ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার সেরা উপায় গুলো কি

বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেল আমরা জানবো ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার কিছু লাভজনক উপায় গুলোর বিষয়ে। 

বর্তমান যুগে ইন্টারনেটের ব্যাপকতার জন্য আমাদের সবার মধ্যে অনলাইন দুনিয়ায় ইনকামের সুযোগ অনেক বেড়ে দাঁড়িয়েছে।

একজন ছাত্র হিসেবে অনলাইনে সময় কাটানোর সাথে সাথে আমরা সবাই জেনে নিতে চাইছি অনলাইনে বর্তমানে কি কি ভাবে ইনকাম করা যায়।

কেননা, আজকের এই সময়ে পার্ট-টাইম ইনকাম না করে থাকলে ছাত্র দের অনেক সমস্যা হয়ে থাকে।

ছাত্র হিসেবে অনলাইনে টাকা আয় করলে আমাদের যে যে সুবিধাগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে, তা হল  –

  • আমাদের অবসর সময়ে বাড়িতে বসে ইনকাম করা যাচ্ছে।
  • বাইরের দুনিয়ায় অর্থাৎ অন্যান্য দেশের কাজের ধরনের সাথে পরিচিত হতে পারছি।
  • বিভিন্ন রকমের  আধুনিক এবং ডিজিটাল কাজ করার কৌশলের সাথে সাথে আমাদের অভিজ্ঞতা অনেকটায় বেশি ভালো হচ্ছে।
  • এই কাজ গুলোকে ভবিষ্যতে ফুল-টাইম হিসেবে নিয়েও করা যাবে।

এই সমস্ত সুবিধাগুলো মাথায় রেখে আমরা যদি দেখি, তাহলে এই অনলাইনে ইনকাম করার সবচেয়ে সুবিধা পাচ্ছে ছাত্ররা।

কারন

  • ছাত্রদের পড়াশোনার পাশাপাশি ইনকামের সুযোগ রয়েছে অনেক বেশি।
  • তাদের কোনো টাকা invest করার দরকার পড়ছেনা।
  • এবং, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজের খরচ নিজেই চালিয়ে নিতে পারছেন।

অবশই পড়ুনএকটি ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে আয় করা যায় ?

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার সেরা উপায়

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
Online income ways for students in Bangla

আজকের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ ভাবে ছাত্রদের জন্য যারা ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করতে চাইছেন।

তাই, আজ আমরা জেনে নেব ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার সেরা উপায় গুলোর সম্পর্কে বিশদে।

ছাত্রদের অনলাইনে টাকা ইনকাম করার যে যে উপায়গুলো রয়েছে সেগুলো হলো –

১. ফটোগ্রাফি করে ইনকাম

ফটোগ্রাফি করে ইনকাম করার ব্যাপারটা এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে অনেকটায় ট্রেন্ডে রয়েছে।

কারন আমরা দেখতে পাচ্ছি ফটোগ্রাফি করার একটা নেশা সবার মধ্যেই রয়েছে এবং সেখান থেকে ফটোগ্রাফিকে একটা side income এর source হিসাবে অনেকেই নিতে চাইছে।

ফটোগ্রাফি করে ইনকামের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে stock photography market এর।

বিভিন্ন দেশি, বিদেশি কোম্পানি বিভিন্ন stock photography marketplace থেকে ফটো কিনে তাদের নিজেদের কাজে ব্যবহার করছে।

সেই সব কোম্পানিগুলো বিভিন্ন ডিজাইনের কাজে, অ্যাডের কাজে, ম্যাগাজিনের মধ্যে stock photo গুলো ব্যবহার করে থাকে।

সুতরাং indirectly দেখা যাচ্ছে stock photography marketplace বিভিন্ন ধরনের ফটোর চাহিদা রয়েছে ।

কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলোতে অ্যাকাউন্ট বানিয়ে ভালোরকমই ইনকাম করে নেওয়ার সুযোগ থাকছে।

Online photo sell করার জন্য কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হল –

  • Shutterstock
  • iStock
  • Picxy
  • Getty Images
  • Adobe Stock
  • Alamy
  • 123RF
  • Twenty20

এর বাইরেও আরো অনেক স্টক ইমেজ ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনারা নিজের ছবি গুলোকে বিক্রি করতে পারবেন।

২. সাবজেক্ট এক্সপার্ট হিসাবে কাজ

সাবজেক্ট এক্সপার্ট হিসাবে কাজ করার ব্যাপারটি তুলনামুলক একটি নতুন ধারনা।

এখন অনলাইনে বিভিন্ন এডুকেশন বেসড কোম্পানি আপনাকে সুযোগ দিচ্ছে তাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনার বিষয়ভিত্তিক knowledge কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে।

