৫ টি অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া যেগুলি টাকা ছাড়াই শুরু করা যাবে

অনলাইন ব্যবসা কি এবং অনলাইনে কি ব্যবসা করা যায়? আমাদের মধ্যে অনেকেরই মনে এই দুটো প্রশ্ন অবশই খুঁড়ে।

কেননা, বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট থেকে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার একটি অনেক কার্যকর উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে নানান অনলাইন বিজনেস গুলি। তবে, অনেকেই বুঝে উঠতে পারেননা যে, আসলে অনলাইনে কি কি ধরণের ব্যবসা গুলি করা যেতে পারে।

বর্তমান সময়ে আমাদের সবার জন্যই ইন্টারনেট একটি বড় সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা এর মাধ্যমে এখন যে কেউ নিজের একটি ব্যবসা শুরু করতে এবং ব্যবসার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার সুযোগ পেতে পারবেন।

তবে এর জন্যে আপনার কাছে থাকতে হবে একটি কম্পিউটার, ইন্টারনেট কানেক্শন এবং একটি সেরা অনলাইন ব্যবসার আইডিয়ার।

অনলাইন ব্যবসার সবচেয়ে ভালো দিকটি হল, এক্ষেত্রে প্রযুক্তি সম্পর্কে আপনার খুব বেশি কিছু জানার দরকার নেই। মানে, বর্তমান সময়ে অনলাইনে এমন নানান উন্নত সরঞ্জামগুলি আপনারা পাবেন যেগুলি আপনার জন্য কঠিন প্রযুক্তিগত জিনিসগুলি সহজেই করে দিতে পারবেন।

আপনি যখন খুশি তখন কাজ করতে পারবেন এবং নিজের পছন্দমতো যেকোনো জায়গার থেকেই নিজের অনলাইন ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

পাশাপাশি, আপনি কতটা বা কত কম কাজ করতে চান তার আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

একটি অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার কোন ধরণের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, তবে হ্যা, কাজের সাথে জড়িত বিষয়গুলি অবশই বুঝে নিতে হয়। আর তাই, অনলাইনে যে কেউ তাদের নিজস্ব ব্যবসা সহজে এবং সুবিধাজনক ভাবে শুরু করে নিতে পারেন।

তাহলে চলুন, নিচে আমরা সরাসরি জেনেনেই, অনলাইন ব্যবসা কি? অনলাইনে কি ব্যবসা করা যায়? এবং ৫টি সেরা অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া গুলি যেগুলি জেকেও কোনো টাকা ছাড়া শুরু করতে পারবেন।

অবশই পড়ুন: অনলাইনে ফ্রিতে ইনকাম করার সাইট 

অনলাইন ব্যবসা কি – What Is Online Business in Bengali

অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া
5 Best online business ideas.

সোজা এবং সহজ ভাবে বুঝতে হলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইনে করা ব্যবসা গুলোকেই অনলাইন ব্যবসা বলা যেতে পারে। এমনিতে অনলাইন ব্যবসাকে আমরা ই-কমার্স বলেও বলতে পারি।

সুতরাং, অনলাইন ব্যবসা এবং ই-কমার্স এমন একটি ব্যবসার ধরণ যেখানে অনলাইনেই একটি ডিজিটাল দোকান সেটআপ করা হয় যেখানে গিয়ে লোকেরা নিজের পছন্দমতো জিনিস এবং পরিষেবাগুলি কিনতে ও বিক্রি করতে পারেন।

আর এর জন্য তাদেরকে কোনো ফিজিক্যাল দোকানে যেতে হয়না। সবটাই ইন্টারনেট এবং নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারের দ্বারা করা যায়।

যেকোনো ধরণের অনলাইন ব্যবসা করার জন্য এবং ব্যবসাটি এক্সেস করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতেই হয়। এর মানে হলো, জিনিস বিক্রি করতে বা পরিষেবা গুলি প্রদান করার ক্ষেত্রে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে ইন্টারনেটের।

