১৫ টি স্মার্ট ব্যবসা আইডিয়া গুলোর তালিকা বাংলাতে – (Smart business ideas)

আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা বর্তমানে ট্রেন্ডে থাকা কিছু স্মার্ট ব্যবসা আইডিয়া (smart business ideas in Bangla) গুলোর বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করতে চলেছি। আশা করছি প্রত্যেকটি ব্যবসার আইডিয়া বা ব্যবসার ধারণা গুলো আপনাদের অবশই পছন্দ হবে।

Smart business ideas in Bangla.

যখন আপনার নিজের ব্যবসা থাকবে, তখন সেটা ছোট হলেও সেখানে আপনি আপনার নিজের মালিক বা বস (boss).

ব্যবসার মাধ্যমে আপনি নিজের জন্য একটি স্বাধীন এবং বস ফ্রি (boss free) জীবনের শুরু করতে পারবেন।

বিগত কিছু বছরের মধ্যে দেখা গেছে যে নতুন করে শুরু হওয়া স্টার্টআপ (startups) প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর মানে এটাই যে, বিগত কিছু বছর থেকেই লোকেরা নিজেদের ব্যবসা শুরু করার মধ্যে প্রচুর রুচি রাখছেন।

তবে, একটি ব্যবসা শুরু করার আগেই আমাদের মনে প্রচুর নেতিবাচক (negative) চিন্তাধারা চলে আসতে দেখা যায়।

যেমন, আমার ব্যবসা কি সফল হবে ?, জিনিস বিক্রি হবে কি না ?, গ্রাহক আসবে তো ?, আমি কি ব্যবসা করতে পারবো ?, লাভ কতটুকু হবে ?

ব্যবসা শুরু করার আগেই, এই ধরণের চিন্তাধারা গুলোর কারণে ৭৫% লোকেরা তাদের ব্যবসা শুরু করার আগেই নিরাশ হয়ে হার মেনে নেন।

কিন্তু মনে রাখবেন, যদি আপনি একটি সেরা, লাভজনক এবং স্মার্ট ব্যবসার আইডিয়ার সাথে ব্যবসা শুরু করতে পারেন, তাহলে সফলতার সুযোগ প্রচুর পরিমানে বেড়ে যাবে।

আর এই উদ্দেশ্যেই, আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি আপনাদের সাথে এমন কিছু ব্যবসার ধারণা গুলো শেয়ার করতে চলেছি, যেগুলো বর্তমানে ট্রেন্ডে রয়েছে এবং যেগুলোকে বলা হয় বর্তমানের “স্মার্ট বিজনেস আইডিয়াজ“.

সেরা ১৫ টি  স্মার্ট ব্যবসা আইডিয়া – (Smart business ideas in Bengali)

তাহলে চলুন, নিচে আমরা সেই প্রত্যেকটি ব্যবসা গুলোর বিষয়ে জেনেনেই যেগুলোকে ২০২১ সালের smart business ideas হিসেবে ধরা হয়।

১. Blogging

আপনারা হয়তো ভাবতেও পারবেননা যে ব্লগিং আজকের সময়ে কতটা দারুন এবং লাভজনক একটি অনলাইন ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্লগিং করে ব্যক্তি লাখ লাখ টাকা অনেক সহজেই ইনকাম করতে পারছেন।

Blogging হলো সম্পূর্ণ একটি আধুনিক এবং স্মার্ট বিজনেস যেটাকে আপনি সম্পূর্ণ প্রফেশনাল ব্যবসা হিসেবে পার্ট-টাইম বা ফুল-টাইম হিসেবে শুরু করতে পারবেন।

তবে মনে রাখবেন, ব্লগিং এর বিজনেস থেকে অনলাইন ইনকাম করার জন্য আপনাকে কমেও ৬ মাস থেকে ১ বছর ধর্য্য ধরে নিয়মিত কাজ করতে থাকতে হবে।

এমনিতে একটি ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করার সব থেকে সোজা এবং লাভজনক উপায় হলো “বিজ্ঞাপন (advertisements)“.