এখানে আপনি কিভাবে ইনকাম করতে পারবেন যদি জানতে চান তাহলে বলি,

এই ধরনের ওয়েবসাইটে থাকা বিদেশি ও দেশি দুই ধরনের ছাত্ররাই আপনাকে আপনার সাবজেক্টে প্রশ্ন করবে।

এবং আপনাকে সেই প্রশ্নের উত্তর লিখে তাদের দিতে হবে এবং আপনাকে তারা একটি উত্তরের জন্য কমপক্ষে ৫ দেওয়া যেতে পারে।

আপনি যত বেশি উত্তর দিতে পারবেন আপনি সেই অনুযায়ী রোজগার করবেন।

এই কাজ করার আগে আপনাকে আপনার যোগ্যতা অবশ্যই প্রমানসহ দেখাতে হবে তারপরই আপনি কাজ করতে পারবেন।

এখানে আপনাকে যে ধরনের কাজগুলো করতে হবে তা হল,

  • Voice expert – এখানে আপনাকে আপনার Voice এর মাধ্যমে রেকর্ড করে স্টুডেন্টদের সমস্যার সমাধান করতে হবে।
  • QNA expert – এখানে আপনি স্টুডেন্টদের প্রশ্নের উত্তর বিভিন্ন ডকুমেন্টস দিয়ে সাবমিট করতে পারবেন।
  • Assignment Helper – এখানে আপনাকে ছাত্রদের দেওয়া Assignment টি নির্দিষ্ট সময়ে সম্পূর্ণ করতে হবে এবং তার বদলে তারা আপনাকে টাকা দিবে।

সাবজেক্ট এক্সপার্ট হিসাবে কাজ করার খুব জনপ্রিয় দুটি ওয়েবসাইট হল –

  • Chegg.Com
  • CourseHero

৩. ই-বুক বিক্রি করে ইনকাম

যেহেতু বেশিরভাগ স্টুডেন্টরা কোনো একটি বিশেষ বিষয়ে এক্সপার্ট হয়ে থাকে, তাই তারা এই মাধমেও অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।

তারা তাদের নিজেদের সাবজেক্টে হিসেবে ই-বুক তৈরি করে সেটি বিক্রি করতে পারবেন

অনলাইনে ই-বুক বিক্রি করার ব্যাপারটি নতুন কিছু নয়।

এক্ষেত্রে আপনি ঠিকঠাক পদ্ধতিতে আপনার অভিজ্ঞতা গুলো ডিজিটাল বইয়ের আকারে প্রকাশ করলে সে বইয়ের বাজারে চাহিদা থেকেই থাকে এবং সেখান থেকে ইনকামও কিছু কম হয়ে থাকেনা।

তৈরি করা এ-বুক আপনি social media, blog, YouTube channel ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচার ও বিক্রি করতে পারবেন।

৪. ফ্রিলান্সিং করে ইনকাম

ফিলাসিং করে ইনকাম করার জন্য আগে জেনে নেওয়া দরকার ফ্রিলাসিং কি ?

ফ্রিলাসিং হল একটি পেশা যেখান থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করে আয় করার সুযোগ থাকে।

সহজভাবে বললে, বিভিন্ন সংস্থা অনলাইনে নানাধরনের কাজ করিয়ে থাকে।

এর জন্য তারা বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে কাজ প্রকাশ করে থাকে এবং সেই ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে থাকা ব্যক্তি বা ফ্রিল্যান্সার বিড করার মাধ্যমে কাজটি করে ইনকাম করতে পারে।

এই কাজটি আপনি part time হিসাবে খুব সহজে করতে পারবেন কিন্তু এর জন্য আপনাকে কোনো একটি বিষয়ে দক্ষ হতে হবে।

Freelancing marketplace এ কাজগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়।

যেমন –

  • Web development
  • Software development
  • Network
  • Design and Multimedia
  • Marketing
  • Business Management
  • Content Writing
  • WordPress development 
  • SEO 
  • Graphics designing 
  • Animation 
  • Accounting 

এর বাইরেও আরো অনেক অনেক কাজের ক্যাটাগরি রয়েছে যেগুলো আপনি একজন freelancer হিসেবে করতে পারবেন।

ফ্রিলাসিং এর কাজ খুজার বা করার জন্য জনপ্রিয় মার্কেটগুলো হল –

  • Fiverr
  • Upwork
  • PeoplePerHour
  • Nexxt
  • Freelancer
  • Hireable
  • FlexJobs