সোজা ভাবে বললে, এটি ইন্টারনেটে সক্রিয় আপনার একটি দোকানের মতোই।

তবে এমন নানান অনলাইন বিজনেস গুলিও রয়েছে যেখানে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে আপনাকে কোনো ধরণের ই-কমার্স দোকান সেটআপ করতে হয়না। এই ধরণের কিছু ব্যবসা গুলি হলো, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্লগিং, এবং ফ্রিল্যান্সিং।

তবে এক্ষেত্রেও কাজ গুলি আপনাকে অনলাইন মাধ্যমেই করতে হয়। যেমন ধরুন, পরিষেবা প্রদান করা, কাজ পাওয়া, কমিশন ও পেমেন্ট গ্রহণ ইত্যাদি সবটাই আপনাকে ইন্টারনেট মাধ্যমে অনলাইনে করতে হয়।

তাহলে অনলাইন ব্যবসা মানে কি বা অনলাইন ব্যবসা বলতে কি বুঝায়, বিষয়টা আপনারা হয়তো এখন ভালো ভাবে বুঝতেই পেরেছেন।

রিলেটেড: ঘরে বসে হাতে লেখালেখি করে টাকা আয় করতে চান?

টাকা ছাড়া অনলাইনে কি ব্যবসা করা যায়? অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া:

আজকের দিনে অনেক মানুষই আছেন যারা তাদের নিজস্ব একটি ব্যবসা শুরু করতে চান। এমনিতে আপনি অবশই যেকোনো ধরণের একটি ব্যবসার থেকে প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারেন।

আজকের এই আর্টিকেলের মধ্যে আমরা এমন সেরা অনলাইন ব্যবসার ধারণা গুলি নিয়ে আলোচনা করছি যেগুলি শুরু করার ক্ষেত্রে কোনো টাকা বিনিয়োগ করার প্রয়োজন নেই।

তবে, সামান্য কিছু টাকা বিনিয়োগ করে আমরা অনলাইন মাধ্যমে নানান ধরণের ব্যবসা গুলি শুরু করতেই পারি। তবে সেই ব্যবসা গুলির বিষয়ে আমরা অন্য কোনো আর্টিকেলে আলোচনা করবো।

১. ই-কমার্স ওয়েবসাইটে ব্যবসা:

ই-কমার্স ওয়েবসাইটে ব্যবসা করার মানে হলো, নিজের একটি ই-কমার্স সাইট তৈরি করে অনলাইন মাধ্যমে জিনিস-পত্র বা পরিষেবা গুলি বিক্রি করা।

অনেকেই নিজের একটি e-commerce সাইট তৈরি করে নানান ধরণের পণ্য ও পরিষেবা গুলি অনলাইনে বিক্রি করে ব্যবসা করছেন এবং অনলাইনে টাকা ইনকামের সুযোগ পাচ্ছেন।

এটি আপনার জন্য সত্যিই অনলাইনে টাকা ইনকামের একটি অনেক ভাল এবং লাভজনক উপায় হতে পারে।

ই-কমার্স ব্যবসার ক্ষেত্রে, আপনি আপনার নিজের অনলাইন স্টোর তৈরি করে ফোন, ফল, সবজি, ইলেকট্রনিক্স, এবং কাপড়ের মতো জিনিস গুলি বিক্রি করতে পারেন।

এছাড়াও ইন্টারনেটে এমন নানান ওয়েবসাইট তৈরির প্লাটফর্ম ও অ্যাপ গুলি রয়েছে যেগুলিকে কাজে লাগিয়ে আপনি অনেক সহজেই নিজের একটি অনলাইন স্টোর তৈরি করে নিতে পারবেন।

নিজের অনলাইন দোকান তৈরি করার জন্য আপনাকে অনশই কিছু জরুরি পদক্ষেপ গুলি অনুসরণ করতে হবে।

তবে, YouTube-এর মতো প্লাটফর্ম এর মধ্যে গিয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল গুলি দেখে সম্পূর্ণ ফ্রীতে নিজের একটি অনলাইন ই-কমার্স স্টোর কিভাবে তৈরি করবেন, তা আপনি অনেক ভালো ভাবেই শিখে নিতে পারবেন।