বিজ্ঞাপন ছাড়াও, এফিলিয়েট মার্কেটিং (affiliate marketing) এবং পেইড প্রমোশন (paid promotion) হলো ব্লগ থেকে ইনকাম করার জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম।

এছাড়া, এই ব্যবসা আপনারা সম্পূর্ণ ফ্রীতে কোনো টাকা না লাগিয়েই শুরু করতে পারবেন।

ব্লগিং করে কিভাবে অনলাইন টাকা ইনকাম করা যাবে এবিষয়ে অধিক জানার জন্য আমাদের এই আর্টিকেল অবশই পড়ুন – ব্লগ কি ? কিভাবে টাকা আয় করা যায় ?

২. YouTube channel

Blogging এর মতোই YouTube channel business হলো বর্তমানের সেরা এবং আধুনিক online business idea যেটা সম্পূর্ণ স্মার্ট এবং লাভজনক।

এখানেও আপনারা বিজ্ঞাপন দেখিয়ে, পেইড প্রমোশন করে, এফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

লোকেরা নিজেদের একটি ফ্রি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ঘরে বসে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন।

এই অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে এক টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হবেনা, তবে কাজ করার জন্য আপনার একটি laptop বা computer এর প্রয়োজন হবে।

Blogging এর মতোই এই business সম্পূর্ণ part-time হিসেবে যেকোনো অন্য কাজের সাথে চালিয়ে যেতে পারবেন।

ইউটিউব ব্যবসার বিষয়ে অধিক জানার জন্য আপনারা আমাদের এই আর্টিকেল অবশই পড়ুন।

>> অবশই পড়ুনকিভাবে ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয় করা যায় ?

৩. Affiliate marketing

এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো বর্তমান সময়ের সেরা এবং সব থেকে অধিক লাভজনক অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া।

এই ব্যবসা সম্পূর্ণ অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে করতে হয় এবং এখত্রেও আপনি কোনো টাকা বিনিয়োগ না করে সম্পূর্ণ ফ্রীতে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

এখানে আপনাকে অন্যান্য বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা কোম্পানি গুলোর product বা services গুলোকে প্রচার এবং বিক্রি করতে হয় যার ফলে কোম্পানি গুলোর তরফ থেকে আপনাদের কিছু কমিশন দেওয়া হয়।

এই ব্যবসা আপনারা পার্ট-টাইম বা ফুল-টাইম নিজের ঘর থেকে বা যেকোনো জায়গার থেকে করতে পারবেন।

আপনার প্রয়োজন হবে কেবল একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট কানেকশন এর। এই ব্যবসার বিষয়ে অধিক জেনেনেওয়ার জন্য নিচে দেওয়া আর্টিকেল অবশই পড়ুন।

>> এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ? 

৪. Freelancing

ফ্রিল্যান্সিং (freelancing) অবশই বর্তমানের একটি অনেক লাভজনক, আধুনিক এবং স্মার্ট ব্যবসার ধারণা যেটাকে বিশ্বজুড়ে প্রচুর লোকেরা করছেন এবং লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন।

Freelancing business করার জন্য আপনার মধ্যে একটি বিশেষ দক্ষতা বা জ্ঞান থাকতে হবে যেটার মাধ্যমে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এই business আপনারা পার্ট-টাইম বা ফুল-টাইম দুটো ভাবেই শুরু করতে পারবেন এবং সম্পূর্ণ ফ্রীতে এই কাজ শুরু করা যাবে।

আপনার কাছে একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই হয়ে যাবে, এর থেকে অধিক কোনো জিনিসের প্রয়োজন হবেনা।

ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে অন্যান্য ব্যক্তিদের জন্য চুক্তি হিসেবে কাজ করতে হয়।

উদাহরণ স্বরূপে, ধরুন আপনি website designing এবং development এর কাজ জানেন,

এক্ষেত্রে, আপনি অন্যান্য ব্যক্তিদের জন্য স্বাধীন ভাবে website design এবং develop করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এভাবেই, হাজার হাজার রকমের আলাদা আলাদা কাজ বা দক্ষতা গুলো রয়েছে যেগুলোর সেবা প্রদান করে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর বিষয়ে অধিক জানার জন্য নিচে দেওয়া আর্টিকেল অবশই পড়ুন –

>> ফ্রিল্যান্সিং কি ? কিভাবে ইনকাম করবেন  

৫. Courier service

কুরিয়ার সেবার মূল কাজ হলো পার্সেল গুলোকে প্যাক (packing) করা এবং সেগুলোকে একটি জায়গার থেকে আরেকটি জায়গাতে পোঃছে দেওয়া (deliver).

