এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ? এর থেকে টাকা কিভাবে আয় করবেন

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি (what is affiliate marketing in Bengali), আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনারা এই বিষয়ে জেনেনিতে পারবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কাকে বলে ?

যখন কথা আসে ঘরে বসে অনলাইন টাকা ইনকাম করার, তখন affiliate marketing এর জনপ্রিয়তা কিন্তু সাংঘাতিক বেশি।

কেননা, এই এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে লোকেরা লাখ লাখ টাকা ঘরে বসেই ইনকাম করছেন।

বর্তমানের সময় হলো ইন্টারনেটের সময় এবং প্রায় অনেকেই অনলাইন ব্যবসার দিকে প্রচুর রুচি রাখছেন।

এক্ষেত্রে, অনেকেই online e-commerce website এর মাধ্যমে ব্যবসা করছেন,

আবার অনেকেই, নিজের একটি personal blog site তৈরি করে ইনকাম করছেন।

যারা প্রায় অনেক সময় ধরে অনলাইন ইন্টারনেটে থেকে ইনকাম করছেন,

তারা, কোনো না কোনো সময় এই এফিলিয়েট মার্কেটিং (affiliate marketing) শব্দটি অবশই শুনেছেন।

বর্তমানে, বিভিন্ন bloggers, YouTubers এবং social media influencers রা এই মাধ্যমে অনলাইনে প্রচুর টাকা ইনকাম করছেন।

তবে, প্রায় অনেক নতুন bloggers রয়েছে যারা কেবল online advertisement platform যেমন “Google AdSense” থেকেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইনকাম করছেন।

তবে মনে রাখবেন, এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আপনি সীমাহীন টাকা আয় করতে পারবেন।

তাই, যদি আপনিও ভালো করে জানেননা যে, “এফিলিয়েট মার্কেটিং কি” (about affiliate marketing in Bangla),

তাহলে, এই আর্টিকেলের মাদ্ধমে জেনেনিন –

  1. Affiliate marketing কি ?
  2. এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করব ?
  3. এবং, কিভাবে কাজ করে এফিলিয়েট মার্কেটিং ?

চলুন, এক এক করে প্রত্যেকটি বিষয় গুলো জেনেনেই।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ? (What is affiliate marketing in Bangla)

Affiliate marketing, হলো অনলাইন ইনকাম করার এক অনেক আধুনিক এবং লাভজনক উপায় যেটা ব্যবহার করে bloggers এবং YouTubers রা বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট গুলোকে নিজেদের প্লাটফর্মে প্রচার করে থাকে।

নিজের blog, video, social media page এর মধ্যে কোম্পানির প্রোডাক্ট গুলো প্রচার বা মার্কেটিং করার ফলে,

যদি কোনো ব্যক্তি সেখান থেকে সেই product / service টিকে কিনে নেয়,

তাহলে, কোম্পানির তরফ থেকে কিছু কমিশন (commission) দেওয়া হয়।

যতটুকুই বা কমিশন প্রত্যেক প্রোডাক্ট এর ওপরে দেওয়া হয়, সেটা সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করে product এর category কি সেটার ওপরে।

যেমন, fashion এবং lifestyle categories এর মধ্যে অনেক commission দেওয়া হয় এবনং electronics এর products এর ওপরে অনেক কম commission থাকে।

ইন্টারনেটে হাজার হাজার রকমের products/services সহ আলাদা আলাদা কোম্পানি গুলোর এফিলিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে।

যেমন, “website hosting”, “domain name”, “WordPress theme”, “financial services”, “SEO tools”, “books”, “mobiles”, “electronics products” ইত্যাদি নানান ধরণের প্রোডাক্ট গুলো affiliate marketing করে বিক্রি করিয়ে ইনকাম করা সম্ভব।

যেকোনো ধরণের products গুলোকে affiliate marketing এর মাধ্যমে বিক্রি করানোর জন্যে,

আপনার blog বা website এর মধ্যে প্রচুর পরিমানের traffic/visitors থাকতে হবে।

প্রায়, ৫০০০ থেকে ৬০০০ unique visitors প্রত্যেক দিন আসতে হবে তাহলেই গিয়ে কিছুটা ইনকাম সম্ভব।