২. অনলাইনে ইউটিউব চ্যানেল ব্যবসা:

আপনি যদি সম্পূর্ণ ফ্রীতে কোনো টাকা না লাগিয়ে একটি অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে আপনি YouTube-এ গিয়ে একটি চ্যানেল শুরু করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে নিয়মিত এমন কিছু বিষয়ে ভিডিও তৈরি করতে হবে যেই বিষয়ে আপনার প্রচুর জ্ঞান আছে, বিষয় গুলি আপনি পছন্দ করেন এবং বিষয় গুলি নিয়ে আপনি নিয়মিত ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

কিন্তু মনে রাখবেন, আপনার ভিডিওর কনটেন্ট গুলি অন্যদের তৈরি করা কনটেন্ট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হতে হবে।

চিন্তা করতে হবেনা, আপনি কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই সম্পূর্ণ ফ্রীতে নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি ও সেটআপ করে কাজ শুরু করতে পারবেন।

তবে মনে রাখা দরকার যে, চ্যানেলের জনপ্রিয়তা বাড়তে খানিকটা সময় অবশই লাগবে।

আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল থেকে নানান মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। যেমন ধরুন, গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েট মার্কেটিং, পেইড প্রমোশন, নিজের পণ্য বিক্রি করা ইত্যাদি।

৩. ড্রপ শিপিং ব্যবসা:

একটি অনলাইন ড্রপ শিপিং ব্যবসার পিছনের ধারণাটি বেশ সোজা বা সহজ।

এক্ষেত্রে, একটি ছোট ব্যবসার মালিক হিসাবে, আপনাকে একটি উল্লেখযোগ্য ইনভেন্টরি রাখার বা গ্রাহকদের পণ্য সরবরাহের রসদ পরিচালনা করার কোনো প্রয়োজন আপনার হয়না।

তবে এটাও একটি ই-কমার্স ব্যবসার মতোই যেখানে পণ্যের বেচা-কেনার দ্বারা লাভ আয় করা হয়। তা হলেও, ড্রপ শিপিং এর ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার নিজের তরফ থেকে পণ্য কিনতে, স্টোর করতে বা ডেলিভারি করতে হয়না।

ড্রপ শিপিং ব্যবসার ক্ষেত্রে, পণ্য সংরক্ষণের সাথে জড়িত নানান আর্থিক ঝুঁকিগুলি নিয়েও আপনার ভাবতে হবেনা, কেননা বিক্রি নাও হতে পারে এমন নানান পণ্য গুলি নিয়ে আপনার কোনো ধরণের মাথা বেথা থাকেনা।

সেইসাথে, সারা বিশ্ব জুড়ে নিজের ব্যবসা চালানোর চাপ আপনার নিতে হয়না। পাশাপাশি যা আমি আগেই বলেছি, আপনাকে নিজের তরফ থেকে কোনও ধরণের পণ্য উত্পাদন বা সংরক্ষণ করার প্রয়োজন নেই।

এই ব্যবসাতে আপনার মূল কাজটি হবে, সম্ভাব্য গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা এবং বিক্রয় উৎপন্ন করার ক্ষেত্রে বিপণন এবং বিজ্ঞাপনের ব্যবহার ও সাহায্য নেওয়া।

কোনো ধরণের বিক্রয় সম্পন্ন হলে, ব্যবসা পরিচালনার অন্যান্য সমস্ত দিক এবং কাজ গুলি অন্যান্য ব্যক্তি বা বিভাগ দ্বারা যত্ন নেওয়া হয়।

কেননা, ড্রপ শিপিং ব্যবসার ক্ষেত্রে নানান মাধ্যমে নতুন গ্রাহকদের অর্জন করাটাই হবে আপনার মূল কাজ।

৪. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবসা:

যখন কথা হচ্ছে, কোনো টাকা না লাগিয়ে করা যাবে এমন সেরা অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া গুলি নিয়ে, তখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিষয়টি তো অবশই বলতেই হয়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিছুটা ড্রপ শিপিংয়ের মতোই, তবে এক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য অবশই রয়েছে।