এক্ষত্রে একটি সম্পূর্ণ management এবং সাথে কিছু বাহনের (vehicles) প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আপনাকে করতে হবে কেবল,

  • পার্সেল গুলোকে সংগ্রহ করতে হবে।
  • নির্ধারিত জায়গাতে পার্সেল গুলোকে ডেলিভারি করতে হবে।
  • সেবা প্রদানের বিপরীতে টাকা নিয়ে নিতে হবে।

একটি কুরিয়ার সেবা শুরু করার জন্য আপনাকে প্রায় ২৫ থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত টাকা খরচ করতে লাগতে পারে।

একটি ছোট বা পার্ট-টাইম ব্যবসা হিসেবেও আপনি এই কুরিয়ার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

৬. Content writer / creator business

আজকাল প্রায় প্রত্যেকটি ব্যবসা অনলাইনে সক্রিয় হওয়া দেখা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে, বিভিন্ন কোম্পানি এবং ব্যবসা গুলোর online blogs, social media pages বা channel ইত্যাদি রয়েছে।

তাই, এই ধরণের blogs বা social media pages গুলোতে কনটেন্ট / articles লিখে পাবলিশ করার জন্য বিভিন্ন কনটেন্ট রাইটার্স দের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে, আপনি যদি লেখালেখি করে ভালো পান বা স্পষ্ট এবং সুন্দর ভাবে সাজিয়ে লিখার কৌশল যদি আপনার মধ্যে রয়েছে, তাহলে অবশই এই কনটেন্ট রাইটিং এর ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারবেন।

আপনি এই কাজ কোনো টাকা না লাগিয়ে একেবারে ফ্রীতে শুরু করতে পারবেন।

কাজটি করার জন্য আপনার কাছে একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই কাজ হয়ে যাবে।

কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ করে কলেজে পড়া ছাত্ররা পর্যন্ত ঘরে বসে পার্ট-টাইম কাজ করে হাজার হাজার টাকা প্রত্যেক মাসে আয় করছেন।

এখানে আপনাকে কি করতে হবে  – 

  • কোম্পানি বা ব্লগ এর মালিকের সাথে যোগাযোগ করে কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ খুজুন।
  • সম্পূর্ণ প্রফেশনাল ভাবে আর্টিকেল লিখুন এবং সঠিক সময়ে আর্টিকেল জমা দিন।
  • ধীরে ধীরে অধিক ক্লায়েন্ট বেশ (client base) তৈরি করুন।
  • নিজের লিখা প্রত্যেকটি আর্টিকেলের বিপরীতে ক্লায়েন্ট এর থেকে টাকা আয় করুন।

৭. খাওয়ার জলের ব্যবসা

খাওয়ার জল যেকোনো দোকানে, ঘরে, ছোট-বড় যেকোনো হোটেলে ইত্যাদি সব খানেই ব্যবহার হয়ে থাকে। তাই, যদি আপনি খাওয়ার জলের ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে প্রচুর লাভ আয় করতে পারবেন।

আপনি চাইলে কোম্পানির জলের বোতল এবং ড্রাম গুলো কম দামে কিনে জায়গায় জায়গায় এবং দোকানে দোকানে সাপ্লাই দিয়ে ভালো মুনাফা আয় করতে পারবেন।

এছাড়া, এই ব্যবসা বড় স্তরে শুরু করতে হলে, আপনাকে নিজের একটি প্লান্ট (plant) বসাতে হবে যার জন্য প্রচুর টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

৮. অনলাইনে টিউশনি করানো

আপনি হয়তো ভাবছেন যে, অনলাইনে টিউশনি করিয়ে আর কত টাকা আয় করা যাবে, ভাবছেন তো ?