যদি আপনি নিজের YouTube channel বা social media page এর মাধ্যমে affiliate marketing করার কথা ভাবছেন,

তাহলে অবশই সেখানেও প্রচুর subscribers/followers থাকতে হবে।

কেননা, যত বেশি visitors, followers বা subscribers থাকবে, ততটাই অধিক পরিমানে লোকেরা প্রচার করা product / service টি দেখবেন।

এবং, তাদের মধ্যে অনেক কম লোকেরাই সেই product কেনার কথা ভাববেন।

তবে কম হলেও, এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিক্রি হওয়া প্রোডাক্ট এর বিপরীতে কমিশন অনেক বেশি দেওয়া হয়।

তাই, যদি আপনার blog / website নতুন তাহলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করাটা অনেক কঠিন ব্যাপার।

সরাসরি এফিলিয়েট মার্কেটিং কাকে বলে ?

সোজা এবং সরল ভাবে বললে, এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো মার্কেটিং এর এক আধুনিক প্রক্রিয়া।

মার্কেটিং এর এই প্রক্রিয়াতে,

কোম্পানি গুলো, বিভিন্ন bloggers, social influencers বা YouTubers দের কিছু কমিশন দেওয়ার লোভ দেখিয়ে products গুলোর প্রচার তাদের প্লাটফর্ম এর মধ্যে করিয়ে থাকেন।

এতে, কোম্পানির প্রোডাক্ট গুলোর প্রচার এবং বিক্রি হতে থাকছে এবং bloggers এবং YouTubers রা প্রত্যেক বিক্রির ফলে টাকা আয় করে নিচ্ছেন।

এতে, company এবং blogger/influencer দুজনের লাভ হয়ে থাকে।

এই মার্কেটিং এর প্রক্রিয়াতে, একজন ব্যক্তি নিজের যেকোনো সোর্স (blog, YouTube চ্যানেল ইত্যাদি) এর মধ্যে অন্যান্য কোম্পানির products/services গুলোকে প্রমোট বা প্রচার করে থাকে।

আর এর বদলে, সেই কোম্পানি সেই ব্যক্তিকে কিছু টাকা কমিশন হিসেবে দিয়ে থাকে।

তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাকা বা কমিশন কেবল তখন দেওয়া হয় যখন কোম্পানির প্রোডাক্ট গুলো বিক্রি হয়ে থাকে।

তাহলে বুঝলেন তো, “Affiliate marketing কি ?

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করব ?

অনলাইন টাকা ইনকাম করার সব থেকে লাভজনক উপায় হলো “এফিলিয়েট মার্কেটিং“.

এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য সবচে আগে আপনার কাছে একটি source বা platform থাকতে হবে।

Platform যেকোনো হতে পারে। যেমন, blog, website, YouTube channel বা social media page.

তবে, আপনার source বা platform এর মধ্যে visitors/followers/subscribers এর সংখ্যা কিন্তু প্রচুর থাকতে হবে।

যদি আপনি একজন ব্লগার তাহলে আপনার ব্লগে প্রায় ৫০০০ ভিসিটর্স প্রত্যেক দিন আসতে হবে।

  • টাকা ইনকাম করার জন্যে আপনাকে প্রথমে একটি affiliate program এর জন্য register করতে হবে।
  • ইন্টারনেটে সার্চ করলে আপনারা প্রচুর company গুলোর affiliate program পাবেন যেগুলোতে সরাসরি join হতে পারবেন।
  • Affiliate program এর মধ্যে register করার পর, আপনাকে কিছু products links এবং ads দেওয়া হবে।
  • অনেক ক্ষেত্রে, আপনি নিজেই যেই product সিলেক্ট করতে চাইছেন সেটার ad/link কপি করে নিজের ব্লগে বা অন্যান্য প্লাটফর্মে যোগ বা ডিসপ্লে করতে হবে।
  • এবার, আপনার প্লাটফর্ম (blog, YouTube channel, social media page) এর মধ্যে দেখানো product এর link/ad এর মাধ্যমে যদি কোনো visitor সেই product কিনে থাকে, তাহলে আপনি সেই বিক্রির বিপরীতে commission পাবেন।
  • এভাবে, আপনার platform গুলোতে যত বেশি traffic, visitors, followers বা subscribers থাকবে, প্রোডাক্ট গুলোর বিক্রির সুযোগ ততটাই অধিক থাকবে।