উভয় মডেলেই, আপনার নিজের কোনো পণ্য বা ইনভেন্টরি রাখা বা শিপিং পরিচালনা করার দরকার হয়না।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে, আপনি আপনার ব্লগ, ইউটিউবের চ্যানেল, সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বা অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্ম গুলির মাধ্যমে পণ্যের প্রচার ও বিক্রি করতে পারেন।

প্রতিটি পণ্য প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাকে একটি বিশেষ এফিলিয়েট লিঙ্ক দিয়ে দেওয়া হয়। যখনই কোনো ব্যক্তি আপনার এফিলিয়েট লিঙ্কে ক্লিক করে থাকেন এবং যেকোনো ধরণের কেনাকাটা করেন, আপনি কিছু পরিমান কমিশন পেয়ে যান।

কমিশনের পরিমাণ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম বা কোম্পানি গুলির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ ডিজিটাল পণ্যগুলির জন্য প্রায় ৫% থেকে ২৫% বা তারও বেশি কমিশন দেওয়া হয়।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সবচেয়ে ভালো দিকটি এটাই যে, এখানে আপনাকে কোনো ঝুঁকি নিতে হয়না বা আপনাকে কোনো ধরণের বড় বিনিয়োগ করতে হবে না।

ড্রপ শিপিং এর মতই এখানেও, গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে এবং পণ্যের প্রচার ও বিক্রয় করতে আপনার একমাত্র খরচ হতে পারে বিপণন এবং বিজ্ঞাপন এর ক্ষেত্রে।

তবে, বিজ্ঞাপন এবং বিপণন ছাড়াও সম্পূর্ণ ফ্রি ভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও লোকেরা প্রচুর টাকা ইনকাম করছেন।

মনে রাখবেন, এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে একটি ভালো ও জনপ্রিয় এফিলিয়েট প্রোগ্রাম জয়েন দিতে হয়।

এই ধরণের কিছু জনপ্রিয় affiliate program কিছু হলো, Hostinger Affiliate Program, Semrush, Amazon Associates, CJ Affiliate, Fiverr, Moment Affiliate Program, eBay Partner Network, ClickBank, এবং আরো আছে।

ইন্টারনেটে আপনারা প্রায় প্রত্যেক ধরণের পণ্যের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম পেয়ে যাবেন যেগুলিকে নিজের অনলাইন প্লাটফর্ম গুলির মাধ্যমে প্রচার ও বিক্রি করিয়ে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

২০২৪ সালে এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি অনেক লাভজনক ও সেরা অনলাইন ব্যবসা হিসেবে প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

৫. অনলাইন ব্লগিং ব্যবসা:

যখন প্রশ্ন করা হচ্ছে যে, কোনো টাকা না লাগিয়ে সম্পূর্ণ ফ্রীতে অনলাইনে কি কি ব্যবসা করা যেতে পারে, এক্ষেত্রে আমার সব থেকে পছন্দের এবং প্রিয় ব্যবসাটি হলো, অনলাইন ব্লগিং ব্যবসা।

আমি নিজেই গত ৭-৮ বছর থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই অনলাইন ব্লগিং ব্যবসাটি করছি এবং সত্যি বলতে একটি সাধারণ চাকরির তুলনায় যথেষ্ট ভালো পরিমানে ইনকাম করে নিতে পারছি।

যদি আপনার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ভালো দক্ষতা বা আগ্রহ থাকে, তবে আপনিও পারবেন ব্লগিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে ভালো পরিমানের ইনকাম করতে।

ব্লগার (www.blogger.com) এর মতো নানান প্লাটফর্ম গুলি আপনারা পাবেন যেগুলিকে কাজে লাগিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজের একটি ব্লগ সাইট চালু করে নিতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস এর মতো প্লাটফর্ম গুলির দ্বারা আপনার নিজস্ব একটি সাইট অবশই তৈরি করে নিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে, হোস্টিং এর জন্য আপনার অনেক সামান্য পরিমান টাকা খরচ করতে হয়।