তবে হয়তো আপনি জানেননা যে এই ধরণে অনলাইনে ক্লাস করিয়ে প্রচুর লোকেরা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে নিচ্ছেন।

আজকাল প্রত্যেক দেশেই এরকম প্রচুর online platforms গুলো রয়েছে, যেগুলোতে নিজেকে সংযুক্ত করিয়ে অনলাইন টুশন করাতে পারবেন।

এছাড়া, আপনি নিজেই zoom বা অন্যান্য online video calling apps গুলোর মাধ্যমে ছাত্রদের অনলাইন ক্লাস করাতে পারবেন।

অনলাইনে ক্লাস করানোর জন্য আপনার কোনো জায়গার প্রয়োজন হয়না। তাই, সম্পূর্ণ ক্লাস আপনারা নিজের ঘর থেকেই করিয়ে দিতে পারবেন।

আপনাকে কি করতে হবে –

  • অনলাইন ক্লাস করানোর জন্য আপনার মধ্যে কোনো বিশেষ বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা বা কৌশল থাকতে হবে।
  • ক্লাস করানোর জন্য ছাত্রদের খুঁজতে হবে এবং তাদেরকে রাজি করাতে হবে।
  • Skype/Facetime, zoom ইত্যাদি যেকোনো একটি ভালো online video conferencing software নিজের ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হবে।
  • আপনি আপনার ছাত্রদের ক্লাস করিয়ে ঘন্টা হিসেবে বা মাস হিসেবে টাকা নিতে পারবেন।
  • একজন online tutor হিসেবে আপনি মাসে প্রায় ৭০ হাজার থেকেও অধিক টাকা ইনকাম করার সুযোগ পাবেন।

৯. Online course selling

আজকাল প্রত্যেকেই ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান নিয়ে নিতে চাইছেন। এক্ষত্রে, আপনি একটি চাহিদা থাকা বিষয়ে তথ্যবহুল কোর্স তৈরি করে সেটাকে অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিক্রি করিয়ে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

  • আপনাকে একটি জনপ্রিয় এবং চাহিদা থাকা বিষয়ে কোর্স বানাতে হবে।
  • অনলাইন কোর্স তৈরি করার ক্ষেত্রে মূলত আপনাকে video, audio এবং অন্যান্য কনটেন্ট ব্যবহার করতে হবে।
  • নিজের তৈরি করা online course টি প্রচার করার ক্ষেত্রে social media, ads এবং affiliate marketing ইত্যাদির ব্যবহার করতে হবে।
  • এবার সঠিক ভাবে কোর্স এর প্রচার করার ফলে ধীরে ধীরে আপনার কোর্স বিক্রি হতে শুরু হয়ে যাবে।
  • এর পরে ধীরে ধীরে আপনার প্যাসিভ ইনকাম হতে শুরু হবে।
  • আজকাল অনলাইনের মাধ্যমে ভিডিও কোর্স গুলো বিক্রি করিয়ে লোকেরা ১০ থেকে ১৫ লাখ থাকা সহজেই আয় করে নিচ্ছেন। তবে, অধিক লাভ করার জন্য আপনাকে একটি চাহিদা থাকা এবং জনপ্রিয় বিষয়ে কোর্স তৈরি করতে হবে।

১০. Photographer

যদি আপনার কাছে একটি professional DSLR camera রয়েছে এবং আপনি ফটো এডিটিং সফটওয়্যার এর মধ্যে কাজ করতে জানেন, তাহলে অবশই ফটোগ্রাফার হিসেবে নিজের দারুন একটি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

আপনি চাইলে নতুন নতুন মডেল দের ফটোশুট করে তাদের পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারবেন।

এছাড়া, বিয়ে, জন্মদিন বা অন্যান্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান গুলোতে ফটো তুলার কাজ করে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

শুরুতে এই ব্যবসা পার্ট-টাইম হিসেবে শুরু করাটাই ভালো হবে, এবং পরে যখন আপনারা ভালো ক্লায়েন্ট বেস তৈরি হয়ে যাবে, তখন ফুল-টাইম বা প্রফেশনাল ভাবে ব্যবসাটি চালিয়ে যেতে পারবেন।

বর্তমানে professional photography business একটি দারুন এবং স্মার্ট ব্যবসা গুলোর তালিকাতে ভালো স্থানে রয়েছে।

এখনের সময়ে আপনি এই ব্যবসা করে মাসে প্রায় ৫০ হাজার থেকে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন।

১১. Pet shop

আজকাল প্রায় প্রত্যেকের ঘরেই পোষা কুকুর বা বেড়াল রয়েছে। তাই, প্রত্যেকেই তাদের পোষা কুকুর বা বিড়ালের জন্য খাওয়ার বা অন্যান্য জরুরি জিনিস গুলো কিনে নিতে চান।