তাহলে বুঝলেন তো, কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন।

কোন কোন কোম্পানির এফিলিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে ?

সব থেকে বড় প্রশ্ন এখানে এটাই থাকছে যে, কোন কোন কোম্পানির affiliate program রয়েছে যাদেরকে join করা সম্ভব।

বর্তমান সময়ে, ইন্টারনেটে এরকম প্রচুর আলাদা আলাদা কোম্পানি রয়েছে যেগুলোর affiliate program রয়েছে।

এই কোম্পানি গুলোর মধ্যে কিছু জনপ্রিয় কোম্পানি গুলো হলো –

  • Amazon 
  • Flipkart 
  • GoDaddy
  • eBay 
  • Commission Junction
  • Clickbank

এই ধরণের প্রচুর ই-কমার্স কোম্পানি রয়েছে যাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম join করে ইনকাম করতে পারবেন।

আপনারা, Google এর মধ্যে গিয়ে যেকোনো কোম্পানির নামের সাথে “affiliate” লিখে সার্চ করলেই বুঝতে পারবেন যে সেই কোম্পানির এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে কি নেই।

যেমন ধরুন, amazon কোম্পানির affiliate program আছে কি নেই, সেটা জানার জন্যে Google search এর মধ্যে “amazon affiliate” লিখে সার্চ করুন।

এতে, যদি amazon কোম্পানির affiliate program আছে, তাহলে সেটা গুগল সার্চের রেজাল্টে দেখতে পাবেন।

যেকোনো কোম্পানির affiliate program এর সাথে সংযুক্ত হওয়াটা অনেক সোজা এবং সহজ কাজ।

আপনি কেবল sign up বা register লিংক এর মাধ্যমে যেকোনো কোম্পানির এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক join করতে পারবেন।

তারপর, সরাসরি কোম্পানির product সিলেক্ট করুন এবং প্রোডাক্ট এর এফিলিয়েট লিংক বা বিজ্ঞাপন নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে প্রচার/ডিসপ্লে করুন।

Affiliate network / program এর সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে কোনো ধরণের টাকা দিতে হয়না।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে ?

যখন কোনো কোম্পানি তার products/services গুলোর বিক্রি বাড়াতে চান, তখন সেই কোম্পানি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম অফার করে থাকে।

প্রোডাক্ট এর বিক্রি বাড়ানোর সব থেকে কার্যকর উপায় হলো মার্কেটিং বা প্রচার।

তাই, এমন এক commission based marketing এর আরম্ভ করা হলো যেটার মাধ্যমে সম্পূর্ণ ইন্টারনেটের বিভিন্ন প্লাটফর্ম গুলোতে যেকোনো প্রোডাক্ট এর প্রচার সম্ভব হয়ে দাঁড়ালো।

এবং, এই commission based marketing এর উপায়টি হলো “affiliate marketing”.

