলে প্রয়োজন নানাধরণের ফ্যাশন ম্যাগাজিনের পাতায় চোখ রাখা।

এগুলো থেকে আপনি সহজেই স্টাইলিশ হওয়ার টিপস পেতে পারেন।

এছাড়াও, নিয়মিত এই ম্যাগাজিনে চোখ রাখলে আপনি নিজের ফ্যাশন সেন্স ভালোভাবে তৈরী করতে পারেন।

তাছাড়া, আপনাদের প্রিয় সেলেব্রেটিদের স্টাইলিং-ও আপনারা ফলো করতে পারেন।

বিভিন্ন ধরণের ফ্যাশন শোগুলো থেকেও কিন্তু স্টাইলিশ হওয়ার অনুপ্রেরণা পেতে পারেন। 

আর, আজকালকার দিনে ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, ফেইসবুকে অনেক সেলেব্রেটি ও ফ্যাশন ওয়ার্ল্ডের গুরুত্বপূর্ণ লোকজনকেও ফলো করতে পারেন লেটেস্ট ফ্যাশন ট্রেন্ড সম্পর্কে জানতে।

এখনকার দিনে ফ্যাশন ও স্টাইলিং অনেক বেশি স্বাধীন ও বৈচিত্র্যময়। 

আসলে, আপনি যেই জিনিসে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ও সুন্দরভাবে তা ক্যারি করতে পারেন, তাইই হল আসলে কিন্তু স্টাইল।

স্টাইল করতে গেলে আপনাকে নিজেকে পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন কেবলমাত্র স্টাইলের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্বকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার।

আমাদের আজকের এই ‘কিভাবে স্টাইলিশ হওয়া যাবে’ আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল।

লেখাটি সম্পর্কে আপনাদের মতামত অবশ্যই আমাদের জানাবেন কমেন্টের মাধ্যমে। 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম, কিভাবে নিজেকে স্টাইলিশ করে তুলতে পারবেন বা কিভাবে স্টাইলিশ হওয়া যায়আশা করছি, এই স্টাইলিশ হওয়ার উপায় গুলো আপনারা অবশই অনুসরণ করবেন। 

আমাদের আজকের আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে অবশই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন। এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top