৫. ইউটিউব থেকে ইনকাম

এখন ইউটিউবকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করার অনেক বেশি সুযোগ রয়েছে।

বর্তমানে স্কুলে পড়াশোনা করা ছোট ছোট বাচ্চা দের থেকে বয়স্ক লোকেরাও ইউটিউবের থেকে অনলাইনে প্রচুর টাকা আয় করছেন।

ইউটিউবে ইনকাম করতে হলে আপনাকে একটি ইউটিউবের চ্যানেল বানাতে হবে এবং সেখানে আপনাকে নিয়মিত ভিডিও পোস্ট করতে হবে।

নিজের ভিডিওর মাধ্যমে আপনি সাবস্ক্রাইবার এবং ভিউস পেয়ে আপনার চ্যানেলটিকে অ্যাড দেখানোর উপযুক্ত করে গুগল এডসেন্স মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারেন।

এবং গুগল/ইউটিউবের দ্বারা আবেদন গৃহীত হলে আপনার প্রত্যেক ভিডিওতে গুগল দ্বারা বিজ্ঞাপন দেখানো হবে যার পর টাকা ইনকাম নিজে নিজেই হতে থাকবে।

ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন ও ইনকামের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা –

  • ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করতে আপনাকে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার ও শেষ ১২ মাসে ৪ হাজার ঘণ্টার ওয়াচটাইম দরকার।
  • গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে ১০ ডলার হলে অ্যাডসেন্সের তরফে আপনি চিঠি পাবেন ও আপনাকে পিন ভেরিফাই করতে হবে।
  • গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম পেতে আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টে কমপক্ষে ১০০ ডলার জমা করতে হবে।
  • আপনার দিয়ে দেওয়া bank account এর মধ্যে টাকা নিজে নিজে প্রত্যেক মাসেই চলে আসবে।

একজন ইউটিউব চ্যানেল থাকলে আপনি যে যে সুযোগগুলো পাবেন সেগুলো হল-

  • আপনার একটি খুব ভালো fan base গড়ে উঠবে।
  • আপনার fan base/subscribers দের মাধ্যমে আপনি brand promotion এর কাজ খুব সহজে করতে পারবেন।
  • গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ভিডিওতে অ্যাড দেখানোর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।
  • এছাড়া অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কমিশন লাভ করতে পারবেন।

অবশই পড়ুনকিভাবে ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয় করবেন ?

 ৬. ব্লগিং করে ইনকাম

এই মুহূর্তে ব্লগিং হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যন্ত লাভজনক একটি পেশা।

আজকের ডেটে দাঁড়িয়ে প্যাসিভ ইনকামের সেরা সুযোগ যদি কিছু থাকে তাহলে সেটি হল ব্লগিং।

এখন প্রশ্ন আসে ব্লগিং কি ?

ব্লগিং হল এমন একটি পেশা যেখানে আপনি ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে নিয়মিত নিজের জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আর্টিকেল পাবলিশ করবেন।

এটা একটি অনলাইন পোর্টাল বা ওয়েবসাইট যেখানে ইন্টারনেটের বিভিন্ন প্লাটফর্ম গুলো যেমন “search engine” এবং “social media” ইত্যাদির থেকে ভিসিটর্স বা ট্রাফিক চলে আসবে আপনার কনটেন্ট গুলোকে পড়ার জন্যে।

আপনার ব্লগ সাইট টিতে নিয়মিত traffic / visitors আসতে থাকলে আপনি বিভিন্ন মাধ্যমে নিজের ব্লগ থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

যেমন,

  • Google AdSense বিজ্ঞাপন দেখিয়ে।
  • Affiliate marketing এর মাধ্যমে।
  • Direct product promotion করে।
  • নিজের বানানো course বা e-book বিক্রি করে।

সুতরাং ব্লগিং করতে গেলে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট কিভাবে বানাবেন এবং সেখানে কিভাবে প্রচুর ট্রাফিক বা ভিসিটর্স নিয়ে আসতে পারবেন, সেবিষয়ে ভাবতে ও জ্ঞান নিতে হবে।

পড়ুনব্লগ কি ? ব্লগ থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

৭. ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম

ফেসবুকে একটি পেজ তৈরি করে আপনি ইনকাম করতে পারেন।

ফেসবুক পেজ থেকে ডাইরেক্ট ইনকাম করতে গেলে আপনাকে ভিডিও প্রকাশ, affiliate marketing বা direct product promotion করে সেখান থেকে আয় করতে পারবেন।