তবে, পোষা কুকুর বেড়ালের খাওয়ার পাওয়ার মতো দোকান ইত্যাদি অনেক কম পরিমানেই দেখা যায়।

তাই এই ধরণের দোকানের চাহিদা যেকোনো জায়গাতেই অনেক বেশি।

এক্ষেত্রে, আপনি একটি ভালো লোকেশনে দোকান নিয়ে এই ধরণের দোকান খুলতে পারলে প্রচুর লাভ আয় করতে পারবেন।

১২. টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা

আমরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন ধরণের সুন্দর সুন্দর লেখা এবং ডিজাইন থাকা টি-শার্ট গুলো পরতে পছন্দ করে থাকি।

টি-শার্ট গেঞ্জি গুলোর চাহিদা বছরের প্রত্যেক সময়েই থেকে থাকে।

এক্ষত্রে, আপনি একটি টি-শার্ট প্রিন্টিং মেশিন কিনে নিয়ে নিজের একটি টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

এই কাজ শুরুতে ঘর থেকেই করতে পারবেন।

প্রিন্টিং মেশিন এর সাথে সাথে আপনাকে এক রঙের কিছু গেঞ্জি গুলো কিনে রাখতে হবে যেগুলোতে সুন্দর সুন্দর ডিজাইন, লেখা বা লোগো প্রিন্ট করে সেগুলোকে অধিক দামে বিক্রি করতে পারবেন।

অনলাইনে এবং অফলাইনে দুটো মাধ্যমেই এই ব্যবসা করতে পারবেন।

এই ব্যবসা করে আপনি প্রত্যেক মাসে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করার সুযোগ পাবেন।

১৩. বিয়ের কার্ড প্রিন্টিং

আমরা যখনি কিছু লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া গুলোর কথা বলে থাকি, তখন এই ধরণের ইউনিক ব্যবসার ধারণা গুলো আমাদের চোখে সহজে পড়েনা।

তবে জেনে রাখুন, বিয়ের কার্ড ছাপানো এবং ডিজাইন করার ব্যবসা কিন্তু সাংঘাতিক লাভজনক একটি ব্যবসা।

এই ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনাকে একটি প্রিন্টিং মেশিন কিনতে হবে যেটা মূলত কার্ড ছাপানোর জন্য তৈরি করা হয়।

বিয়ের কার্ড ছাড়াও, জন্মদিনের কার্ড, নিউ ইয়ার গ্রিটিংস, ভিসিটিং কার্ড ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের কার্ড গুলো ডিজাইন করে আপনারা ভালো মুনাফা আয় করতে পারবেন।

১৪. Fast Food Business

ফাস্ট ফুড যদি খেতে ভালো হয়ে থাকে, তাহলে দূর দূর থেকেও গ্রাহক আপনার দোকানের মোমো, চাওমিন ইত্যাদি খেতে চলে আসবে।

এই ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনি একটি ছোট দোকান নিয়ে শুরুতে কেবল ৩ থেকে ৪ পদের ফাস্ট ফুড আইটেম বানিয়ে বিক্রি করুন।

যদি আপনার বানানো খাওয়ার গ্রাহকেরা পছন্দ করে থাকেন, তাহলে অবশই ব্যবসার থেকে প্রচুর মুনাফা আয় করতে পারবেন।

ফাস্ট ফুড এর দোকান বছরের প্রত্যেক মাসেই আপনাকে ভালো মুনাফা আয় করে দিতে সাহায্য করবে।

১৫. App building services

আপনারা চাইলে app তৈরি করে প্রচুর পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তবে, এক্ষত্রে আপনাকে ভালো app developers দের কাজে নিতে হবে বা আপনাকে app development শিখতে হবে।

আজকাল প্রায় প্রত্যেক ব্যবসা গুলো নিজেদের একটি app তৈরি করে নিতে চাইছেন, এক্ষত্রে app development service এর চাহিদা কিন্তু বাজারে প্রচুর রয়েছে।

আপনি ভিন্ন organization, business, companies ইত্যাদির জন্য apps গুলো develop করে ভালো মানের profit ইনকাম করতে পারবেন।

 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা সেরা এবং লাভজনক কিছু স্মার্ট ব্যবসা আইডিয়া গুলোর বিষয়ে জানতে পারলাম। আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের প্রচুর কাজে আসবে।

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার অবশই করবেন।

এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link