সর্ব প্রথমে, কোম্পানি গুলো product এর বিক্রি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে একটি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম লঞ্চ করে থাকে।

এখানে বলা হয় যে, কোম্পানির বাইরের ব্যক্তিরা কোম্পানির প্রোডাক্ট গুলোকে বিক্রি করতে পারলে,

তাদেরকে প্রত্যেক বিক্রির বিনিময়ে কিছু শতাংশ (%) টাকা কমিশন হিসেবে দেওয়া হবে।

এখন কমিশন আয় করার জন্য,

অন্যান্য ব্যক্তিরা এই প্রোগ্রাম এর দ্বারা কোম্পানির সাথে সংযুক্ত হয়ে কোম্পানির products গুলোকে কিছু বিশেষ এফিলিয়েট লিংক (affiliate links) এর মাধ্যমে বিক্রি করানোর প্রচেষ্টা চালান।

Products বিক্রি করানোর ক্ষেত্রে ব্যক্তিরা তাদের বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম গুলো ব্যবহার করে থাকে।

যেমন, blogs, websites, social media page, YouTube channel ইত্যাদি।

এবার, ব্যক্তির blog বা YouTube channel এর মধ্যে বিভিন্ন online source গুলোর থেকে traffic বা visitors আসে।

এখন, যদি ব্লগে দেখানো এফিলিয়েট লিংক / এড এর মধ্যে কোনো ভিসিটর ক্লিক করে এবং affiliate program অফার করা কোম্পানির official website এর মধ্যে গিয়ে কোনো product কিনে থাকে,

তাহলে এই ধরণের বিক্রির বিপরীতে কিছু শতাংশ কমিশন সেই ব্লগ এর মালিককে দেওয়া হয়।

Affiliate marketing এর সাথে জড়িত জরুরি কিছু শব্দ

যদি আপনিও এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার কথা ভাবছেন,

তাহলে এর সাথে জড়িত কিছু জরুরি বিষয় গুলো জেনে রাখাটা আপনার জন্যে দরকার।

Affiliates: affiliates তাদেরকে বলা হয় যারা একটি affiliate program এর সাথে সংযুক্ত হয়ে তাদের products গুলোকে নিজের প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে প্রোমোট করেন।
Affiliate Marketplace: কিছু এরকম কোম্পানি রয়েছে যারা আলাদা আলাদা ক্যাটাগরি বা বিষয় নিয়ে বিভিন্ন affiliate program গুলো offer করে থাকে। এদেরকেই বলা হয় affiliate marketplace.
Affiliate ID: এটা একটি unique ID যেটা আপনি পাবেন যখন কোনো affiliate program এর সাথে সংযুক্ত হবেন। এই আইডির মাধ্যমে আপনার একাউন্টের সাথে জড়িত sales, payment ইত্যাদি গুলোকে ট্র্যাক করা হয়। এই আইডি ব্যবহার করে নিজের affiliate একাউন্টে লগইন করা যেতে পারে।
Affiliate link: affiliate links হলো সেই বিশেষ links যার মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন products গুলোকে নিজের blog বা ওয়েবসাইটে প্রচার করে থাকেন। প্রত্যেক আলাদা আলাদা products এর affiliate link আলাদা আলাদা হয়। এছাড়া, এই লিংক এর মাধ্যমে যখন ব্যক্তি কিছু কিনে নিবেন তখন সেই বিক্রির কমিশন আপনার একাউন্টে যোগ করা হবে।
Commission: সেই টাকার পরিমান যেটা আপনাকে আপনার প্রত্যেক বিক্রির বিনিময়ে দেওয়া হবে। কমিশন মূলত আগের থেকে নির্ধারিত বিক্রির কিছু অংশ (%) হতে পারে।
Affiliate manager: কিছু কিছু affiliate program/network গুলোতে affiliates দেরকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে সহায়ক রাখা হয় যাদের বলা হয় “affiliate managers”.
Payment Threshold: সেই মিনিমাম টাকার পরিমান যেটা আপনার একাউন্টে হয়ে যাওয়ার পর আপনাকে আপনার প্রাপ্য কমিশন ইনকাম পেমেন্ট এর মাধ্যমে পাঠানো হয়।

Affiliate marketing এর সাথে জড়িত কিছু জরুরি প্রশ্ন ও উত্তর

এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে কি বোঝায় এবং এর সাথে জড়িত অন্যান্য বিষয় গুলো জেনে নেওয়ার পর,

চলুন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে জড়িত এমন কিছু জরুরি প্রশ্নের উত্তর আমরা জেনেনেই যেগুলো সাধারণ ভাবে প্রত্যেকের মনে চলে আসতেই পারে।

Affiliate marketing এবং Google AdSense একসাথে ব্যবহার করা যাবে ?