তবে ফেসবুক পেজ থেকে এই উপায় গুলোর দ্বারা ইনকাম করতে হলে আপনার পেজ প্রচুর লাইক / ফলো থাকতে হবে।

এছাড়া, ফেসবুক থেকে ইনকাম করার জন্যে আপনারা “Facebook Marketplace” এর ব্যবহার করতে পারবেন।

Facebook marketplace এর মধ্যে গিয়ে আপনারা যেকোনো product ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইন বিক্রি করানোর ভালো সুযোগ পেয়ে থাকেন।

এছাড়া, ফেসবুকে ডাইরেক্ট সেইভাবে ইনকাম করার সুযোগ খুব কম রয়েছে।

ফেসবুক ব্যবহার করে indirectly আপনি আয় করতে পারবেন আর্টিকেল লিখে।

ফেসবুকের এই নতুন উপায়টিকে বলা হচ্ছে “Facebook instant article”

এর জন্য আপনাকে একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট বানিয়ে আপনার ফেসবুক পেজটি লিঙ্ক করতে হবে।

এছাড়া, আপনার ব্লগে মোট ৫০ টি আর্টিকেল অবশই থাকতে হবে।

একবার আপনি ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর জন্য এপ্রুভাল পেয়ে গেলে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

৮. অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে

আপনি যদি কোনো বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি online course sell করে ইনকাম করতে পারবেন।

Online course sell করার যে platform গুলো রয়েছে সেগুলো নিজেরাই আপনাকে সুযোগ দিচ্ছে আপনার কোর্স তৈরি করার।

আপনি নিজের দক্ষতা অনুযায়ী আপনার course বিক্রি করার platform খুঁজে নিতে পারবেন খুব সহজে।

Online course sell করার জনপ্রিয় platform গুলো হল –

  • Udemy – এখানে আপনি আপনার প্রথম course তৈরি করতে পারেন। এটি বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়।
  • Skillshare – এখানে আপনি সৃজনশীল শিক্ষা মাধ্যমে কোর্স তৈরি করতে পারেন।

এছাড়া আরও কিছু প্ল্যাটফর্ম হল – Pathwright , LearnWorlds, Thinkific ইত্যাদি।

৯. অনলাইনে টিউশন পড়িয়ে

অনেক বাবা মা আজকাল অনলাইন টিউশনের দিকে ঝুঁকছে।

সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ছাত্রদের জন্য এখন virtual বা online tuition পড়িয়ে ইনকামের সুযোগ রয়েছে।

বর্তমান সময়ের উদবিঘ্ন পরিস্থিতিতে school, college, university প্রভৃতি জায়গায় online education যত বাড়ছে online tuition এর চাহিদাও তত বাড়ছে।

এর পিছনে আরও একটি বড় কারন কাজ করছে need এবং supply policy.

অর্থাৎ অধিকাংশ টিচার tech-savvy না হওয়ার কারণে বর্তমান সময়ে online tuition করানো ব্যক্তিদের চাহিদা যথেষ্ট রয়েছে।

অনলাইনে টিউশন পড়ানোর  যে সব ওয়েবসাইটগুলো রয়েছে সেগুলো হল –

  • Byjus
  • Unacademy
  • Vedantu
  • Toppr
  • Bharat Tutors
  • Meritnation
  • Khan Academy
  • My tutor

অবশই পড়ুনঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করার উপায় গুলো 

 

সবশেষে,

আজকের আর্টিকেলে আমরা জানলাম এমন কিছু উপায় যেগুলো ব্যবহার করে ছাত্ররা ঘরে বসে অনলাইনে কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন।

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে টাকা আয় করার ক্ষেত্রে এই উপায় গুলো আমার হিসেবে সেরা।

শেষে একটা কথা বলতেই হয়,

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অনলাইন দুনিয়া অনেক বেশি বেড়ে উঠেছে ও সেখান থেকে ইনকামের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

ভবিষ্যতে অনলাইন দুনিয়া যত তাড়াতাড়ি আরো জনপ্রিয় হতে থাকবে, তাতে বলা চলে আপনি আপনার ইন্টারেস্ট অনুযায়ী যেকোনো একটি পদ্ধতি গ্রহণ করে সেখান থেকে সঠিক পদ্ধতিতে কাজ করে আর্থিক দিক দিয়ে অনেকটায় বেশি স্বাবলম্বী হতে দাঁড়াতে পারবেন।

শেষে, আরও কিছু জানতে অথবা এই আর্টিকেল নিয়ে কিছু জানাতে নিচে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link