ব্লগিং ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে নিজের একটি সেলফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস সাইট থাকাটাই আমার হিসেবে বেস্ট, কেননা একটি বিনামূল্যের ব্লগিং সাইটে আপনি নিজের মতো করে বা স্বাধীনভাবে সব ধরণের কাজ গুলি করতে নাও পড়তে পারেন। যেমন অর্থ উপার্জন এর প্রক্রিয়া বা বিজ্ঞাপন ইম্প্লিমেন্টেশন ইত্যাদি।

ব্লগিং এর মূল উপাদান গুলি হলো, লেখালেখি করা, নিজের ব্লগে নিয়মিত আর্টিকেল এবং অন্যান্য মিডিয়া কনটেন্ট গুলি পাবলিশ করা।

তবে লেখালেখি ছাড়াও ব্লগিং অন্যান্য অনেক কিছুই হতে পারে। একটি লিখিত বা টেক্সট কনটেন্ট সহ তৈরি ব্লগ পোস্ট ছাড়াও, আপনি ফটো, ভিডিও এবং অন্যান্য সাইটের লিঙ্ক গুলিও নিজের ব্লগে শেয়ার বা পোস্ট করতে পারবেন।

একবার আপনার ব্লগ সাইটে ট্রাফিক বা ভিসিটর্স আসতে শুরু হলে, আপনি নিজের ব্লগ সাইট থেকে নানান মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। যেমন ধরুন, গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ব্লগে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে, পেইড প্রমোশন করে এবং পেইড গেস্ট পোস্টিং এর মাধ্যমে।

অবশই পড়ুন: প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় করার কার্যকর উপায়

অনলাইনে অন্যান্য কি কি ব্যবসা করা যায়?

উপরে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করার যেই আইডিয়া বা ধারণা গুলির বিষয়ে বলেছি সেগুলি আপনারা কোনো বিনিয়োগ বা টাকা ছাড়া শুরু করতে পারবেন। তবে বিনিয়োগ করতে লাগলেও সে অনেক কম পরিমানের বিনিয়োগ করলেই কাজ হয়ে যাবে।

এখন চলুন, নিচে আমরা কিছু সেরা অনলাইন ব্যবসার নামের তালিকাটি দেখেনেই যেগুলি অনেক জনপ্রিয় ও লাভজনক এবং অনেকেই এই ব্যবসা গুলি করছেন।

  • অনলাইনে ছবি বিক্রি করার ব্যবসা।
  • অনলাইন ভিডিও কোর্স বানিয়ে বিক্রি করা।
  • অনলাইন মাধ্যমে টিউশনি করানো।
  • ই-বই তৈরি করে অনলাইনে পাবলিশ করা।
  • কনটেন্ট/আর্টিকেল রাইটিং বিসনেস।
  • App এবং website তৈরির ব্যবসা করুন।
  • পুরোনো জিনিস বেচা-কেনা করা।
  • নানান মার্কেটপ্লেস গুলিতে পণ্য বিক্রি করা।
  • অনলাইন ফিটনেস ট্রেইনার।

উপসংহার: অনলাইনে কি ব্যবসা করা যায়:

অনলাইন ব্যবসা কি এবং অনলাইনে আমরা কি কি ব্যবসা শুরু করতে পারি, আশা করছি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আপনারা অবশই পেয়েছেন। দেখুন, বর্তমান সময়ে অনলাইন মাধ্যমে আমরা নানান ধরণের ব্যবসা গুলি করতে পারি।

তবে আমি পরামর্শ দিবো, কেবল সেই ব্যবসা গুলি করুন যেগুলিতে অনেক কম বিনিয়োগ এর প্রয়োজন এবং যেই ব্যবসা নিয়ে কিছুটা হলেও আপনার ধারণা রয়েছে। এমনিতে, উপরে বলে দেওয়া অনলাইন ব্যবসার ধারণা গুলির যেকোনো একটি আপনি শুরু করে দেখতেই পারেন।

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশই আর্টিকেলটি শেয়ার করতে ভুলবেননা।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top