অবশই করা যাবে, অনেক ব্লগার এবং ইউটিউবার রয়েছেন যারা একসাথে একি ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে থাকেন। কোনো সমস্যা সেখানে হয়না। অনেকের আবার Google AdSense এর তুলনায় affiliate marketing থেকে প্রচুর অধিক ইনকাম হয়।

Affiliate marketing এর জন্যে blog বা website কি জরুরি ?

এমনিতে জরুরি বলা যেতে পারেনা, কেননা অনেক social media influencers এবং YouTubers রয়েছেন যারা ওয়েবসাইট বা ব্লগ ছাড়া নিজেদের প্লাটফর্ম থেকে ইনকাম করছেন। তবে, এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে একটি ব্লগ এর ব্যবহার করে ইনকাম করাটা অধিক লাভজনক বলে বলা হয়।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্যে কোনো বিশেষ কোর্স করতে হবে নাকি ?

এমনিতে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কোনো ধরণের কোর্স করার প্রয়োজন হয়না। তবে, এর সাথে জড়িত বিষয় গুলোর জ্ঞান থাকাটা জরুরি। তাছাড়া, এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কিছু বিশেষ কৌশল অবশই শিখতে পারবেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে।

প্রত্যেক কোম্পানির এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে নাকি ?

ইন্টারনেটের মধ্যে সক্রিয় প্রায় অনেক কোম্পানি গুলো নিজেদের affiliate program অবশই রাখেন। কেননা, এতে কোম্পানির প্রোডাক্ট এর বিক্রি প্রচুর বৃদ্ধি পায়। তবে, প্রত্যেক কোম্পানির এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে বলে বলা যেতে পারেনা। আপনি গুগলের মধ্যে সার্চ করে দেখতে পারবেন কোনো কোম্পানির এফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে কি নেই।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকা আয় করা যাবে ?

এটা সম্পূর্ণ ভাবে আপনার এবং আপনার প্লাটফর্ম এর ওপরে নির্ভর করবে যে আপনি কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনার অনলাইন প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে আপনি কতটা ভিসিটর্স দের affiliate product কিনে নিতে রাজি করতে পেরেছেন এবং প্রত্যেক দিন কত বেশি sales আপনার affiliate link থেকে হচ্ছে, এর ওপরেই আপনার ইনকাম নির্ভর।

তবে, আপনার blog/website এর মধ্যে যদি প্রচুর traffic প্রত্যেক দিন আসছে এবং ওয়েবসাইটের বিষয়ের সাথে জড়িত টার্গেটেড প্রোডাক্ট আপনি এফিলিয়েট করছেন, তাহলে ভালো ইনকাম হওয়ার সুযোগ থাকছে। অনেকেই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রত্যেক মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন।

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আজকে আমরা “অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি” (affiliate marketing Bangla) এবং “কিভাবে শুরু করব এফিলিয়েট মার্কেটিং” বিষয়টি নিয়ে প্রত্যেক খুঁটি নাটি বিষয় গুলো জেনে নিলাম।

অবশই, সঠিক ভাবে যদি আপনি এই প্রক্রিয়ার ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এতটা ইনকাম করতে পারবেন যার কোনো সীমা থাকবেনা।

তবে মনে রাখবেন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করাটা তেমন সোজা কাজ না।

অনলাইন ইন্টারনেটের জগতে আপনার কাছে প্রচুর followers/visitors/traffic থাকতেই হবে যাদের কাছে আপনি নিজের affiliate products গুলো বিক্রি করতে পারবেন।

যদি আজকের এই এফিলিয়েট মার্কেটিং টিউটোরিয়াল (affiliate marketing tutorial) আপনাদের ভালো লেগে থাকে,

তাহলে আর্টিকেলটি অবশই শেয়ার করবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link